Deen & Peace

Deen & Peace Where the soul speaks in frames.🌿

14/07/2026

সকল সমস্যার এক সমাধান:

একবার হাসান বসরী রহ.-এর কাছে এক ব্যক্তি জানাল, আমার ফসলে খরা লেগেছে। আমাকে আমল দিন। হাসান বসরী তাকে বললেন, ইস্তেগফার করো। কিছুক্ষণ পর আরেক ব্যক্তি এসে অভিযোগ পেশ করল, আমি গরীব-আমাকে রিজিকের আমল দিন। হাসান বসরী রহ. তাকেও বললেন, ইস্তেগফার করো। এমনিভাবে অপর এক ব্যক্তি এসে সন্তান হওয়ার আমল চাইলে তিনি বললেন, ইস্তেগফার করো।

তখন আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সবাইকে এক পরামর্শই দিলেন যে! হাসান বসরী রহ. উত্তরে বললেন

ما قلت من عندي شيئا : إن الله تعالى يقول في سورة نوح

আমি নিজের পক্ষ থেকে কিছুই বলিনি। এটা বরং আল্লাহ তাআলা তার কুরআনে শিখিয়েছেন। তারপর তিনি সুরা নুহ এর আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন।

(তাফসীরে কুরতুবী: ১৮/৩০৩)

فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا. وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا

আর বলেছি, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ইস্তেগফার করো। (ক্ষমা চাও) নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বারিধারা বর্ষণ করবেন।

তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধির মাধ্যমে তোমাদের সাহায্য করবেন। তোমাদের জন্যে উদ্যান তৈরি করবেন, তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।

-(সূরা নূহ: ১০-১২)

- খুতুবাত



#দোয়াটিপস

14/07/2026

বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি দয়া হলো– তিনি তাকে এমন কিছু পরীক্ষায় ফেলেন যা সে না পারে কাউকে বলতে, আর না পারে কাউকে নিজের কষ্টটা বোঝাতে। আল্লাহ এটা এই জন্যই করেন যাতে বান্দার মন অন্য সবার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কেবল আল্লাহর দিকেই নিবিষ্ট হয় এবং সে যেন নিজের সবটুকু দুঃখ নিয়ে একমাত্র তাঁর কাছেই হাজির হয়।"

— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
[আল-ওয়াবিলুস সায়্যিব, ৩৫]

13/07/2026

রাতে ঘুমানোর আগের কিছু আমল
আজ থেকে চেষ্টা করবো, ঘুমানোর আগে অন্তত এগুলো করবো ইনশাআল্লাহ
১। আগে অজু করে নিবো।
অজু অবস্থায় ঘুমালে ফেরেশতা পাশে থাকে… এটা ভাবলেই মনটা শান্ত হয়ে যায়।
২। ডান কাতে শুয়ে পড়বো।
আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ এভাবেই ঘুমাতেন।
ডান হাতটা গালের নিচে রাখবো।
৩। ঘুমের দোয়া পড়বো
بِاسْمِكَ اللَّهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا
(হে আল্লাহ, আপনার নামেই আমি মরি এবং বাঁচি)
৪। তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) ৩ বার পড়ে
হালকা ফুঁ দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নিবো।
৫। আয়াতুল কুরসি পড়বো।
কারণ এটা পড়লে সারারাত হেফাজত থাকে।
৬। সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ার চেষ্টা করবো।
অল্প হলেও নিয়মিত পড়তে চাই।
৭। ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ
৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ
৩৪ বার আল্লাহু আকবার

৮। দিনের সব ভুলের জন্য ইস্তিগফার করবো।
যাদের কষ্ট দিয়েছি মনে মনে মাফ চেয়ে নিবো।
সবশেষে মনে মনে বলবো
হে আল্লাহ, যদি এই ঘুমই আমার শেষ ঘুম হয়, আমাকে ঈমানের সাথে কবুল করুন।

11/07/2026

ধৈর্য সহজ নয়। এটি আপনাকে মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়। এটি আপনাকে অস্থির করে তোলে। এটি আপনাকে ভেঙে দেয়। কিন্তু আপনি কি জানেন আল্লাহ কী বলেছেন? "আমি ধৈর্যশীলদের সাথে আছি।" আল্লাহ আপনার সাথে আছেন। আপনাকে এগিয়ে চলার জন্য এটুকুই যথেষ্ট হওয়া উচিত। 🤍

