Jak's journal-শুটিং মিডিয়া

Jak's journal-শুটিং মিডিয়া This our customers care pages

23/04/2022
23/04/2022
17/03/2022

১৭ই মার্চ বাঙা‌লির অপার আন‌ন্দের দিন

মাহবুবউল আলম হানিফ

আজ বাঙা‌লি এক অপার আন‌ন্দের দিন ১৭ই মার্চ । ১৯২০সালের এই দি‌নে রাত ৮টার দিকে মা সায়েরা খাতুনের কোল আলোকিত করে আসেন ইতিহাসের মহানায়ক; বাঙালি ও বাংলাদেশের মহান মু‌ক্তিদাতা মহান পুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আজ জাতি আনন্দ-‌বেদনায় উদযাপন কর‌ছে বাংলার অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্থপ‌তি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্ম‌দিন ।


‘ইতিহাসের মহানায়ক’ হওয়ার মতো যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ সবকালে, সব যুগে জন্ম গ্রহণ ক‌রেন না । যুগ-যুগান্তরের পরিক্রমায় হাতে গোনা দু্-একজন মানুষই শুধু ‘ইতিহাসের মহানায়ক’ হয়ে উঠতে পারেন । ইতিহাস তার আপন তাগিদেই সৃ‌ষ্টি ক‌রে মহানায়কের । আর সেই ‘মহানায়ক’ই হয়ে ওঠেন তাঁর কা‌লের প্রধান কারিগর ও স্থপতি । বঙ্গবন্ধু ছিলেন তেমনই একজন কালজয়ী মহাপুরুষ । যিনি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং জাতিকে সপ্ন দেখিয়েছিলেন । আবার সেই স্ব‌প্নের ‘স্বাধীন বাংলাদেশ‘ প্রতিষ্ঠাও করেছিলেন ।

১৯৯৭ সাল থেকে তাঁর জন্মদিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে । ১৯৩৮ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলাএ কে ফজলুল হক এবং শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সামনে সাহসী উপস্থাপনায় সহপাঠী ও বিদ্যালয়ের ন্যায্য দাবি আদায়ে নেতৃত্ব দি‌য়ে যি‌নি কি‌শোর ছাত্রনেতা হিসেবে আবির্ভূত হলেন । ১৯৪৩ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষে অজস্র সহায়হীন মানুষেরপ্রাণ বাঁচা‌ন তিনি । ১৯৪৬ এর দাঙ্গা প্রতিরোধে অগ্রণী যে কণ্ঠস্বর, ১৯৪৮ ও ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলার প্রতিটি মানুষের প্রতিটি মুখের বুলিতে নতুন করে জন্ম নিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু । ১৯৫৪ থেকে ১৯৬৩ অবহেলিত বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের একুশ দফায় থেকে স্বাধীনতার সূর্য হয়ে তিনি জন্মেছেন । ‘৫৮, '৬৬, '৬৯, '৭০, '৭১ এই যে ধারাবা‌হিক সংগ্রা‌মের ইতিহাসে বাংলার মানুষের স্বাধীনতা-স্বাধিকারে বেঁচে থাকার প্রতিদি‌নের অনুপ্রেরণা হ‌য়ে মিশে আছেন তিনি । ১৯৭১সালে পাকিস্তানি জান্তার ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা বাংলাকে '৭২থেকে '৭৫ এর প্রতিটি দিনের পরিশ্রমে নতুন জীবন দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু । এটা সত্যি যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০সালের ১৭ মার্চ ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন কিন্তু সেইদিনের পর থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি দিনে তিনি জন্মেছেন । তিনি প্রতিদিন জন্ম নেন সকল শুভ চিন্তায় ও কর্মে । বোধ শক্তি হওয়ার পর এমন কোনো দিন ছিল না যে তিনি বাঙালির জন্য আত্মনিবেদন ও আত্মত্যাগ করেননি । বাংলার মানুষের হাসি- আনন্দে প্রত্যেকদিন জন্ম হয় তাঁর ।

