Anannya's Photography

Anannya's Photography This page is about photography and videography

11/05/2026

কিছু কিছু মানুষরূপী জানোয়ার এতটাই ছোটলোক হয় যে তুমি এদের অস্তিত্ব নিয়ে অস্বস্তি আর ঘৃণার চরম শিখরে পৌঁছে যাবে। মানে এদের অস্তিত্বটাই যেন অবাঞ্চিত! আগাছার মতন, সমস্ত পুষ্টি খেয়ে হৃষ্টপুষ্ট হয়ে গাছকেই মেরে ফেলে! বা জোঁক যেমন আঁঠার মত লেগে থাকে আর সমস্ত রক্ত চুষে চুষে খায় একটুও ছাড়ানো যায় না দাঁ দিয়ে কোপ মেরে দুই ভাগ না করা পর্যন্ত! এরা এরকমই চরিত্রের অধিকারী। মানে উঠতে-বসতে, ঘুমে-জাগরণে অবিরাম পরিশ্রম করে যাবে কন্টিনিউয়াসলি তোমাকে ডিস্টার্ব করার জন্য! একটুও বিশ্রামও নেয় না নিস্তারও দেয় না। মানে এদের জীবনের মোটোই হচ্ছে তোমাকে বিব্রত করা, আটকে রাখা, বেঁধে রাখা, পিছিয়ে দেয়া! কেন? হিংসা! কারণ ও লুজার হয়ে বসে আছে এজন্য তোমাকে উন্নতি করতে দেখতে ওর ইগো হার্ট হচ্ছে। এরা নিজেকে মনে করে 'রাজা' উরফ্ KING কিন্তু অন্যদের চোখে যে একেবারেই নীচ্ হিসেবে পরিচিত হচ্ছে এটা সে কিছুতেই বুঝতে পারে না কারণ বোঝার ক্ষমতাই রাখে না। ও যেহেতু নিজেই পিছানো এজন্য আরেকজনের উন্নতি ও কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। কারণ ও তখন বুঝতে পারে কতটা নগণ্য হয়ে পড়ে আছে! আর তার প্রমাণ দিতে থাকে নিজের স্বভাব, চরিত্র আর আচার-আচরণের মাধ্যমে।
তুমি অন্যকে দাবিয়ে রাখলেই কি নিজে উপরে উঠে যাবে? তোমার যদি সেই যোগ্যতাই থাকতো তাহলেতো তুমি আর পিছনে পড়ে থাকতে না বা অন্যের পিছনে নিজের মহামূল্যবান সময়ও নষ্ট করতে না, নষ্টামিও করতে না। আসলে যাদের চরিত্রের দোষ থাকে না! তারা সমস্ত চারিত্রিক দোষেরই অধিকারী হয়। কারণ এদের মধ্যে এথিকস্ বা মূল্যবোধ বলতে কিচ্ছুই থাকে না!💩

মানুষের বাচ্চা চোরের একটা গোষ্ঠী আছে। এই যে রঙ-বেরঙ্গের শোবিজ মিডিয়ায় রং- বেরঙ্গের মানুষের বাচ্চা চোরের একটা গোষ্ঠী আছে।...
11/12/2025

মানুষের বাচ্চা চোরের একটা গোষ্ঠী আছে। এই যে রঙ-বেরঙ্গের শোবিজ মিডিয়ায় রং- বেরঙ্গের মানুষের বাচ্চা চোরের একটা গোষ্ঠী আছে। এই যে রঙ-বেরঙ্গের শোবিজ মিডিয়ায় রং- বেরঙ্গের নায়িকা দেখা যায় এরা সবাই চুরি করা এবং নিজেরাও চোর! এরা প্রত্যেকেই একটা চোর গোষ্ঠীর সদস্য যাকে এরা সিক্রেট এজেন্ট নামে প্রচার করে। আসলে এরা পুরাটাই চোর, একেবারে সব কিছুই চুরি করার ক্ষমতা রাখে এবং তোমাকে গুম করে তোমার রুপ ধরে তোমার যায়গায় বসবাসও করতে পারে! এদের মূল টার্গেট থাকে বাচ্চা। মেয়ে বাচ্চাদেরকে ধরে নিয়ে যেয়ে বেশ্যাবৃত্তি করায় আর পাবলিসিটি করে নাম দেয় সেলিব্রিটি। আর ছেলে বাচ্চাদের বানায় গুন্ডা, কুত্তা, ডেলিভারি ম্যান, মানে ছেলেধরা। এটা অনেক বড় র‍্যাকেট আর এর মূল হোতা ওয়েস্টার্ন মিডিয়া। ওরা এভাবে নারী- শিশু পাচার করে বাচ্চা ফুটাচ্ছে আর ওদেরকে গুম আই মিন চুরি করে বেচে দিচ্ছে বিভিন্ন খদ্দেরের কাছে আর ওই বাচ্চার মা- বাবাকে করছে অমানবিক নির্যাতন।