11/07/2026

চোখ (নজর) আর হিংসা (হাসাদ) আপনার শরীরের ভিতর অসংখ্য অসীম সংখ্যক গিঁট তৈরি করে।

এই গিঁটগুলো আপনার মধ্যে রোগ, আটকে যাওয়া, ব্যর্থতা, অনিদ্রা ও দুঃখ-কষ্ট সৃষ্টি করে।

♻️গিঁটগুলো একে একে খুলে ফেলুন♻️
বারবার পড়ুন: لا حول ولا قوة الا بالله العلي العظيم
লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম
— এই দোয়া দিয়ে গিঁটগুলো খুলে যায়।

তখন আপনি অনুভব করবেন শরীরে পেইন হচ্ছে, হাই উঠবে, চোখ দিয়ে পানি পড়বে — এগুলোই হলো গিঁট খুলে যাওয়ার লক্ষণ।
সংগৃহীত

10/07/2026

দু'য়া প্রতিদিনের একটা বাধ্যতামূলক মেডিসিন বানিয়ে নেওয়া উচিৎ। এটা আমাদের রবের সাথে কানেক্টেড রাখতে সাহায্য করে।

এখন এই মেডিসিন কয়বেলা এবং কিভাবে খাবেন? জানতে তো হবে! তাই একটা রুটিন ফলো করবো। ইন শা আল্লহ। ✨

দু'য়ার ক্যাটাগড়ি কি কি হবে?

১. নিজের জন্য দু'য়া
২. নিজ পরিবারের জন্য দু'য়া (মৃত+জীবিত)
৩. আত্মীয়, প্রতিবেশি, পরিচিত, অপরিচিত ( সামগ্রিক ভাবে দু'য়া করে দিবেন। তবে কারো বিশেষ সমস্যায় দু'য়া প্রয়োজন হলে নাম ধরে প্রয়োজন উল্লেখ করে ৩-৪ বাক্য দু'য়া করবেন)
৪. উম্মাহের জন্য দু'য়া। পুরো মুসলিম উম্মাহ। ফিলিস্তিনের জন্য দু'য়া। ( সামগ্রিক ভাবে)
৫. যারা দ্বীনের পথে নেই গোটা পৃথিবীর বাসিন্দাদের জন্য হিদায়েতের দু'য়া এবং সকল কবরবাসির জন্য দু'য়া। ( সামগ্রিক ভাবে)

এবার এই ৫ ক্যাটাগড়ির দু'য়া কখন করবেন?

সহজ পদ্ধতি বলে দেই। সালাতের সাথে দু'য়ার রুটিন বানিয়ে নিন। ✅

🌸 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু'য়া হচ্ছে (নিজের জন্য দু'য়া) আলাদা ডায়েরি তে নিজের সব দু'য়া নোট করবেন। বিশেষ করে ১. হিদায়েতের দু'য়া ২. গুনাহ মাফের দু'য়া। এবং পরবর্তীতে নিজের সকল দু'য়া।

নিজের জন্য ওই সালাতের ওয়াক্ত টা সিলেক্ট করবেন, যেই ওয়াক্তে কোনো তাড়াহুড়ো ছাড়া একটু বেশি মনোযোগী হতে পারেন! এটা আপনার নিজের ই সিলেক্ট করতে হবে যে কোন ওয়াক্তে আপনি একটু ফ্রী থাকেন! একটু বেশি সময় পান একান্ত ভাবে আল্লাহ তা'য়ালা কে দেওয়ার মতো!

তাহাজ্জুদ কিংবা ফজর সব থেকে উত্তম সময় হতে পারে। ফজরের সময় চারপাশ নিরব থাকে। সারাদিন দুনিয়াবি কাজে ব্যস্ত থাকলেও, অন্তত দিনের শুরুটা বেশ খানিক সময় রাখবেন আল্লাহর জন্য। তবে সারাটা দিন ই ভালো কাটবে। ইন শা আল্লহ।

তো এই সময় সালাত শেষ করে নিজের জন্য দু'য়া গুলো করবেন। একদম অনুভব করে করে। আর নিজের যতো স্পেশাল দু'য়া আছে, সেইগুলো দিনের অনান্য সময় বিশেষ করে দু'য়া কবুলের মুহূর্তে মাস্ট করবেন ইই।