স্বাধীনতার দাবিতে উত্তাল ১৯৭১ সালের সেই দিনগুলো । ৭ইমার্চে ঐতিহাসিক ভাষণ দিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।অসহযোগ আন্দোলন চলমান । ১৯৭১-এর ১৭ই মার্চ ছিল বঙ্গবন্ধুর ৫২তম জন্মদিন । ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা শেষে দুপুরে ধানমন্ডির বাসভবনে সাংবাদিকরা তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছিল । তাঁর কণ্ঠ বেদনার্ত হয় একপর্যায়ে ।তিনি বলেন, "আমি জন্মদিন পালন করি না । আমার জন্মদিনে মোমের বাতি জ্বালি না, কেকও কাটি না । এদেশে মানুষের নিরাপত্তা নাই । আপনারা আমাদের জনগণের অবস্থা জানেন ।অন্যের খেয়ালে যে-কোনো মুহূর্তে তাদের মৃত্যু হতে পারে । আমি জনগণেরই একজন, আমার জন্মদিনই কি, আর মৃত্যুদিনই কি ? আমার জনগণের জন্য আমার জীবন ও মৃত্যু ।"
নিজের জন্মদিন নিয়ে কোনোদিন আলাদা করে ভাবার কোনো প্রয়োজন মনে করেননি তিনি । জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তাঁর মনেএক ভাবনা, মানবতার কল্যাণ কামনা । তাঁর জন্মদিনে তাঁর কাছ থে‌কে মানবতার সেবা ও জয়গান আমাদের প্রাপ্তি । শৈশবে রাস্তার পাশে শীতে কাতর হওয়া বৃদ্ধের গায়ে নিজের চাদর জড়িয়ে দিয়ে, দুর্দশা পীড়িত মানুষের মনে সাহস যোগাতেন তিনি। ১৯৩৭ সালে মুষ্টিভিক্ষা করে 'মুসলিম সেবা সমিতি'র মাধ্যমে গ‌রিব ছাত্র-ছাত্রী‌দের পা‌শে দাঁড়ান তিনি । জন্মদিনে এক সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্ন করেন, "আপনার ৫২তম জন্মদিনে আপনার সবচাইতে বড়ো ও পবিত্র কামনা কী ? উত্তরে বঞ্চিত বাঙালির অবিসংবাদিত নেতার দ্বিধাহীন উত্তর, "জনগণের সার্বিক মুক্তি ।" প্রতিটি মুক্তির আকাঙ্ক্ষায়, মুক্তির প্রতিটি নিঃশ্বাসে জন্মে থাকেন জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ।

মহত্ত্বের নিখুঁত প্রতিমূর্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । নিজের সবকিছুই জনগণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন । নিজের জন্যকিছুই চাইতেন না । অপরের দুঃখ-কষ্ট তাঁকে সর্বদাই আবেগাপ্লুত করত । এক জনসভায় বক্তৃতা কালে তিনি বলেছিলেন, "একজন মানুষ আর কী চাইতে পারে- আমি যখন ভাবি দূরে এক জনশূন্য পথের ধারে আলো-ছায়ায় এক লোক লণ্ঠন হাতে দাঁড়িয়ে আছে শুধু আমাকে এক নজর দেখবে বলে, তখন মনে হয়, একজন মানুষের পক্ষে আর কী চাওয়া-পাওয়ার থাকতে পারে ।" অবহেলিত, বঞ্চিত, নিগৃহীত, অত্যাচারিত প্রতিটি মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ছিল প্রগাঢ় ভালোবাসা । সেটি প্রতিফলিত হয়েছে, তাঁর প্রতিটি কর্মে এবং চিন্তায় ।

তিনি শুধুই যে বাঙালির জন্য ভাবতেন তা নয় । তার চিন্তা-চেতনা-বোধ ছিল বিশ্বজনীন । ইনিই তো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যিনি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয়েও সরকারি বাসভবনে থাকতেন না । খুব সাধারণ ৩২ নম্বরের বাড়িটিতেই আমৃত্যু থেকেছেন । ধানমন্ডিতে যখন প্লট বরাদ্দ দেয়া হয় তখন ভালো একটি প্লট নেয়ার জন্য সবার শত অনুরোধ সত্ত্বেও বলেছিলেন, "আগে সবাইকে দাও, তারপর যদি থাকে তখন দেখা যাবে ।" আবার বঙ্গবন্ধুই ১৯৭৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে বক্তৃতায় বলেছিলেন, "বিশ্ব আজ দু'ভাগে বিভক্ত শোষক আর শোষিত; আমি শোষিতের পক্ষে ।"

