02/03/2024
★সকলের প্রতি সালাম,
🔲কথা হবে সুরা: হিজর আয়াত:৯৯ নিয়ে -
🔳তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَاْتِيَكَ الْيَـقِيْنُ
সূরা নম্বর: ১৫ আয়াত নম্বর: ৯৯
★এই আয়াতটিতে الْيَـقِيْنُ(ইয়াকীন) শব্দের বাংলা অর্থ করা হয়েছে মৃত্যু। কিন্তু ইয়াকীন শব্দের অর্থ মোটেও মৃত্যু নয়, কুরআনে الْيَـقِيْنُ(ইয়াকীন) শব্দটি কুরআনের ২০ জায়গায় এসেছে যেমন -সুরাঃ ২৭:৩,৮২/৩০:৬০/৩১:৪/৩২:২৪/৪৫:৪/৪৫:২০/৫২:৩৬/২:৪/২:১১৮/৫:৫০/১৩:২/৪:১৫৭/১৫:৯৯/২৭:২২/৫৬:৯৫/৬৯:৫১/৭৪:৪৭/১০২:৫,৭/
কিন্তু কোথাও মৃত্যু অনুবাদ করা হয়নি ★الْيَـقِيْنُ(ইয়াকীন) শব্দের অর্থ হলো দৃঢ় বিশ্বাস /নিঃসন্দেহ/ নিশ্চিত /সুনিশ্চিত /প্রত্যয় /ইত্যাদি
তাহলে সঠিক অনুবাদ দেখা যাক-
🔳
Bangla - Muhiuddin Khan
এবং পালনকর্তার এবাদত করুন, যে পর্যন্ত আপনার কাছে নিশ্চিত কথা না আসে।
Bangla - M***i Taqi Usmani
এবং নিজ প্রতিপালকের ইবাদত করতে থাক যাবত না যার আগমন সুনিশ্চিত তোমার কাছে তা এসে যায়।
وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰى يَاْتِيَكَ الْيَـقِيْنُ
সূরা নম্বর: ১৫ আয়াত নম্বর: ৯৯
🔳এই আয়াতের সঠিক অনুবাদ আমি মনে করি মমহিউদ্দিন খান ও তাকি উসমানের অনুবাদ ।
যাই-হোক এখন প্রশ্ন যেটা আসবে রসুল সাঃ এর কাছে সুনিশ্চিত কথা আসলে তাকে কি আর ইবাদত করতে হবে না ❓ কুরআনের কোথাও এমন কথা বলা নেই যে সুনিশ্চিত বার্তা পাওয়ার পর আল্লাহর ইবাদত করতে হবে না । তাহলে এমন প্রশ্ন করা অবান্তর ।
যুক্তির খাতিরে মেনে নেই প্রশ্নটা,। রসুল সাঃ কে আল্লাহ প্রেরন করেছেন এই উদ্দেশ্যেই যে তার কাজ হলো প্রচার করা এবং আল্লাহর নির্ধারিত সময়ে তিনি তার রসুলদের মৃত্যু ঘটান । এখানে ইবাদত করার আল্লাহ এই জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তিনি যেন তার মনে কোনো সংশয় না রাখেন তিনি যেন নির্দ্বিধায় আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকেন ।
কেননা আমরা যদি পূর্বের আয়াত দুটো দেখি তাহলে বিষয়টি ক্লিয়ার -
🔳আমি তো জানি, উহারা যাহা বলে তাহাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়;
وَلَـقَدْ نَـعْلَمُ اَنَّكَ يَضِيْقُ صَدْرُكَ بِمَا يَقُوْلُوْنَۙ
সূরা নম্বর: ১৫ আয়াত নম্বর: ৯৭
🔳সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও;
فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِّنَ السّٰجِدِيْنَۙ
সূরা নম্বর: ১৫ আয়াত নম্বর: ৯৮
🔳এবং পালনকর্তার এবাদত করুন,