🌸 এবার আরেকটা ওয়াক্ত সিলেক্ট করবেন। যেটায় আরেকটু অবসর পান। হতে পারে, আসর-মাগরিব-ইশা! আপনার সুবিধা মতো সিলেক্ট করবেন। দিনে কাজে ব্যস্ত থাকলে, আমরা মাগরিব/ইশা তে সময় টা রাখতে পারি কিন্তু।

এইসময় নিজের পরিবারের জন্য দু'য়া করবেন। প্রথমে নিজের জন্য অবশ্যই দু'য়া করে নিবেন। তবে শর্টকাট ভাবে। ফজরের মতো বিস্তারিত ভাবে না আর কি! তারপর পরিবারের জন্য দু'য়া করবেন। আগে সামগ্রিক ভাবে দু'য়া। পরবর্তীতে, সবার নাম উল্লেখ করে করে তাদের হিদায়াত, সমস্যা দূরের দু'য়া। আর একদম কাছের মৃত সদস্য দের ও সাথে এড করবেন। ( যেমন: মা-বাবা-সন্তান-দাদা-দাদী,নানা-নানী ইত্যাদি) তাদের কবরজীবন যেনো সুন্দর হয়। আখিরাত জীবন যেনো সুন্দর হয় এই দু'য়া।

মাঝে মাঝে সময় কম থাকলে সামগ্রিক ভাবে দু'য়া করে নিলেও হবে। তবে চেষ্টা করবেন প্রতিদিন ই যেনো তাদের সবাইকেই দু'য়া তে রাখার চেষ্টা করবেন। মিস যেনো না হয়।।আমাদের পরিবার ই তো সবচেয়ে আপন তাই না?

🌸 এবার আরেকটা ওয়াক্ত সিলেক্ট করবেন। যেখানে আরকেটু কম ব্যস্ত থাকা হয়। সেখানে আপনি ~ আত্মীয়, প্রতিবেশি, পরিচিত-অপরিচিত দের রাখবেন। সামগ্রিক ভাবেই আগে দু'য়া করবেন। তারপর কারো বিশেষ সমস্যা দেখলে তার জন্য একটু বিশেষ করে দু'য়া করে দিবেন।

🌸 আর যেই ওয়াক্তে বেশি ব্যস্ততা থাকে, সেই ওয়াক্তের জন্য ~ মুসলিম উম্মাহ, ফিলিস্তিন, পুরো দুনিয়াবাসি, কবরবাসি সবার জন্য দু'য়া করতে পারেন। যেহেতু এই দু'য়া গুলো সামগ্রিক ভাবেই করা হয় তাই সময় কম লাগে। তাই ব্যস্ততার ওয়াক্তে তাদের জন্য দু'য়া করতে পারেন। যেমন আমি বেশি ব্যস্ত থাকি, যুহরের ওয়াক্তে।

প্রতি ওয়াক্তেই নিজের জন্য শর্টকাট সামগ্রিক ভাবে দু'য়া করবেন। উপরে বলেছি, হিদায়েত+গুনাহ মাফ + স্পেশাল দু'য়া। পরে বাকিদের জন্য সময় টা বরাদ্দ রাখবেন। আর বাকি ১-২ ওয়াক্তে নিজের জন্য বরাদ্দ রাখবেন। তখন একদম মন খুলে কথা বলবেন। দু'য়া করবেন। খুটিনাটি বিষয় উল্লেখ করে।

বুঝাতে পারলাম?

খাতায় ৫ ওয়াক্তের নাম লিখে তারপর দু'য়ার টপিক লিখে নিতে পারেন। এভাবে আশা করি এলোমেলো লাগবে না। প্রতিটা দিন ই আমরা বিশেষ করে নিজের সব কিছুর জন্য এবং সবার জন্যই দু'য়া করতে পারবো ইন শা আল্লহ। 💜

আমাকেও দু'য়া তে রাখবেন সবাই।

লেখা : নীরা রাহমা


10 July, 2026

10/07/2026

Allahumma salli wa sallim ala nabiyina Muhammad (ﷺ)🫀🕊️🤍.

10/07/2026

মৃত্যুর পর প্রথম রাত কেমন হবে? এই লেখাটি পড়ার পর আপনার অজান্তেই আপনি কান্না করে দিবেন। কবরে আপনার প্রথম রাত কেমন হবে, এই লেখাটি আপনাকে প্রতিনিয়ত ভাবাতে শুরু করবে।

আজ আপনি জীবিত, শ্বাস নিচ্ছেন, কথা বলছেন, হাসছেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, হয়তো ভবিষ্যতের জন্য নতুন নতুন পরিকল্পনা করছেন।

কিন্তু কখনো কি এক মিনিটের জন্য থেমে ভেবেছেন, একদিন এমন একটি সন্ধ্যা আসবে, যেটা হবে আপনার জীবনের শেষ সন্ধ্যা?

