বিহঙ্গ পরান

বিহঙ্গ পরান মানুষ দেখতে ভাল্লাগে।



এখানে প্রাণের স্রোত আসে যায়— সন্ধ্যায় ঘুমায় নীরবে... এখানে প্রাণের স্রোত আসে যায়— সন্ধ্যায় ঘুমায় নীরবে...

এটা গতকাল টিএসসি'তে ব্রাজিল বনাম মরক্কোর বিশ্বকাপ ম্যাচের খেলা দেখার দৃশ্য। চিন্তা করে দেখেন তো, এইটা আপনার হাশর। সুপারি...
14/06/2026

এটা গতকাল টিএসসি'তে ব্রাজিল বনাম মরক্কোর বিশ্বকাপ ম্যাচের খেলা দেখার দৃশ্য। চিন্তা করে দেখেন তো, এইটা আপনার হাশর। সুপারিশ করার জন্য পরিচিত ভালো কাউকে খুঁজছেন। কিন্তু আশপাশে তাকিয়ে দেখেন যাদেরকে বন্ধু মনে করতেন তারা আপনার চেয়েও ভয়ংকর বিপদে আছে। এখন আপনি তাদেরকে খুঁজবেন যাদেরকে আপনি ধর্মব্যবসায়ী বলে গালি দিতেন।

কিন্তু এইরকম হাজারটা মাঠ পারি দিয়েও আপনি তাদের দেখা পাবেন না। কারণ কি জানেন? কারণ হাদিসে এসেছে: (المرء مع من أحب) মানুষ তার সাথেই উঠবে যাকে সে ভালোবেসেছিলো।

@সুমন আহমেদ

Feminism can never achieve such kind of love.
13/06/2026

Feminism can never achieve such kind of love.

29/05/2026

ঈদ মোবারক সবাইকে 🌺🌺
28/05/2026

ঈদ মোবারক সবাইকে 🌺🌺

৬১০ সালের রমজান মাসের সেই রাতে যখন প্রথম ওহী নাজিল হয়, তখন নবী মুহাম্মাদ (সা) ছুটে যান স্ত্রী খাদিজা (রা)-র কাছে। খাদিজা...
27/05/2026

৬১০ সালের রমজান মাসের সেই রাতে যখন প্রথম ওহী নাজিল হয়, তখন নবী মুহাম্মাদ (সা) ছুটে যান স্ত্রী খাদিজা (রা)-র কাছে। খাদিজা (রা) তাঁকে সান্তনা দেন, বলেন, "আল্লাহর কসম, আল্লাহ তোমাকে কখনোই লাঞ্চিত করবেন না..."

খাদিজা (রা) ইসলাম গ্রহণ করলেন। তাঁদের ঘরে বড় হওয়া বালক আলী (রা) মুসলিম হলেন। হলেন আবু বকর (রা)-ও। খাদিজা (রা)-র বিজ্ঞ খ্রিস্টান আত্মীয় ওয়ারাকার সতর্কবাণী শুনে অবাক হলেন নবী (সা), বললেন, "আমার লোকেরা সত্যিই আমাকে বের করে দেবে?" সত্যিই। এতই কমলোক ছিল মুসলিমদের মাঝে। পরে তাদের মক্কা ত্যাগ করে ইয়াসরিব চলে যেতে হলো, ইয়াসরিবের নতুন পরিচয় হলো 'মদিনা', মদিনাতুন-নবী। নবীর শহর।

প্রথম ওহীর প্রায় ২৩ বছর বাদে মক্কার কাছে আরাফার ময়দানে জাবালে রহমতের ওপর দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। বিদায় হজ্বের ভাষণ। সেই একজন, দুজন, তিনজন মানুষ দিয়ে শুরু হওয়া মুসলিম সমাজে তখন গোটা আরবের লোক যোগ দিয়েছে। ওইদিন ভাষণের সময় উপস্থিত ছিলেন হজ্ব করতে আসা প্রায় এক লাখ চব্বিশ হাজার মানুষ। সেই পাহাড়ের ছবিই দেখা যাচ্ছে, যার চূড়ায় ওই স্তম্ভের ওখানে দাঁড়িয়েই নবী (সা) ভাষণ দিয়েছিলেন।

