KAKABABU - “কাকাবাবু”

KAKABABU - “কাকাবাবু” KAKABABU - "কাকাবাবু"

20/03/2026

ঈদ মুবারক!
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম 🌙

14/03/2026
25/02/2026

বেশি বেশি যিকির করি

25/02/2026

শুভ সকাল

24/02/2026

শুভ রাত্রি

দুনিয়াজুড়ে "বয়কট" শব্দটির ব্যবহার হরহামেশাই লক্ষ করা যায়। কিন্তু জনপ্রিয় এই শব্দ এল কী করে?সর্বজন পরিচিত শব্দটি অভিধানভু...
19/04/2024

দুনিয়াজুড়ে "বয়কট" শব্দটির ব্যবহার হরহামেশাই লক্ষ করা যায়। কিন্তু জনপ্রিয় এই শব্দ এল কী করে?

সর্বজন পরিচিত শব্দটি অভিধানভুক্ত হওয়ার পেছনে রয়েছেন এক ইংরেজ ভদ্রলোক, যাঁর নাম চার্লস কানিংহাম বয়কট।

তাঁর কীর্তিকলাপের জন্য তাঁকে একঘরে করছিলেন আয়ারল্যান্ডের বর্গাচাষিসহ স্থানীয় লোকজন। বয়কটের এই একঘরে হওয়ার ঘটনা তখন প্রচারমাধ্যমেও আসে, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও।

১৮৮০ সালের কথা সেটা। চার্লস কানিংহাম বয়কট ছিলেন খাজনা আদায়ের দায়িত্বে। সে বছর ফসলের ফলন কম হওয়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। সে আশঙ্কা আমলে নিয়ে ১০ শতাংশ খাজনা মওকুফের ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু চাষিরা দাবি তোলেন ২৫ শতাংশ মওকুফের। চাষিদের দাবি অগ্রাহ্য করেন লর্ড আর্নে।

এদিকে বয়কট আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে এক কাণ্ড ঘটান। তিনি ১১ জন বর্গাচাষিকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। সরব হয়ে ওঠে স্থানীয় লোকজন। সরব হওয়ার পেছনে অবশ্য কারণও আছে।

সে সময়টায় আয়ারল্যান্ডের ভূমি সংস্কারের পক্ষে লড়ে যাচ্ছিলেন আইরিশ রাজনীতিবিদ চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল (১৮৪৬-১৮৯১)। তিনিই কোনো এক ভাষণে বলেছিলেন, কোনো জমি থেকে বর্গাচাষিকে উচ্ছেদ করা হলে, সে জমি যেন অন্য চাষিরা বর্গা না নেন। মালিকপক্ষ উচ্ছেদের হুমকি দিলে অহিংসভাবে তাঁকে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

বয়কটের বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজন সেই কৌশল বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর গৃহকর্মী থেকে দিনমজুরেরা কাজ বর্জন করেন। ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে থাকেন। এক সময় দেখা যায়, স্থানীয় ডাকঘরের পিয়নও চিঠি সরবরাহ বন্ধ করেছেন।

বয়কট চেষ্টা করেন অন্য এলাকা থেকে লোক এনে চাষবাসের কাজ করানোর। সে উদ্যোগও সফল হয়নি তাঁর। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকেন বয়কট। হালের ‘ভাইরাল’ হওয়ার মতো এই ঘটনা তখন ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়, ফলাও করে প্রচার করা হয় গণমাধ্যমে। বর্জন ও একঘরের সমার্থক হয়ে ওঠেন ‘বয়কট’, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও। কিন্তু কে এই চার্লস কানিংহাম বয়কট?

বয়কট এক বিচিত্র চরিত্রের মানুষ। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডের নরফোকের এক গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের ব্ল্যাকহিথ এলাকার একটি বোর্ডিং স্কুলে। স্কুলজীবন থেকেই বয়কটের ফৌজি জীবনের প্রতি ছিল দুর্নিবার আকর্ষণ। সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সেই আকর্ষণের টানে ১৮৪৮ সালে দক্ষিণ লন্ডনের উলউইচে অবস্থিত রয়্যাল মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হন। বছরখানেক পর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে মিলিটারি একাডেমি ছাড়তেও হয় তাঁকে। কিন্তু হাল ছাড়েন না বয়কট।

পরিবারের সহায়তায় ১৮৪৯ সালে ৪৫০ পাউন্ডে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন পদ পেয়ে (ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে পদ কেনার সুযোগ ছিল) যান তিনি। পদাতিক বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। যোগ দেন ৩৯তম ফুট রেজিমেন্টে। কিছুদিনের মধ্যে রেজিমেন্টের সঙ্গে বদলি হয়ে বয়কট চলে আসেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে। শুরু হয় আয়ারল্যান্ডের জীবন।