একদিন এমন একটি রাত আসবে, যার পর আর কখনো সূর্যোদয় দেখার সুযোগ পাবেন না?

আর সেই রাতের পর যে রাতটি আসবে, সেটি হবে আপনার কবরের প্রথম রাত, আপনার জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ, সবচেয়ে নিঃসঙ্গ এবং সবচেয়ে বাস্তব রাত, সেদিন হঠাৎ করেই আপনার বুকের ভেতর শেষবারের মতো হৃদস্পন্দন হবে, পরিবারের মানুষ ছুটোছুটি করবে, কেউ ডাক্তার ডাকবে, কেউ আপনার নাম ধরে কাঁদবে, কেউ বলবে, আরেকবার চোখ খোলো, কেউ বলবে, একটু কথা বলো।

কিন্তু তখন আপনার এবং তাদের মাঝে এমন একটি পর্দা নেমে আসবে, যা আর কখনো সরবেনা, আপনি সব শুনবেন, কিন্তু জবাব দিতে পারবেন না, সব দেখবেন, কিন্তু কাউকে ডাকতে পারবেন না

কিছুক্ষণ পর ঘোষণা হবে—তিনি আর নেই

এই একটি বাক্য আপনার সমস্ত পরিচয়কে বদলে দেবে।

যে মানুষটিকে কিছুক্ষণ আগেও সবাই নামে

চিনতো...

এখন সে শুধু একটি মৃতদেহ..একটি নিথর দেহ...

এরপর শুরু হবে শেষ যাত্রার প্রস্তুতি, আপনার আলমারি ভর্তি পোশাক থাকবে, দামী ঘড়ি থাকবে, জুতা থাকবে, প্রিয় জিনিসগুলো থাকবে, কিন্তু সেদিন আপনার জন্য নির্ধারিত থাকবে মাত্র কয়েক টুকরো সাদা কাপড়, কাফনের কাপড়, যার কোনো পকেট নেই, কারণ সেখানে কিছু নিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই

আপনাকে গোসল করানো হবে...

হয়তো আপনার কোনো বন্ধু...হয়তো কোনো

আত্মীয়...

হয়তো এমন কেউ, যাকে আপনি খুব ভালোবাসতেন...

সে আপনার নিথর শরীরে পানি

ঢালবে...শেষবারের মতো আপনাকে পরিষ্কার করবে...কিন্তু আপনি আর বলতে পারবেন না পানি ঠান্ডা, অথবা পানি গরম। কারণ পৃথিবীর

সব অনুভূতির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক শেষ হয়েগেছে...

তারপর আপনাকে কাফন পরিয়ে শুইয়ে রাখা হবে, পরিবারের মানুষ শেষবারের মতো আপনার মুখ দেখবে, মা কাঁদবে, বাবা কাঁদবে, স্ত্রী বা স্বামী কাঁদবে, সন্তান কাঁদবে, কিন্তু কেউ আপনাকে আর ফিরিয়ে আনতে পারবে না...

তারপর জানাজা হবে, অনেক মানুষ আসবে, কেউ সত্যিকার অর্থে আপনার জন্য কাঁদবে, কেউ হয়তো শুধু সামাজিক দায়িত্ব পালন করবে, কেউ হয়তো মনে মনে বলবে-মানুষটা ভালো ছিল, আবার কেউ হয়তো আপনার ভুলগুলোর কথাও স্মরণ করবে, কিন্তু তখন আর কিছু সংশোধন করার সুযোগ থাকবে না...