২০২৬ সালের ৯ জিলহজ্ব হজ্ব উপলক্ষ্যে আরাফার ময়দানে হাজির হয়েছেন সতেরো লক্ষাধিক হাজী (কমেন্টে বিস্তারিত)। সংখ্যাটা নিঃসন্দেহে বহুগুণ বেশি হতো যদি আরও লোকের সংকুলান ব্যবস্থা থাকতো, আর না থাকতো আর্থিক সীমারেখার বাধা।

৬১০ সালের সেই রাতে মক্কার কেউই এ ভবিষ্যৎ চিন্তা করেননি, যখন মুহাম্মাদ (সা) কাতর হয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "কে বিশ্বাস করবে আমার কথা? কে-ই বা আমার কাছ থেকে এই বাণী গ্রহণ করবে?"

"আমি! আমি বিশ্বাস করি তোমাকে। আমিই প্রথম তোমার কাছ থেকে এই বাণী গ্রহণ করলাম..." বলেছিলেন স্ত্রী খাদিজা (রা)। [তাবাক্বাত, ইবনে সা'দ]

বহু বছর পর, বিদায় হজ্বের দিন নবী (সা) আকাশের দিকে তর্জনী তুলে জনসমুদ্রকে উদ্দেশ্য করে বললেন, "আমি কি বাণী পৌঁছে দিতে পেরেছি?"

লাখো জনতা সমস্বরে চিৎকার করে জানালো, "জ্বি!"

নবী (সা) তখন তিনবার বললেন, "আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো; আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো; আল্লাহ, তুমি সাক্ষী থেকো!"

আরাফার জমায়েত শেষে এবার কুরবানির পালা।

ঈদ মুবারাক সবাইকে!

@

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের দায়ে প্রকাশ্যে ১০০ বেত্রাঘাত​আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র শ...
23/05/2026

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের দায়ে প্রকাশ্যে ১০০ বেত্রাঘাত

​আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র শরিয়াহ আইন দ্বারা পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল আচেহ (Aceh) প্রদেশে বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অপরাধের দায় স্বীকার করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ১০০টি করে বেত্রাঘাত করা হয়।

​আঞ্চলিক শরিয়াহ কোড (Qanun) অনুযায়ী এই দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
​প্রাদেশিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে স্থানীয় একটি মসজিদের সামনে এই শাস্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এ সময় শাস্তি কার্যকর দেখতে শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে সমবেত হন। আইন কর্মকর্তারা জানান, শরিয়াহ আইনের কঠোর পরিপালন নিশ্চিত করতে এবং সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমাতে এই ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জনসমক্ষে কার্যকর করা হয়েছে।

​উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ধর্মনিরপেক্ষ ফৌজদারি আইন কার্যকর থাকলেও ২০০১ সালে বিশেষ স্বায়ত্তশাসন পাওয়ার পর থেকে আচেহ প্রদেশে জুয়া, মদ্যপান ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মতো অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে কঠোর শরিয়াহ আইনের বিধান চালু রয়েছে।

শেয়ার,

23/05/2026

১৯৯৪ সাল, আফগানিস্তানে তখন বসন্ত চলছে। প্রতিবেশীরা মোল্লা মোহাম্মাদ ওমর এর কাছে এসে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা শোনাল যা আফগানিস্তানের দীর্ঘ ১৮ বছরের গৃহযু-দ্ধের নির্মম বাস্তবতার মাঝেও ছিল শিউরে ওঠার মতো।