  with   &   in one   👨‍👩‍👧   Azlynn is one year old now."A child will remember who was with him/her,not who spent the m...
15/10/2025

with &
in one 👨‍👩‍👧

Azlynn is one year old now.

"A child will remember who was with him/her,
not who spent the most on him/her.
Children forget toys & clothes,
but not time & love."

"Ending a relationship that doesn't work is an act of self-care that makes each of you a stronger parent."

"Even when your parents can't agree about anything else,
they can agree that they love you."

21/07/2025

জন্ম হোক যথাতথা কর্ম হোক ভালো।

জীবন মানেই স্ট্রাগল। জীবনের পরতে পরতে শুধুই মুখোমুখি হতে হয় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের। হয়ত এর নামই জীবন, এর নামই ম্যাচুরিটি লা...
06/06/2025

জীবন মানেই স্ট্রাগল। জীবনের পরতে পরতে শুধুই মুখোমুখি হতে হয় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের। হয়ত এর নামই জীবন, এর নামই ম্যাচুরিটি লাভ করা! জীবনের বিভিন্ন ধাপ পেড়িয়ে তুমি কখনোই আর আগের তুমিতে ফেরত যেতে পারবে না! প্রত্যেকটা ইন্সিডেন্টই তোমাকে বদলে এক নতুন তুমিতে রূপান্তর করবে। এজন্যেই হয়ত লোকে বলে-
'তুমিতো অনেক বদলে গেছ, এমনটিতো তুমি আগে ছিলে না!'
এটিই আসলে ইভোলিউশন! যেমনটি বানর থেকে আদি মানবের ইভোলিউশন হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, এটিও ঠিক তেমনই একটি ব্যাপার- মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির ইভোলিউশন। এটা হচ্ছে পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে মানসিকভাবে এডাপটেশন বা এডজাস্ট করে নেয়া যেটা ইরেভারসিবলি সেই মানুষটির মানষিকতাকে বদলে দেয় সম্পূর্ণরূপে। তাই চাইলেই আর আগের সেই ইনোসেন্ট সেল্ফ এ সে ফিরে যেতে পারবে না, কারণ সে নেক্সট ডাইমেনশনে অলরেডি প্রবেশ করে ফেলেছে! আর এটাই তার "ম্যাচুর্ড-সেল্ফ"।
লেখক- রেফায়া অনন্যা মালেক

Tried this
14/05/2025

Tried this

আজ নাকি মাদার্স ডে! হ্যাপি মাদার্স ডে! হ্যোয়াট ইজ আ মাদার্স ডে? মায়েদের দিনে কি মায়েদের কোন ছুটি থাকে নাকি থাকে কোন বিশ্...
11/05/2025