অবশেষে আপনাকে কবরে নামিয়ে দেওয়া হবে, ধীরে ধীরে..খুব ধীরে...আর যখন প্রথম মুঠো মাটি আপনার কবরের উপর পড়বে, তখন পৃথিবীর সঙ্গে আপনার সমস্ত সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে, চিরদিনের জন্য

এরপর মানুষজন চলে যেতে শুরু করবে, যে সন্তানের জন্য আপনি জীবন কাটিয়েছেন, সে চলে যাবে, যে বন্ধু বলতো তুই না থাকলে আমি বাঁচবো না, সেও চলে যাবে, যে পরিবার আপনাকে ছাড়া পৃথিবী কল্পনা করতে পারতো না, তারাও চলে যাবে, কারণ কবর পর্যন্ত সবাই আসে, কিন্তু কবরের ভেতরে কেউ কারও সঙ্গীহয় না।

তারপর নেমে আসবে ভয়ংকর নীরবতা, এমন নীরবতা, যা পৃথিবীতে কখনো অনুভব করেননি, চারপাশে শুধু অন্ধকার, উপরে মাটি, নিচে মাটি, ডানে মাটি, বামে মাটি... আর আপনি একেবারে একা

সেই মুহূর্তে আপনার মনে পড়বে-যে নামাজগুলো আপনি ইচ্ছা করে ছেড়ে দিয়েছিলেন, যে তওবাগুলো কাল করবো বলে পিছিয়ে দিয়েছিলেন, যে গুনাহগুলোকে ছোট ভেবেছিলেন, যে মানুষগুলোর মন ভেঙেছিলেন, যে হারাম উপার্জনকে তুচ্ছ মনে করেছিলেন, সবকিছু একে একে মনে পড়বে।

আর তখন হয়তো আপনি মনে মনে বলবেন হে আল্লাহ! আমাকে আর একদিন পৃথিবীতে ফিরিয়ে দিন, আমি নামাজ পড়বো, আমি তওবা করবো, আমি মানুষের হক আদায় করবো, আমি আর সময় নষ্ট করবো না, কিন্তু তখন আর কোনো সুযোগ থাকবে না...কারণ পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার দরজা একবার বন্ধ হয়ে গেলে আর কখনো খোলে না।

সেই রাতে আপনার পাশে থাকবে না আপনার ব্যাংক ব্যালেন্স... থাকবে না আপনার বাড়ি... থাকবে না আপনার ব্যবসা...থাকবে না আপনার ডিগ্রি... থাকবে না আপনার খ্যাতি থাকবে না আপনার ফলোয়ার থাকবেনা আপনার ক্ষমতা...থাকবে শুধু আপনার আমল... আপনার প্রতিটি সিজদা...আপনার প্রতিটি কুরআন তিলাওয়াত... আপনার প্রতিটি গোপন দান... আপনার প্রতিটি তওবা... আর আপনার প্রতিটি গুনাহ...যেগুলো আপনি ভেবেছিলেন কেউ জানে না...

আজ আপনি যে সময়টাকে সাধারণ মনে করছেন, একদিন এই সময়ের একটি মিনিট ফিরে পাওয়ার জন্যও আকুল হয়ে উঠবেন, কিন্তু তখন আর কোনো সুযোগ থাকবে না। তাই এখনো সময় আছে...এখনো দরজা খোলা আছে...এখনো তওবা কবুল হচ্ছে...এখনো নামাজ পড়া যাচ্ছে...এখনো ভালো কাজ করা যাচ্ছে...

একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন-যদি আজ রাতেই আমাকে কবরে যেতে হয়, আমি কি প্রস্তুত? আমার রবের সামনে দাঁড়ানোর মতো

লেখা: সংগৃহীত

08/07/2026

আরবি:

اللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي.

বাংলা উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মা ইন্নী ‘আব্দুকা, ওয়াবনু ‘আব্দিকা, ওয়াবনু আমাতিকা, নাসিয়াতী বিইয়াদিকা, মাদিন ফিয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদাউকা, আসআলুকা বিকুল্লিসমিন হুয়া লাকা, সাম্মাইতা বিহী নাফসাকা, আও ‘আল্লামতাহু আহাদান মিন খালকিকা, আও আনযালতাহু ফী কিতাবিকা, আওইস্তা’ছারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইন্দাকা, আন তাজ‘আলাল কুরআনা রাবী‘আ কালবী, ওয়া নূরা সাদরী, ওয়া জালা’আ হুজনী, ওয়া যাহাবা হাম্মী।

08/07/2026

“তুমি যখন "ইয়া রহমান" বলে ডাকো, রহমতের দরজা খুলে যায়। "ইয়া গাফফার" বললে মাফের বৃষ্টি নামে। "ইয়া রাজ্জাক" বললে রিজিকের ফয়সালা হয়। তোমার প্রতিটা ডাকের জবাব দেওয়ার জন্য তিনি প্রস্তুত।”

Address

কুমিল্লা
Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deen & Peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category