Sanjida Aktar

Sanjida Aktar Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sanjida Aktar, Photographer, Dhaka.

╮/╱🌼🌾
🌼প্রিয়⊰💏
╱/ ╰┛””●───༆🌷❤️
🥰❥༊━━❝তোমার ༅༎মন༅༎ খারাপের ༅༎ কারন ༅༎হতে༅༎ চাইনা༅༎!ღ᭄∘࿐🌻💚প্রিয় বন্ধুরা
আমি নতুন সবাই আমার পরিবারে ঘুরে আসুন 🌺
আমিও আপনার পরিবারে ঘুরে আসবো 🌼💞
❥༊━🌹🌹🌹

❤️❤️গরমের দুপুরে স্কুলের সেই ভালোবাসা❤️❤️জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রচণ্ড গরম। দুপুরের রোদে স্কুলের মাঠ যেন আগুনের মতো ঝলসে উঠছে। ক...
03/06/2026

❤️❤️গরমের দুপুরে স্কুলের সেই ভালোবাসা❤️❤️

জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রচণ্ড গরম। দুপুরের রোদে স্কুলের মাঠ যেন আগুনের মতো ঝলসে উঠছে। ক্লাস শেষ হওয়ার ঘণ্টা বাজতেই ছাত্রছাত্রীরা আনন্দে বাড়ির পথে বেরিয়ে পড়ল। চারদিকে গরম হাওয়া, কিন্তু মনটা ছিল অদ্ভুতভাবে আনন্দে ভরা।

ঋত্বিক আর মেঘলা একই স্কুলে পড়ত। দু’জনেই একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। বন্ধুত্বের শুরুটা অনেক আগেই হলেও, গত কয়েক মাসে তাদের সম্পর্কটা যেন একটু অন্যরকম হয়ে উঠেছিল।

সেদিন স্কুল ছুটির পর দু’জনে একসঙ্গে বাড়ি ফিরছিল। স্কুল ড্রেসে, কাঁধে ব্যাগ আর হাতে পানির বোতল। রাস্তার দু’পাশে আম আর কাঁঠাল গাছের সারি। গরমে সবাই দ্রুত বাড়ি ফিরছিল, কিন্তু তাদের যেন তাড়া ছিল না।

মেঘলা হাসতে হাসতে বলল,

“আজকের অঙ্ক পরীক্ষাটা কেমন হলো?”

ঋত্বিক মাথা নেড়ে বলল,

“অঙ্ক ঠিক ছিল, কিন্তু তোমাকে বারবার দেখছিলাম বলে কয়েকটা প্রশ্নে সময় নষ্ট হয়ে গেছে!”

মেঘলা হেসে ফেলল।

“তুমি না, একদম পাগল!”

কিছুদূর এগিয়ে তারা একটা বড় বটগাছের নিচে দাঁড়াল। গাছের ছায়ায় একটু স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছিল। কাছেই একজন কাকু ঠান্ডা লেবুর শরবত বিক্রি করছিলেন।

ঋত্বিক দু’গ্লাস শরবত কিনে একটা মেঘলার হাতে দিল।

“ধন্যবাদ,” মেঘলা বলল।

“ধন্যবাদ নয়, বন্ধুত্বের নিয়ম,” ঋত্বিক মুচকি হেসে উত্তর দিল।

গরম হাওয়ার মাঝেও তাদের কথাবার্তায় একটা মিষ্টি শীতলতা ছিল। স্কুলের গল্প, ভবিষ্যতের স্বপ্ন আর ছোট ছোট হাসির মুহূর্তে সময় কেটে যাচ্ছিল।

বাড়ির মোড় এসে গেলে মেঘলা থেমে গেল।
“আচ্ছা, কাল দেখা হবে।”

ঋত্বিক একটু চুপ করে থেকে বলল,

“হ্যাঁ... তবে কাল যেন তাড়াতাড়ি আসে।”