মোল্লা ওমরের গ্রাম সিঙ্গেসার এর দুই কিশোরী মেয়েকে এক সশস্ত্র গোষ্ঠী অ-পহ-রণ করেছিল। সে সময় এসব সশস্ত্র যোদ্ধারা আফগান গ্রামাঞ্চলের বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করত। এসব যোদ্ধারা মেয়ে দুটির মাথা ন্যাড়া করে দেয়। তাদেরকে নিয়ে যায় গ্রামের বাইরে একটি চেকপোস্টে। সেখানে তাদের ওপর চালানো হয় পাশ-বিক নি-র্যা-তন এবং ধ-র্ষ-ণ করা হয় বেশ কয়েকবার।

তখন মোল্লা ওমর ছিলেন অখ্যাত একজন মানুষ, সোভিয়েত দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যু-দ্ধ করা এক সাবেক গে-রি-লা কমান্ডার, যিনি পরে আফগানিস্তানে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর ছড়িয়ে দেওয়া নৈ-রাজ্য, লুট-পাট ও স-ন্ত্রা-সে বিরক্ত ও হতাশ হয়ে নিজ গ্রামে ফিরে এসেছিলেন। তিনি তখন একজন তালিব বা ধর্মীয় ছাত্র হিসেবে একটি কাদামাটির দেয়ালঘেরা মাদ্রাসায় জীবন কাটাচ্ছিলেন, যেখানে দিনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হতো কোরআন শিক্ষা ও হিফয করায়।

কিন্তু সেই দুই মেয়ের অসহায় আর্তনাদ তাকে নীরব থাকতে দেয়নি। তিনি ৩০ জন সাবেক গেরিলা যোদ্ধাকে একত্র করলেন। সবার কাছে মিলিয়ে ছিল মাত্র ১৬টি কালাশনিকভ রাইফেল। সেই সামান্য অস্ত্র নিয়েই তিনি ঐ চেকপোস্টে আ-ক্র-মণ চালান, মেয়ে দুটিকে উদ্ধার করেন এবং চেকপোস্ট কমান্ডারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে একটি পুরোনো সোভিয়েত ট্যাংকের কামানের নলের সঙ্গে বেঁধে দেন। চারপাশে তখন “আল্লাহু আকবার” ধ্বনি উঠছিল। মোল্লা ওমর নির্দেশ দেন ট্যাংকের কামানের নল ওপরে তুলতে, যেন ঝু-ল-ন্ত দেহটি হয়ে ওঠে অন্যায় ও বর্বরতার বিরুদ্ধে এক ভয়ংকর সতর্কবার্তা।

সিঙ্গেসারের সেই ঘটনা আজ আফগান লোককাহিনির অংশ হয়ে গেছে। অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার মাত্র আড়াই বছরের মধ্যেই মোল্লা ওমর আফগানিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চলের সর্বময় শাসকে পরিণত হন। ডান চোখ হারানো, ভারী গড়নের এই ৩৮ বছর বয়সী নেতাকে তার অনুসারীরা “আমিরুল মুমিনিন” নামে সম্বোধন করত।

তিনি তা-লি-বান নামের এক ইসলামি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। যা অল্পসময়ের মধ্যেই ১৯৯৬ সালে দখল করে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মসনদ।

এটা হল গিয়া আমাগো বাঙ্গালা। হিমালয় থাইকা বাহর-ই-বাঙ্গালা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ সবুজ বদ্বীপ। এইখানে আমরা হাল চাষি, ফসল ফলাই, ...
19/05/2026

এটা হল গিয়া আমাগো বাঙ্গালা। হিমালয় থাইকা বাহর-ই-বাঙ্গালা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ সবুজ বদ্বীপ। এইখানে আমরা হাল চাষি, ফসল ফলাই, নৌকা বাই, মাছ ধরি, আর ঘাসের উপরে গামছা পাইতা খোদার কাছে হাত তুইলা কান্দি। আল্লায় এই জমিতে ফুল-ফসল, পাখপাখালি থাইকা তৃণভূমির ফড়িং-পিপড়া পর্যন্ত, হরেকরকম নিয়ামত দিয়া ভরপুর কইরা দিছেন, আর আমাগো বানাইছেন সেগুলার আমানতদার।