আজ নাকি মাদার্স ডে!
হ্যাপি মাদার্স ডে!
হ্যোয়াট ইজ আ মাদার্স ডে?
মায়েদের দিনে কি মায়েদের কোন ছুটি থাকে নাকি থাকে কোন বিশ্রাম! মা হওয়াটা যে কতবড় চ্যালেঞ্জিং! এটা একটা মা ভালমতই উপলব্ধি করতে পারে, তাই তার কাছে এগুলো নিয়ে কোনধরনের বাড়াবাড়ি উত্তেজনা কাজ করে না! একটা মাকে তিলে তিলে, শুষে-নিঙড়ে শেষ করে দিয়েই একেকটা সন্তান বেড়ে উঠে, কারণ বাচ্চার দোষ সবসময় মায়ের দোষ আর গুণগুলো সবসময়েই বাপের! যাই হোক এই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যদি বাচ্চা সুসন্তান হয় তখনই মায়ের কষ্ট সার্থক হয় আর মা হয়ে উঠে রত্নগর্ভা! আর যদি কুসন্তান হয় তাহলে মায়ের মাতৃত্বটাই হয়ে যায় প্রশ্নবিদ্ধ! যাই হোক সকল মায়েদের কষ্টের ফসল যেন সার্থক হয় এই কামনায় সব মাকে জানাই-
"হ্যাপি মাদার্স ডে!"
লেখক- রেফায়া অনন্যা মালেক

অ্যারেঞ্জড ম্যারেজঅ্যারেঞ্জড ম্যারেজ কি সবসময়ই সাকসেসফুল হয়? আমরা মুরুব্বীদের কাছ থেকে শুনে এসেছি যে প্রেমের বিয়েতে আগেই...
29/04/2025

অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ

অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ কি সবসময়ই সাকসেসফুল হয়? আমরা মুরুব্বীদের কাছ থেকে শুনে এসেছি যে প্রেমের বিয়েতে আগেই ভালবাসা শেষ হয়ে যায় তাই বিয়ের পরে আর টিকে না কিন্তু অ্যারেঞ্জড ম্যারেজে বিয়ের পরেই ভালবাসার সূচনা হয় তাই সম্পর্ক টিকে বহুদিন। কিন্তু সবার ক্ষেত্রেই কি এটা খাঁটে? সবাই কি পারে হুট করে সম্পূর্ণ অচেনা এক পরিবারের সাথে অপরিচিত এক লোকের সাথে মানিয়ে নিতে? নাকি একে অপরের প্রতি ভালোভাসার টান অনুভব করে? হুট করেই কি জড়তা ভেঙে ফ্রী হওয়া সম্ভব! নাকি তার আগেই হাল ছেড়ে দিয়ে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল! নিজেদেরকে ঠিক মতো বুঝে উঠার আগেই যদি ঘরে নতুন অতিথির আগমন ঘটে তাহলে কি বিরক্তির ভাব আরো বাড়ে না কমে যায়! তখন কি দূরত্ব কমে যায় নাকি আরো বেড়ে যায়! আমার মতে শুধু শারীরিক ভাবে কাছাকাছি নয় মানসিক ভাবে কাছাকাছি থাকাটাও জরুরী সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে! মানসিক বোঝাপড়াটা ভীষণ দরকার। তুমি যদি তোমার পার্টনারের পেইন নাই বুঝতে পারলে সেও বুঝবে আশা রেখ না!
আমার ক্ষেত্রে কেন সম্পর্ক ভেঙে গেল যদি বিশ্লেষণ করি তবে দেখা যায় আমার এক্স হাজবেন্ডের আমার প্রতি ভালোবাসা ছিল না সে শুধুই তার মা কে ভালোবাসত কিন্তু আমি কখনও এই ব্যাপার নিয়ে প্রশ্ন তুলি নি, ছাড় দিয়েছি! না ওর তো চরিত্র ভালো অন্য নারীর সাথে তো মুখ মারছে না! কিন্তু আমাকে যে প্রায়োরিটিই দিচ্ছে না এটা সবসময়ই আমি ইগনোর করেছি এবং দূরত্ব বেড়ে গেছে। সে কোনদিনও আমাকে ফিলও করে নি বোঝার চেষ্টাও করেনি কারণ আমি ওকে মায়ের আঁচল থেকে বের করার চেষ্টা করিনি, ভালোমানুষি গিরি দেখিয়েছি। এর ফলাফল স্বরুপ ও ওর মা ঘেঁষাই রয়ে গেছে আমাকে কোনদিনও প্রয়োজনই মনে করে নি। আমি যে ওর নতুন একটা পরিবার হয়ে এসেছি, ওর আর আমার যে একটা আলাদা পরিবার তৈরি হয়ে গেছে কোনদিন বোঝার চেষ্টাও করেনি এবং অলওয়েস আমাকে পরের বাড়ির মেয়েই ভেবে গেছে! এবং আমাকে ঘাড়ের বোঝা ভেবে মনে করেছে আমার ভরণ-পোষণ দেয়ার দ্বায়িত্ব এখনো আমার বাবার! বাবার বাড়ি থেকে যেহেতু পেতামই তাই কখনো জোর খাটাইনি অধিকার আদায়ে! ফলে এটাই চলিত হয়ে গেছে এবং একেবারেই বাচ্চার ডেলিভারির সাথে সাথে বড় আপদ ভেবে ডিভোর্সের মাধ্যমে বিদেয় করেছে! এর মূল কারণ- কোনদিনও মন থেকে আমাকে আপন করেনি আমার এক্স স্বামী। নাহলে এত বড় বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে কখনোই পালিয়ে যেতে পারতো না কাপুরুষের মত!
লেখক: রেফায়া অনন্যা মালেক