১৮৫১ সালের আগস্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন বয়কট। প্রায় ছয় মাস রোগে ভোগার পর বয়কট তাঁর সেনাবাহিনীর পদ বিক্রি করে দেন। সে বছরই বিয়ে করেন মেরি অ্যান দুনেকে। টিপেরারি কাউন্টিতে খামার ইজারা নিয়ে আয়ারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। আয়ারল্যান্ডের উত্তরাধিকার সনদ পাওয়ার হওয়ার পর দেশটির পশ্চিম উপকূলীয় মায়ো কাউন্টির একটি দ্বীপে চলে যান বয়কট।

মায়ো কাউন্টিতে তাঁর জীবনের ইতিহাস তো ‘বয়কট’ শব্দেই মিশে আছে!

সূত্র: হিস্ট্রি আয়ারল্যান্ড, দ্য ফ্যাক্ট সাইট ডটকম, উইকিপিডিয়া, প্রথম আলো

ছবিতে যেটি দেখছেন সেটি হচ্ছে টাকা! এখনো ব্যবহার হয় এটির.... আমাদের পৃথিবীতে মুদ্রার ইতিহাস খুবই বিচিত্র। মুদ্রার ইতিহাস...
28/02/2024

ছবিতে যেটি দেখছেন সেটি হচ্ছে টাকা! এখনো ব্যবহার হয় এটির....

আমাদের পৃথিবীতে মুদ্রার ইতিহাস খুবই বিচিত্র। মুদ্রার ইতিহাসে তিনটি ধাপ পেরিয়ে আজকে আমরা কাগজের মুদ্রা ব্যবহার করছি। খুব প্রাচীনকালে বা ইতিহাসের প্রথম দিকের কথা যদি বলি তখন মানুষ বিনিময় প্রথার মাধ্যমে নিজের চাহিদা পূরণ করতো। তবে এতেও মানুষের চাহিদা সম্পন্নরূপে পূরণ না হওয়ায় মুদ্রার আবির্ভাব হয়।

তখনকার সময়ে মুদ্রা বা টাকা ছিল বিভিন্ন ধরনের পাথর, শামুকের খোলস ইত্যাদি ইত্যাদি। ছবিতে যেটি দেখছেন এটিও একটি মুদ্রা বা টাকা।

সব থেকে অবাক করার বিষয় হচ্ছে এই মুদ্রাটি এখনো ব্যবহার হয়। সভ্যতার শুরুর দিকে বা প্রাচীনকালে এই ধরনের মুদ্রার প্রচলন ছিল। তবে এখনো এই ধরনের মুদ্রার ব্যবহার সত্যিই অবিশ্বাস্য।

ছবির মুদ্রাটি দেখুন, এই মুদ্রাটিই আস্ত একটি মানুষ থেকে বড়। প্রশান্ত মহাসাগরে একটি দ্বীপে ব্যবহার হয় এই ধরনের মুদ্রা। সাগরের মাঝখানে একটি আদিবাসী গোষ্ঠী বলতে পারেন তাদের যারা আজও সেই ইতিহাসের প্রথম দিকে রয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটির নাম Yap ! এই পাথরটি বা টাকাটির ওজন একটি মোটরসাইকেলের থেকেও বেশি। সেখানকার লোকেরা এই পাথরটিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নাড়াতে পারে না। যেহেতু এটি একটি মুদ্রা তাই সেখানকার মানুষেরা আমাদের মতই এর ব্যবহার করে তবে এটির স্থান পরিবর্তন করানো যায় না বলে এটি সর্বদা একই স্থানে থাকে। অর্থাৎ যিনি প্রথমে এর মালিক ছিলেন তার কাছেই থাকে শুধু প্রতিবার গ্রামবাসীরা এটা জানে যে বর্তমানে এটি কোন ব্যক্তির মালিকানার অন্তর্ভুক্ত।

এটি কোনো পার্কের স্লাইড নয়, এটি আসলে মিউনিখ টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির গণিত ও ইনফমেটিক্স বিভাগের ভেতরের দুটি স্লাইড, যাতে...
21/12/2023

এটি কোনো পার্কের স্লাইড নয়, এটি আসলে মিউনিখ টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির গণিত ও ইনফমেটিক্স বিভাগের ভেতরের দুটি স্লাইড, যাতে করে চারতলা থেকে খুব সহজে শিক্ষার্থীরা নিচতলায় আসতে পারে।

আপনি কি জানেন?১৯৭২ সালে ৮৩ বছর বয়সে যখন অস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন, টানা বারো মিনিট হাততালির ঝড় বয়ে যায় অস্কার মঞ্চে। অস্কার...
20/12/2023