মেঘলা মৃদু হেসে চলে গেল। ঋত্বিক তাকিয়ে রইল, যতক্ষণ না সে চোখের আড়াল হয়ে যায়।

গরমের সেই সাধারণ স্কুল-ছুটির দুপুরটা তাদের কাছে অসাধারণ হয়ে রইল। কারণ সেই দিন দু’জনেই বুঝেছিল, বন্ধুত্বের আড়ালে একটা সুন্দর অনুভূতি ধীরে ধীরে জন্ম নিচ্ছে।

👉 Please like comment and Follow 🙏

🥰🥰গ্রীষ্মের দুপুরে ভালোবাসার ছায়া🥰🥰জ্যৈষ্ঠ মাসের এক গরম দুপুর। সূর্য যেন আগুন ঝরাচ্ছে, গ্রামের মাটির রাস্তা রোদের তাপে ...
02/06/2026

🥰🥰গ্রীষ্মের দুপুরে ভালোবাসার ছায়া🥰🥰

জ্যৈষ্ঠ মাসের এক গরম দুপুর। সূর্য যেন আগুন ঝরাচ্ছে, গ্রামের মাটির রাস্তা রোদের তাপে ঝিকমিক করছে। চারদিকে নিস্তব্ধতা, শুধু দূরে কোথাও কোকিলের ডাক আর আমবাগানের পাতার মৃদু মর্মর শব্দ শোনা যাচ্ছে।

অর্ণব গ্রামের বড় আমগাছটার নিচে বসে ছিল। গাছের ঘন ছায়া তাকে রোদের তীব্রতা থেকে একটু স্বস্তি দিচ্ছিল। তার হাতে ছিল এক গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবত। কিন্তু তার অপেক্ষা ছিল অন্য কারও জন্য।

কিছুক্ষণ পর মেঘলা ধীরে ধীরে এসে পৌঁছাল। হালকা সুতির নীল শাড়ি পরে, কপালে ছোট্ট টিপ আর মুখে মিষ্টি হাসি। গরমের মধ্যেও তাকে যেন অপূর্ব সুন্দর লাগছিল।

অর্ণব মুচকি হেসে বলল,

“এই রোদে বের হলে কেন?”

মেঘলা হাসতে হাসতে উত্তর দিল,

“তোমার সঙ্গে দেখা করার জন্য এই রোদটুকু কিছুই না।”

দু’জনে আমগাছের ছায়ায় পাশাপাশি বসে পড়ল। মেঘলা তার সঙ্গে করে আনা কাঁচা আমের শরবত বের করল।

“এটা তোমার জন্য,” সে বলল।

অর্ণব এক চুমুক খেয়ে বলল,

“শরবতটা খুব ভালো, কিন্তু তোমার সঙ্গে কাটানো সময়টার মতো মিষ্টি নয়।”

মেঘলা লজ্জা পেয়ে হেসে ফেলল।

দূরে আমবাগানে কয়েকটা পাকা আম মাটিতে পড়ল। বাতাসে আমের মিষ্টি গন্ধ ভেসে আসছিল। গরম দুপুরটাও যেন একটু একটু করে সহনীয় হয়ে উঠছিল।

দু’জনে হাঁটতে হাঁটতে বাগানের ভেতরে চলে গেল। পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো মাটিতে নকশা এঁকে দিচ্ছিল।

মেঘলা ধীরে করে বলল,

“জানো, সবাই বলে গ্রীষ্মের দুপুর খুব কষ্টের।”

অর্ণব তার দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল,

“হয়তো... কিন্তু তোমাকে পাশে পেলে সবচেয়ে গরম দিনটাও আমার কাছে সুন্দর হয়ে যায়।”

মেঘলার চোখে একরাশ সুখের ঝিলিক ফুটে উঠল। গরম রোদের মাঝেও তাদের ভালোবাসা যেন শীতল বাতাসের মতো মনকে ছুঁয়ে গেল।