বঙ্গবন্ধু এমন বিশাল হৃদয়ের মানুষ ছিলেন যার হৃদয়তলে আমরা দাঁড়াতে পারি, কিন্তু সমকক্ষ হতে পারি না কেউ ।ইতিহাসে অনেক নন্দিত নেতার নাম আছে, কেউ কি আছেন মানব কল্যাণে এত বিস্তৃতভাবে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন । খুঁজে দেখুন একজনও পাবেন না । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই অমর অবিসংবাদিত সেই সংগ্রামী নেতা যিনি বলেন, 'একজন মানুষ হিসাবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি ।একজন বাঙালি হিসাবে যা কিছু বাঙালিদের সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায় । এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা - অক্ষয় ভালোবাসা- যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে ।'

১৯৭১ সালের ৫ই এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউজউইক পত্রিকা শেখ মুজিবুর রহমানকে “রাজনীতির কবি” বলে আখ্যায়িত করে লিখেছিলেন, “তিনি লক্ষ লক্ষ মানুষকে আকর্ষণ করতে পারেন, সমাবেশে এবং আবেগময় বাগ্মিতায় তরঙ্গের পর তরঙ্গে তাঁদের সম্মোহিত করে রাখতে পারেন । তিনি রাজনীতির কবি ।” পুরোবিশ্ব তাঁর মাহাত্ম্য উপলব্ধি করেছে । বিশ্বব্যাপী তাঁর মানবতার জয়গান শোনা যায় । কারণ, তিনি বাংলার জন্যই শুধু ভেবেছেন তা নয় । তিনি বলতেন, দুনিয়ার যেখানেই মজলুম মানুষ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবে, আমরা নিশ্চয়ই তার পাশে গিয়ে দাঁড়াবো ।

কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে জোট-নিরপেক্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিত্বকে হিমালয় পর্বতমালার সাথে তুলনা করে বলেন, ' আই হ্যাভ নট সিন দ্য হিমালয়েজ । বাট আই হ্যাভ সিন শেখ মুজিব । ইন পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন কারেজ, দিস ম্যান ইজ দ্য হিমালয়াজ। আই হ্যাভ হ্যাড দ্য এক্সপিরিয়েন্স অব উইটনেসিং দ্য হিমালয়েজ ।' ২০০৪ সালের বিবিসি বাংলা সারা বিশ্বে জরিপ চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে নির্বাচিত করে । ২০১৯ সালের ১৬ আগস্ট জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে কূটনীতিকেরা তাকে ‘ফ্রেন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড' আখ্যা দেয় । বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও ক্যুরি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে ।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যা করা হয় । যারা হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তারা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে বাংলার মাটি থেকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলবে । কিন্তু চক্রান্ত কারীরা জানে না, বঙ্গবন্ধু কখনো মরেন না । সেদিন বঙ্গবন্ধুর শরীর থেকে যে রক্ত ওরা ঝরিয়েছে সেই রক্তেই আবার নতুন করে জন্ম নিয়েছে বাংলাদেশ । হন্তারকের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের দেহ থেকে রক্ত গ‌ড়ি‌য়ে গ‌ড়ি‌য়ে বাংলার অবারিত প্রকৃ‌তি, প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি শ্বাসে-প্রশ্বাসে আরও বেশি করে জে‌গে উ‌ঠেছেন তিনি ।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে হলে, প্রকৃত দেশপ্রেম নিয়ে সচেতনতার সঙ্গে আমাদের সকলকে দেশের জন্য কাজ করতে হবে । সেটাই হবে জন্মশতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা ওসম্মান প্রদর্শনের শ্রেষ্ঠ উপায় । প্রতিটি ভোরেই তাঁর তেজ, সাহসিকতার সূর্য ওঠে পৃথিবীতে ।প্রতিটি কল্যাণের চিন্তার মধ্যে থাকেন মহৎপ্রাণ শেখ মুজিবুর রহমান । বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে তিনি প্রতিটি শুদ্ধচর্চায় বেঁচে থাকবেন অন্ততকাল । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো মৃত্যু নেই, তিনি শুধুই জন্ম নেন, প্রতি মুহূর্তে মুহূর্তে ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ থেকে আজকের ১৭ই মার্চ পর্যন্ততিনি জন্মেছেন, জন্মে যাবেন, জন্মাতেই থাকবেন যতদিন পৃথিবীতে শুভ কর্ম ও চিন্তার জন্ম থাকবে । মানু‌ষের মঙ্গল ও শুভচিন্তার কুঁড়িতে তাঁর অবস্থান । কুঁড়ি প্রস্ফুটিত মানবতার ফুলেমর্ত্যে সর্বক্ষণ হেসে থাকেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।

বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, পৃথিবীর ইতিহাস যত দিন থাকবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একইভাবে প্রোজ্জ্বলিত হবেন প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে, প্রতিটি মুক্তিকামী, শান্তিকামী, মানবতাবাদীর হৃদয়ে । বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন চিরকাল বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে- পথ দেখাবে । বাঙালি জাতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতাও ভালোবাসায় বাংলাদেশের ইতিহাস বিনির্মাণের কালজয়ী এ মহাপুরুষকে চিরকাল স্মরণ করবে ।

আজকের এই ১০২তম জন্মদি‌নে গভীর শ্রদ্ধা জানাই বাঙা‌লিরমু‌ক্তির মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

লেখকঃ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলা‌দেশ আওয়ামী লীগ।

13/11/2021

💝💝এসএসসি ২০২১💝💝
পরীক্ষার আগের রাতে করনীয় কি?
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷
আমাদের অনেকের মাঝে পরীক্ষার আগে অনেক ভয় ভীতি কাজ করে যে পরীক্ষা কেমন দিব, কি হবে ইত্যাদি । তো আজ আমি কিছু টিপস নিয়ে আলোচনা করব যা তোমাদের পরীক্ষার আগের রাতে ভালো প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে ।✍️✍️✍️✍️✍️✍️
(আমার বিষয় আমি প্রথমে বলি, আমার এসএসসি আমি বেশি পড়ি নাই,, আমার পরীক্ষা আগে আমি একটা

🟣আত্ববিশ্বাস : প্রথম যে জিনিষ টা প্রয়োজন তা হল আত্ববিশ্বাস । তোমার মনের মাঝে এটা বিশ্বাস থাকতে হবে যে তুমি পারবে । তোমার মনের ভিতর থেকে সকল ভয় ভীতি দুর করতে হবে । অনেকে আছে যারা এই প্রথম ধাপ টাই পার করতে পারে না ,তাই তোমাকে আত্ববিশ্বাসী হতে হবে ।👍

☑️✅পুষ্টিকর খাবার খাওয়া : পরীক্ষার আগে বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত যেমন বিভিন্ন ফলমুল আপেল , কমলা , কলা, দুধ কিংবা বাদাম যেগুলো তোমাকে শক্তি দিবে এবং তোমাকে পড়াশোনোতে ফোকাস করতে সাহায্য করবে । গ্রিন টি পান করতে পার এটি তোমাকে বেশী মনোযোগী হতে সাহায্য করবে ।

☑️☑️✅এলার্ম সেট করা :
পরীক্ষার আগের রাতে অন্যতম একটা গুরুত্বপূর্ন কাজ হল এলার্ম সেট করা । তুমি সকাল বেলা কয়টায় উঠবা তা এলার্ম দিয়ে ঠিক করে রাখাও একটা গুরুত্বপুর্ন কাজ এছাড়াও পড়ার বিভিন্ন ধাপকে তুমি এলার্ম দিয়ে ভাগ করে দিতে পার যেমন, তুমি কয়টায় ঘুমাতে যাবে কিংবা কয়টায় খাবার খাবে ইত্যাদি । এমন এলার্ম সিস্টেম ব্যাবহার করবে যাতে তুমি ঠিক ভাবে উঠতে পারবে এবং যার সাউন্ড খুব কমও না হয় এবং যেন খুব বেশীও না হয় অর্থাৎ যেটাতে তুমি Comfortable ফিল কর ।👍👍

✅✅✅✅পরীক্ষার সব জিনিষপএ ঠিক করে রাখা :
পরীক্ষার আগের রাতেই তোমার সকল জিনিষপএ মানে পরীক্ষা কেন্দ্রে তোমার যা যা লাগবে তা সব ঠিক করে রাখা । যেমন , কলম খাতা , পেন্সিল , ইরেজার , ক্যালকুলটর ইত্যাদি । এতে সকাল বেলা তুমি পড়াশোনা কিংবা রিভাইস এর জন্য বেশী সময় পাবে ।
এখন ‍তুমি পড়াশোনা শুরু করার জন্য রেডি ….