এই ভূমির নানান নিয়ামতের সাথসাথ এই বাঙ্গালা অঞ্চলের আশেপাশের একত্ববাদী জাতিগুলার দায়িত্বও দিছেন আল্লায়। মহান বাঙ্গালা সালতানাতের উত্তরাধিকারী আর এই অঞ্চলের প্রাচীন একত্ববাদী জাতি হিসেবে বাঙ্গালীর সময় হইছে এই মহান তাগাদা আঞ্জাম দেওয়ার। তা ভাইয়েরা, ঢাকারে মাশরেকী দুনিয়ার মদীনা বানানির কাজে কবে নামতেছেন?

- Rezwanul Kabir

18/05/2026

ঈদের বাজার। আলজেরিয়া। 🌺

কথায় বলে না, “বাপেরও বাপ আছে”? সেই বাপগীরীটাই দেখালেন হাসনাত আবদুল্লাহ। অনেকটা চোরের উপর মোড়লগীরী!আমাদের দেশে একটা ব্যবস...
14/05/2026

কথায় বলে না, “বাপেরও বাপ আছে”? সেই বাপগীরীটাই দেখালেন হাসনাত আবদুল্লাহ। অনেকটা চোরের উপর মোড়লগীরী!

আমাদের দেশে একটা ব্যবসা বহুদিন ধরেই চলে আসতেছে ইনস্ট্যান্ট তিন গুণ লাভের ব্যবসা।

কী সেই ব্যবসা?

রাস্তা, সড়ক বা সরকারি বড় কোনো প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হলে সরকার সাধারণ মানুষের ক্ষতি বিবেচনা করে বাজারমূল্যের চেয়ে প্রায় তিন গুণ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়।

মানে কোনো এলাকার জমির দাম যদি ১ টাকা হয়, সরকার সেখানে দিতে পারে ৩ টাকা।

এই সুযোগটাই নেয় কিছু অসৎ, জোচ্চোর, বাটপার টাইপের মানুষ। প্রকল্প পাশ হওয়ার খবর পেলেই তারা সেই জায়গায় হুটহাট দোকান তুলে, বাড়ির ভীত দেয়, ছোটখাটো স্থাপনা বানায়।

সবই পরিকল্পিত। কারণ তারা জানে, কয়েক মাস পর সরকার বাধ্য হয়ে সেই ভাঙা-গড়ারও তিন গুণ টাকা দিবে। লাভ ছাড়া লস নাই।

কিন্তু এই জায়গাতেই হাসনাত আবদুল্লাহ দেখাইছে আসল চালাকি।

চান্দিনা-দেবিদ্বার সড়ক ৪ লেনে উন্নীত করার প্রকল্প পাশ হওয়ার আগেই পুরো এলাকার ড্রোন শট নেওয়া হয়েছে। কোথায় কী অবকাঠামো আছে, সবকিছুর বিস্তারিত রেকর্ড তৈরি করা হয়েছে।

এরপর সভা করে প্রজেক্টের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এমনকি প্রজেক্টরে ড্রোন ফুটেজ দেখিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই ঘোষণার পরে কেউ যদি নতুন করে দোকান, ঘর বা কোনো স্থাপনা তোলে, তাহলে অতিরিক্ত কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে না।

মানে, “তুমি চোর হইতে পারো, কিন্তু আমি সেই চোরেরও ওস্তাদ!”

এভাবেই রাষ্ট্রের টাকা লুট করার পুরনো ফন্দিতে ব্রেক লাগানো যায়। দেশে এমন মানুষ দরকার, যারা শুধু বক্তৃতা না দিয়ে আগেই দুই ধাপ ভেবে খেলা খেলতে পারে।

এমন হাসনাত আবদুল্লাহ সারা দেশে জন্মাক, ৩০০ আসনে নেতৃত্বে আসুক 🔥

- মির্জা হাসিব

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিহঙ্গ পরান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category