সেদিনের সেই গ্রীষ্মের দুপুর, আমের ঘ্রাণ, ঠান্ডা শরবত আর দু’জনের মিষ্টি কথোপকথন তাদের জীবনের এক অমূল্য স্মৃতি হয়ে রইল।

👉Please like comment and Follow 🙏

❤️❤️নীল আকাশের নিচে ভালোবাসা❤️❤️গ্রামের বিকেলটা সেদিন অদ্ভুত সুন্দর ছিল। আকাশ জুড়ে নীলের মাঝে ভেসে বেড়াচ্ছিল সাদা মেঘ,...
20/05/2026

❤️❤️নীল আকাশের নিচে ভালোবাসা❤️❤️

গ্রামের বিকেলটা সেদিন অদ্ভুত সুন্দর ছিল। আকাশ জুড়ে নীলের মাঝে ভেসে বেড়াচ্ছিল সাদা মেঘ, আর মাঠের ধানগাছগুলো হালকা বাতাসে দুলছিল। দূরে নদীর জলে পড়া সূর্যের আলো চিকচিক করছিল যেন ছোট ছোট সোনার টুকরো।

ঈশান পুকুরপাড়ের পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে বসে ছিল।

হাতে একটা ডায়েরি, কিন্তু তার চোখ বারবার রাস্তার দিকেই চলে যাচ্ছিল। কারণ আজ নন্দিনী আসবে বলেছিল।

কিছুক্ষণ পর নন্দিনী ধীরে ধীরে হাঁটতে হাঁটতে এল। হালকা নীল শাড়িতে তাকে যেন বিকেলের আকাশের মতোই শান্ত আর সুন্দর লাগছিল। তার চুলে গোঁজা ছিল সাদা জুঁই ফুল।

ঈশান মুচকি হেসে বলল,
“আজ তোমাকে খুব অন্যরকম লাগছে।”

নন্দিনী হেসে জিজ্ঞেস করল,
“কেমন?”

“যেন এই বিকেলের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য,” ঈশান আস্তে করে বলল।

নন্দিনী লজ্জা পেয়ে চোখ নামিয়ে ফেলল। দু’জনে পাশাপাশি হাঁটতে লাগল নদীর ধারের সরু পথ ধরে। বাতাসে কাশফুল দুলছিল, আর কোথাও দূরে বাঁশির সুর ভেসে আসছিল।

হাঁটতে হাঁটতে নন্দিনী হঠাৎ থেমে নদীর দিকে তাকাল।

“জানো, ছোটবেলা থেকে আমার একটা স্বপ্ন ছিল,” সে বলল।
“কী স্বপ্ন?” ঈশান জানতে চাইল।

নন্দিনী মৃদু হেসে বলল,
“এমন একটা বিকেল… যেখানে শুধু শান্ত নদী, হালকা বাতাস আর পাশে প্রিয় মানুষ থাকবে।”

ঈশান কয়েক মুহূর্ত চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে করে বলল,
“তাহলে আজ তোমার সেই স্বপ্নটা পূরণ হলো।”

বিকেলের শেষ আলো ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছিল। কিন্তু তাদের দু’জনের হাসি আর নীরব ভালোবাসা সেই মুহূর্তটাকে চিরদিনের জন্য সুন্দর করে রেখে দিল।

👉 Please like comment and Follow 🙏

❤️ট্রেনের জানালায় তোমার হাসি❤️বর্ষার শেষ বিকেল। আকাশে হালকা মেঘ, আর ছোট্ট স্টেশনের চারদিকে ভিজে মাটির গন্ধ ছড়িয়ে আছে।...
18/05/2026

❤️ট্রেনের জানালায় তোমার হাসি❤️

বর্ষার শেষ বিকেল। আকাশে হালকা মেঘ, আর ছোট্ট স্টেশনের চারদিকে ভিজে মাটির গন্ধ ছড়িয়ে আছে।

