17/10/2023
বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন অবস্থাতেই বিদেশী গণমাধ্যমের কবলে পড়ে আমাদের বিভ্রান্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই। পিএলও এবং হামাসের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে তা ঠিক। তাদের মধ্যে অনেক দূরত্ব আছে তাও ঠিক। তবে ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর পিএলও'র কোন এম্বাসেডর বা প্রতিনিধি হামাসের প্রতি নিন্দা না জানানোর কারণে পশ্চিমারা চিন্তিত হয়ে পড়েছে।
আজকে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সাথে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের আলাপচারিতার প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে যে, ফিলি*স্তিনের প্রতি ইসরায়ে*লী আগ্রাসন এখনই থামাতে হবে এবং গাজায় জরুরী মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য মেডিকেল সামগ্রী, পানি, বিদ্যুৎ ও খাবার পৌঁছানোর জন্য পুরো পৃথিবীর মানুষের কাছে আহবান জানিয়েছেন। এরই সাথে গাজার নাগরিকদের সড়ে যাওয়ার জন্য ইসরায়েলের দাবীকে প্রত্যাখ্যান করেছেন ফিলি*স্তিনের প্রেসিডেন্ট।
আমরা বাংলাদেশী হিসেবে হামাস ও পিএলও'র মধ্যে কি রাজনৈতিক পার্থক্য রয়েছে, তা আমাদের দেখার বিষয় নয়। সবাইকে বুঝতে হবে, হামাস প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ঠিক তবে গাজার স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, মিউনিসিপ্যালিটির বেতন ও নাগরিক সেবার যাবতীয় দায়িত্ব পিএলও বা পিএনএ (প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল অথরিটি)'র কাছেই। যেসব সরকারের সাথে হামাসের ভালো সম্পর্ক রয়েছে, সেসব সরকারও পিএনএ কে সহযোগিতা করে। সর্বসাধারণের মাঝে পিএনএ'র মাধ্যমেই এসব সহযোগিতা বিতরণ করা হয়।
বাংলাদেশী হিসেবে আমাদের উচিৎ নিয়ত ঠিক রাখা৷ অর্থাৎ, যে কোন অবস্থায় আমরা ফিলি*স্তিনের ভাই-বোনদের পাশে থাকবো। আপাতত যে মাধ্যমে পারছি সেই মাধ্যমেই সহযোগিতা করবো। পরবর্তীতে এর চেয়ে ভালো কোন মাধ্যম পেলে তবে সেভাবে থাকবো।
আমাদের কয়েকজন ভাইয়েরা বলেছেন যে, কাতার দূতাবাসের মাধ্যমে সরাসরি গাজায় সহযোগিতা করতে। তবে আমার জানা মতে বাংলাদেশে অবস্থিত কাতার দূতাবাস তা কখনোই গ্রহণ করবে না। কারণ এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। এমনকি মিশর দূতাবাসের মাধ্যমে সহযোগিতা করা হলেও তারা তা গ্রহণ করবে না। এরপরেও আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। আমরা যতটুকু পারি বাংলাদেশী হিসেবে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আমাদের নিয়ত সম্পর্কে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনই জানেন৷
#সংগৃহীত