আপনি কি জানেন?
১৯৭২ সালে ৮৩ বছর বয়সে যখন অস্কার নিতে মঞ্চে ওঠেন, টানা বারো মিনিট হাততালির ঝড় বয়ে যায় অস্কার মঞ্চে। অস্কারের ইতিহাসে সেটাই ছিল দীর্ঘতম অভ্যর্থনা। আবেগে প্রায় কিছুই তিনি বলতে পারেননি সে দিন।

ব্রিটিশ এই কিংবদন্তি মাত্র ১৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে কুড়ানো তুমুল জনপ্রিয়তাকে সঙ্গী করে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেই দেশ কত চেয়েছে তাকে নাগরিকত্ব দিতে। তিনি নেননি। তিনি কখনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে চাননি। পরে যুক্তরাষ্ট্র একসময় 'কমিউনিস্ট' বলে 'গালি দিয়ে' তার জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়। তাই বাকি জীবন কাটানোর জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডকে।

যখন খ্যাতির শীর্ষে তখন একবার দুই দিনের জন্য জন্মভূমি ইংল্যান্ডে গেলেন। আর এই সময়ের মধ্যে ঘটে গেল অবাক কাণ্ড। মাত্র দু’দিনে তাঁর কাছে প্রায় ৭৩ হাজার চিঠি আসে!

তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, তাঁর কাছে সৌন্দর্য মানে নর্দমায় ভেসে যাওয়া একটা গোলাপ ফুল। এই যে বীভৎস দ্বন্দ্ব থেকে সৃষ্টি হওয়া সৌন্দর্য, এখানেই বাস্তবতার সব নিষ্ঠুর দরজা খুলে যায়। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দুঃসহ শৈশব বয়ে নিয়ে বেড়িয়েছেন। যেখানে তাঁর মাতাল বাবা, মাকে নির্যাতন করত ছোট্ট শিশুটির সামনেই। একসময় সেই বাবা মাকে ছেড়ে যায়, তাতে সামান্য সময়ের জন্য হাঁপ ছেড়ে বাঁচেন। কিন্তু কতক্ষণের জন্য? পরেরবার খিদে লাগার আগে পর্যন্ত!

মা কখনও সস্তা নাটকে অভিনয় করতেন, কখনও সেলাই করতেন, কখনও বা মা–ছেলে মিলে ভিক্ষা করতেন। কখনও নরম নিষ্পাপ হাতে দিব্যি চুরি করতেন। এর মাঝেই অসুখে পড়ে ভুগে মারা যান মা। আর তাঁর নির্বাক কমেডি নাড়া দিতে থাকে সমগ্র ইংল্যান্ডকে। তাই তো তিনি বলেছেন, সত্যিকারের কমেডি তখনই করা যায়, যখন নিজের সব দুঃখ, বঞ্চনা সফলভাবে গিলে ফেলা যায়।

আর তাঁর জনপ্রিয়তা?

রাশিয়ার এক ভক্ত নভোবিজ্ঞানী তাঁর আবিষ্কৃত উপগ্রহের নাম রাখেন ৩৬২৩ চ্যাপলিন! আর এদিকে জাঁদরেল চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ লুক গদার চ্যাপলিনকে তুলনা করেছিলেন লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির সঙ্গে।

তিনি কমেডিয়ান নন, অভিনেতা নন, সব ছাপিয়ে তিনি মহান শিল্পীর ঢিলেঢালা কোট গায়ে এক তুখোড় বিপ্লবী। তিনি চার্লি চ্যাপলিন।

একটি বাষ্পীয় লোকোমোটিভের গতি ২০৩ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা😯। কি! শুনে অবাক হলেন?অবাক হওয়ারই কথা। কারণ এই যুগে এসে আমাদের দ...
19/12/2023

একটি বাষ্পীয় লোকোমোটিভের গতি ২০৩ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা😯। কি! শুনে অবাক হলেন?
অবাক হওয়ারই কথা। কারণ এই যুগে এসে আমাদের দেশের লোকোমোটিভের সর্বোচ্চ গতি তোলার ক্ষমতা ১৬০ কিলোমিটার/ঘন্টা, সেখানে ১৯৩৮ সালে ৩ জুলাই একটি বাষ্পীয় ইঞ্জিন ২০৩ কিমি/ঘন্টা গতি তুলেছিল।

এই রেকর্ড গতি তুলেছিল LNER ক্লাস A4 4468 Mallard 4-6-2 ("প্যাসিফিক") বাষ্পীয় লোকোমোটিভ যা লন্ডন রেলে সার্ভিস দিতো।

Address

Dhaka

Telephone

+8801308127949

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KAKABABU - “কাকাবাবু” posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share