প্ল্যাটফর্মে চায়ের দোকান থেকে ধোঁয়া উঠছে, দূরে ট্রেনের হুইসেলের শব্দ শোনা যাচ্ছে।

অর্ক ব্যাগ কাঁধে নিয়ে জানালার পাশের সিটে বসেছিল। ট্রেনটা ধীরে ধীরে স্টেশন ছাড়তেই বাইরে সবুজ মাঠ, নদী আর তালগাছগুলো পিছিয়ে যেতে লাগল।

কিছুক্ষণ পর পাশের সিটে এসে বসল মেঘলা। সাদা-নীল কুর্তি, হাতে একটা গল্পের বই, আর চুলে হালকা বৃষ্টির গন্ধ। সে জানালার বাইরে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,
“ট্রেনে ভ্রমণ করতে আমার খুব ভালো লাগে।”

অর্ক একটু হেসে উত্তর দিল,
“আমারও… বিশেষ করে এমন বিকেলে।”

ট্রেনের জানালা দিয়ে ঠান্ডা বাতাস ভেতরে আসছিল। দূরের গ্রামের ছোট ছোট বাড়িগুলো দেখতে দেখতে দু’জনের কথা বাড়তে লাগল। কখন যে অচেনা আলাপ একটা মিষ্টি অনুভূতিতে বদলে গেল, তারা নিজেরাও বুঝতে পারল না।

চা-ওয়ালা এসে বলল,
“চা, গরম চা!”

অর্ক দু’কাপ চা নিয়ে একটা মেঘলার দিকে বাড়িয়ে দিল।

কাগজের কাপ থেকে ধোঁয়া উঠছিল, আর ট্রেনের ঝাঁকুনির সঙ্গে তাদের হাসিগুলোও যেন আরও কাছাকাছি চলে আসছিল।

হঠাৎ বাইরে বৃষ্টি শুরু হলো। জানালার কাঁচে ছোট ছোট ফোঁটা জমে পুরো দৃশ্যটা স্বপ্নের মতো লাগছিল।

মেঘলা আস্তে করে বলল,
“জানো, কিছু কিছু যাত্রা খুব ছোট হয়… তবুও মনে থেকে যায়।”

অর্ক তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,
“হয়তো কারণ সেই যাত্রায় বিশেষ কেউ পাশে থাকে।”

মেঘলা চুপ করে জানালার বাইরে তাকাল, কিন্তু তার ঠোঁটের কোণে লাজুক হাসি স্পষ্ট ছিল।

ট্রেনটা সামনে এগিয়ে চলছিল, আর সেই ছোট্ট সফরে দু’টি হৃদয়ের দূরত্ব ধীরে ধীরে কমে আসছিল। বাইরে বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যা, আর ভেতরে জন্ম নিচ্ছিল এক নীরব প্রেমের গল্প।

👉 Please like comment and Follow 🙏

❤️রোদঝলমলে দুপুরের ভালোবাসা❤️গ্রামের সেই অলস দুপুরে চারদিকে এক অদ্ভুত শান্তি ছড়িয়ে ছিল। আকাশটা পরিষ্কার নীল, মাঠের ধান...
17/05/2026

❤️রোদঝলমলে দুপুরের ভালোবাসা❤️

গ্রামের সেই অলস দুপুরে চারদিকে এক অদ্ভুত শান্তি ছড়িয়ে ছিল। আকাশটা পরিষ্কার নীল, মাঠের ধান গাছগুলো হালকা বাতাসে দুলছিল। দূরে কোথাও কোকিলের ডাক ভেসে আসছিল, আর আমগাছের ছায়ায় বসে ছিল অর্ণব।

তার হাতে একটা পুরোনো বই, কিন্তু মনটা ছিল অন্য কোথাও। কারণ আজ মেঘলা তাকে দুপুরে পুকুরপাড়ে দেখা করতে বলেছিল।

কিছুক্ষণ পর মেঘলা ধীরে ধীরে হাঁটতে হাঁটতে এসে পৌঁছাল। হলুদ রঙের সালোয়ার পরে তাকে দুপুরের রোদে যেন আরও সুন্দর লাগছিল। তার চুলের পাশে ছোট্ট জুঁই ফুল গোঁজা ছিল।

অর্ণব মুচকি হেসে বলল,
“তোমাকে আজ রোদের থেকেও বেশি সুন্দর লাগছে।”

মেঘলা লজ্জা পেয়ে নিচের দিকে তাকাল।

“তুমি না… সবসময় এমন কথা বলো কেন?”