এজলিন ও অনন্যার পক্ষ থেকে শুভ নববর্ষ- ১লা বৈশাখ ১৪৩২ এর শুভেচ্ছা!!🎊👩‍👧
14/04/2025

এজলিন ও অনন্যার পক্ষ থেকে শুভ নববর্ষ- ১লা বৈশাখ ১৪৩২ এর শুভেচ্ছা!!🎊👩‍👧

01/04/2025

সামাজিক অবক্ষয়
এই দুইটা লোক জাস্ট একটা এক্সাম্পল সামাজিক অবক্ষয়ের। রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না এদের জালায়! সারাক্ষণ ফুটপাতে বসে বসে ধোঁয়া ফুঁকে! আমি আজকে কলেজগেট অনুরাগের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় এই দুইটা লোককে বললাম যে আমি হেঁটে যেতে পারছি না আমার বাচ্চা নিয়ে আপনাদের সিগারেটের ধোঁয়ায় বাচ্চার প্রবলেম হচ্ছে আপনি কোন গলিতে যেয়ে খান। আর এরা সাথে সাথে আজেবাজে তর্ক জুড়ে দিল যে আমি এখানে বসে খাচ্ছি সবাই এদিক ওদিক ধোঁয়া ফুঁকছে কারো কোন সমস্যা নাই আপনি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন, রাস্তা দিয়া চলে যান নাহলে বাসায় বসে থাকেন। আমি বললাম যে, রাস্তা দিয়ে কি আমি গাড়ির নিচে চাঁপা পড়ার জন্য যাব! ফুটপাথ হচ্ছে হাঁটার রাস্তা কিন্তু আপনাদের অত্যাচারে ফুটপাথ দিয়ে যেতে পারছি না। আপনি এখানে বসে আপনার লাংসের ক্ষতি করছেন কোন সমস্যা নাই কিন্তু পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আমার এবং আমার কোমলমতি শিশুর লাংসের যে ক্ষতি হচ্ছে এতে আমার যথেষ্ট সমস্যা আছে! তখন এরা বলে যে ইউনিস সরকার এতে কোন নিষেধাজ্ঞা দেয় নাই তাই আমি এখানে ধোঁয়া ফুঁকতেই পারি এটা আমার অধিকার! আপনি পুরুষ হলে একটা থাপ্পড় দিতাম মহিলা বলে কিচ্ছু বললাম না আবার বলছে যে ভাইরাল হওয়ার জন্য এসব করছে আর রাস্তার সবাই উনাকে সাপোর্ট দিয়ে আমাকে থাপ্পড় মারতে আসছে। তো এর মধ্যে র‍্যাব আসলে আমি ঘটনাটা জানালাম, সে উনাকে বললো আপনি যান গা। আমি বললাম জরিমানা করেন? র‍্যাব বলে এটা ম্যাজিস্ট্রেটের কাজ! আমি বলি সেটাতো আপনার দেখার বিষয় আমার না! র‍্যাব বলল আমার অন্য অপারেশন আছে, স্যরি! অদ্ভুত! যখন আঈনের লোকই বলল স্যরি তখন এদের ভাইরাল করেই প্রতিবাদ করলাম আর কি করবো! কিছু একটা না করলে শান্তি পাবো না কলিজায়!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anannya's Photography posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Anannya's Photography:

Share