দু’জনে পাশাপাশি পুকুরের ধারে বসে পড়ল। পানির উপর দুপুরের রোদ চিকচিক করছিল। কাছের তালগাছ থেকে হালকা বাতাস এসে দু’জনের মুখ ছুঁয়ে যাচ্ছিল।

মেঘলা নিজের হাত দিয়ে পানিতে ছোট ছোট ঢেউ তুলতে তুলতে বলল,
“জানো, এই শান্ত দুপুরগুলো আমার খুব প্রিয়।”

অর্ণব আস্তে করে উত্তর দিল,
“আমারও… কারণ এই সময়টাতেই তোমাকে সবচেয়ে কাছে পাই।”

দূরে গ্রামের রাস্তা দিয়ে গরুর গাড়ি চলে যাচ্ছিল। কোথাও কেউ বাঁশি বাজাচ্ছিল। সেই সাধারণ দুপুরটা ধীরে ধীরে তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতিতে পরিণত হচ্ছিল।

হঠাৎ একটা আম গাছ থেকে পাকা আম পড়ে গেল। মেঘলা হেসে উঠল। তার সেই হাসি শুনে অর্ণব কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে রইল।

“এভাবে কী দেখছ?” মেঘলা জিজ্ঞেস করল।

অর্ণব মৃদু হেসে বলল,
“ভাবছি, যদি প্রতিটা দুপুর এভাবেই তোমার সঙ্গে কাটাতে পারতাম।”

দুপুরের নরম রোদ, গ্রামের শান্ত বাতাস আর দু’জনের নিঃশব্দ ভালোবাসা—সব মিলিয়ে সেই মুহূর্তটা যেন এক স্বপ্নের মতো সুন্দর হয়ে উঠেছিল।

👉 Please like comment and Follow 🙏

13/05/2026

তোমরা আমার জামাই কে দেখবে জামাই

☀️🌾💖 “রোদের মাঝে ভালোবাসা” 💖🌾☀️দুপুরের রোদটা আজ একটু বেশি উজ্জ্বল। গ্রামের কাঁচা রাস্তার পাশে আমগাছের ছায়া পড়ে আছে, আর...
13/05/2026

☀️🌾💖 “রোদের মাঝে ভালোবাসা” 💖🌾☀️

দুপুরের রোদটা আজ একটু বেশি উজ্জ্বল। গ্রামের কাঁচা রাস্তার পাশে আমগাছের ছায়া পড়ে আছে, আর দূরে ধানক্ষেতের ওপর দিয়ে হালকা বাতাস বয়ে যাচ্ছে।

মাটির বাড়ির উঠোনে বসে ছিল নীলা। হাতে তালপাতার পাখা, আর পাশে রাখা ঠান্ডা তেঁতুলের শরবত।

ঠিক তখনই মাঠ থেকে ফিরে এলো অয়ন। মুখে ক্লান্তি থাকলেও চোখে ছিল মিষ্টি হাসি।

নীলা মুচকি হেসে বলল,
“এই রোদে এত কাজ করো কীভাবে?”

অয়ন তার পাশে বসে বলল,
“তুমি অপেক্ষা করছো ভাবলেই সব ক্লান্তি চলে যায়…”

নীলা একটু লজ্জা পেয়ে শরবতের গ্লাসটা তার হাতে দিল।

অয়ন এক চুমুক খেয়ে বলল,
“তোমার হাতে বানানো হলে, শরবতও যেন আরও মিষ্টি লাগে।”

হালকা বাতাসে নীলার চুল উড়ে এসে অয়নের মুখে লাগল।

সে আলতো করে চুলগুলো সরিয়ে দিল।

দুজনেই চুপচাপ উঠোনে বসে রইল। দূরে পাখির ডাক, গরুর ঘণ্টার শব্দ আর দুপুরের সেই শান্ত পরিবেশ যেন তাদের আরও কাছাকাছি এনে দিল।

অয়ন ধীরে বলল,
“জানো, গ্রামের দুপুরগুলো আমার এত ভালো লাগে কেন?”

নীলা হেসে জিজ্ঞেস করল,
“কেন?”

অয়ন তার হাতটা ধরে বলল,
“কারণ এই শান্ত দুপুরে তোমাকে সবচেয়ে বেশি নিজের মনে হয়…”

নীলা চুপচাপ তার কাঁধে মাথা রাখল।

🌸 ভালোবাসা মানে শুধু বড় বড় মুহূর্ত নয়… গ্রামের শান্ত দুপুরে একসাথে কাটানো ছোট্ট সময়গুলোই সবচেয়ে সুন্দর…

👉 Please like comment and Follow 🙏

🌾💖 “হারিকেনের আলোয় ছোট্ট ভালোবাসা” 💖🌾গ্রামের সন্ধ্যা ধীরে ধীরে নেমে এসেছে। আকাশে লালচে আলো মিলিয়ে যাচ্ছে, দূরে মসজিদের...
12/05/2026

🌾💖 “হারিকেনের আলোয় ছোট্ট ভালোবাসা” 💖🌾

গ্রামের সন্ধ্যা ধীরে ধীরে নেমে এসেছে। আকাশে লালচে আলো মিলিয়ে যাচ্ছে, দূরে মসজিদের আজান আর গরু নিয়ে মানুষ বাড়ি ফিরছে।

ছোট্ট গ্রামের কাঁচা উঠোনে হারিকেন জ্বালিয়ে পড়তে বসেছে রাহুল আর মিষ্টি।

দুজনের সামনে খাতা আর বই খোলা, কিন্তু পড়ার থেকে গল্পই যেন বেশি চলছে।

হারিকেনের নরম আলোয় মিষ্টির মুখটা আরও সুন্দর লাগছিল।

রাহুল চুপচাপ তাকিয়ে ছিল তার দিকে।

মিষ্টি হেসে বলল,
“এইভাবে কী দেখছো?”

রাহুল একটু লজ্জা পেয়ে বলল,
“কিছু না… ভাবছিলাম, তুমি হাসলে সন্ধ্যাটা আরও সুন্দর লাগে।”

মিষ্টি হেসে খাতার ওপর আলতো করে একটা ধাক্কা দিল।
“পড়াশোনা করো আগে!”

হালকা বাতাসে হারিকেনের আলো একটু দুলে উঠল। দূরে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ, আর চারপাশে গ্রামের শান্ত পরিবেশ।

কিছুক্ষণ পর মিষ্টি ধীরে বলল,
“জানো, বড় হয়ে যদি সবাই আলাদা হয়ে যাই?”

রাহুল মুচকি হেসে উত্তর দিল,
“তাহলেও এই সন্ধ্যাগুলো কোনোদিন ভুলব না…”

মিষ্টি চুপচাপ তার দিকে তাকিয়ে রইল।

সেই ছোট্ট সন্ধ্যা, হারিকেনের আলো আর দুটো কিশোর মনের না বলা অনুভূতি—সব মিলিয়ে মুহূর্তটা হয়ে উঠল আজীবনের স্মৃতি।

🌸 শৈশবের ভালোবাসা খুব সরল হয়… যেখানে একসাথে কাটানো একটা সন্ধ্যাই সারাজীবনের গল্প হয়ে যায়…

👉 Please Like Comment and Follow 🙏

🌙🌿💖 “গরম রাতের ঠান্ডা হাওয়া” 💖🌿🌙জ্যৈষ্ঠ মাসের গরম রাত। সারাদিনের তাপের পর রাতের হালকা বাতাসটা যেন একটু স্বস্তি এনে দিয়...
10/05/2026

🌙🌿💖 “গরম রাতের ঠান্ডা হাওয়া” 💖🌿🌙

জ্যৈষ্ঠ মাসের গরম রাত। সারাদিনের তাপের পর রাতের হালকা বাতাসটা যেন একটু স্বস্তি এনে দিয়েছে।

গ্রামের মাটির বাড়ির ছাদে মাদুর পেতে বসেছিল রিয়া।

আকাশভরা তারা, দূরে কোথাও রাতের ট্রেনের হুইসেল, আর চারপাশে নিস্তব্ধতা।

হাতে একটা হাতপাখা নিয়ে সে চুপচাপ আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল।

ঠিক তখনই অভ্র ছাদে উঠে এলো। হাতে দু’গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবত।

“একা একা গরম সামলাচ্ছো?” — অভ্র হেসে বলল।
রিয়া মুচকি হেসে শরবতের গ্লাসটা নিল।

“তুমি এলে, গরমটাও একটু কম লাগে…”

অভ্র তার পাশে এসে বসল।
হালকা বাতাসে রিয়ার চুল উড়ে এসে অভ্রর মুখে লাগছিল।

সে আলতো করে চুলগুলো সরিয়ে দিল।

দূরে জোনাকিরা জ্বলছে, আর নারকেল গাছের পাতাগুলো বাতাসে দুলছে।

অভ্র ধীরে বলল,
“জানো, এই গরমের রাতগুলো আমার খুব প্রিয়…”

রিয়া হেসে জিজ্ঞেস করল,
“কেন?”

অভ্র তার হাতটা ধরে বলল,
“কারণ এই শান্ত রাতগুলোতে তোমাকে সবচেয়ে বেশি কাছের মনে হয়…”

রিয়া ধীরে তার কাঁধে মাথা রাখল।

গরম রাতের সেই নরম বাতাস, তারা ভরা আকাশ আর দুজনের নিঃশব্দ ভালোবাসা—সব মিলিয়ে মুহূর্তটা হয়ে উঠল স্বপ্নের মতো সুন্দর।

🌸 ভালোবাসা থাকলে, গরম রাতও ঠান্ডা হাওয়ার মতো শান্ত হয়ে যায়…

👉 Please Like Comment and Follow 🙏

“প্রেম আর পেটুকি”আমি ওকে ইমপ্রেস করার জন্যরেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলাম… 😎ভাবলাম—আজ একটু স্টাইল দেখাতে হবে!ও মেনু দেখে বললো—"আ...
10/05/2026

“প্রেম আর পেটুকি”

আমি ওকে ইমপ্রেস করার জন্য
রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলাম… 😎

ভাবলাম—
আজ একটু স্টাইল দেখাতে হবে!

ও মেনু দেখে বললো—
"আমি কিন্তু কম খাই…"

আমি হেসে বললাম—
"অর্ডার করো, যা খুশি!" 😌

৫ মিনিট পর—
টেবিলে একের পর এক আসছে—
চিকেন, পাস্তা, মোমো, ডেজার্ট! 😳😂

আমি চুপচাপ বসে ভাবছি—
"বিলটা কত আসবে!" 😭

ও খুব আনন্দ করে খাচ্ছে,
হঠাৎ বললো—
"তুমি কিছু খাচ্ছো না কেন?"

আমি হেসে বললাম—
"তোমাকে দেখেই পেট ভরে গেছে…" ❤️🤣

শেষে কী হলো?

পেট ভরলো ওর,
আর বিল দেখে হার্ট অ্যাটাক আমার! 😂

👉গল্প ভালো লাগলো follow করে পাশে থাকবেন 🙏

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sanjida Aktar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category