▶️চ্যাপ্টার লিস্ট করা : তুমি যা যা পড়বে সকল চ্যাপ্টার এক যায়গায় লিস্ট করো এতে তোমার সুবিধা হল যে তুমি এক সিরিয়াল অনুযায়ী পড়তে পারবে এবং তুমি বুঝতে পারবে যে তুমি কতটুকু পড়লে । পরবর্তীতে তুমি নিজেকে যাচাইও করতে পাবে ।

✅✅প্রথম থেকে শুরু করা : একদম প্রথম খেকে শুরু করুন আপনার সিলেবাস এর টপিক গুলো । বেসিক থেকে শুরু করতে পারো এতে তোমার আত্ববিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে । এবং তোমার পড়তেও সুবিধা হবে ।

✅✅✅✅মনে রাখার চেষ্টা না করে বোঝার চেষ্টা করা ঃ আমরা অনেকেই না বুঝে মনে রাখার চেষ্টা করি অর্থাৎ মাথায় স্টোর করে রাখার চেস্টা করি । এতে করে বেশী টপিক হলে আমরা উল্টা পাল্টা করে ফেলি তাই কোন কিছু মনে রাখার চেষ্টা না করে বোঝার চেষ্টা করতে হবে ।
🟣মুখস্থ না করা এবং বুঝে পড়ার চেষ্টা করা ‍উচিত ।

🟣কোন কিছু না বুঝলে বাদ দেওয়া :
তোমাকেে বুঝতে হবে যে তোমার হাতে অনেক কম সময় আছে । তুমি যদি নুতুন কিছূ পড়া শুরু করো তাহলে তুমি পড়া কমপ্লিট করতে পারবে না অর্থাৎ তুমি কনফিউজ হয়ে যাবে এবং এতে অনেক সময় নষ্ট হবে । তাই আগে যা পড়েছো তাই পুনরাবৃতির কর । এবং যদি তুমি পূর্বের পড়া কমপ্লিট করতে পারো নিদৃষ্ট সময়ের পূর্বে, তাহলে তুমি নতুন টপিক শুরু করতে পারো । তবে হ্যা এটা তখনই করবে যখন তুমি তোমার পূর্বের পড়া কমপ্লিট করতে পারবে ।

🟣পড়ার মাঝে ব্রেক নেওয়া : একটানা না পড়ে পড়ার মাঝে কিছুক্ষন ব্রেক নেওয়া উচিত ।

✅✅✅পড়ার পাশা পাশি লিখে রাখা : কি পয়েন্ট বা গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট গুলো তুমি লিখে রাখতে পার । এতে তোমার মনে রাখতে সুবিধা হবে এবং পরবর্তীতে হালকা চোখ বুলিয়ে নিলেই তোমার রিভাইস হয়ে যাবে ।

☑️☑️▶️গুরুত্বপূর্ন টপিক মার্ক করে রাখা : গুরুত্বপূর্ন টপিক গুলো মার্ক করে রাখতে পার এতে তোমার বুঝতে সুবিধা হবে । এজন্য আন্ডার লাইন করে রাখতে পার অথবা বিভিন্ন কালারের মার্কার ব্যাবহার করতে পারো ।
✅✅✅প্রচুর পানি পান করা : পড়ার মাঝে প্রচুর পানি পার করতে পারো এটি তোমাকে রাতে জেগে থাকতে সাহায্য করবে এবং এতে আরও একটি সুবিধা পাবে তা হল এটি তোমাকে গ্যাস কিংবা পেটে ব্যাথা থেকে দুরে রাখবে ।

🟣সোস্যাল মিডিয়া থেকে দুরে থাকা :
বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, টুইটার কিংবা ইউটিউব থেকে দুরে থাকা উচিত । নিজেকে কন্ট্রোল করাটাই বড় কথা ।

✅✅✅ রাতে পরিমান মত ঘুমানো :
পড়া শেষ হলে দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করা এবং সর্ব নিম্ন ৪ থেকে ৫ ঘন্টা ঘুমানো । এতে করে সকালে তোমার মনটা ফ্রেশ থাকবে এবং সকালে পড়া রিভা্ইস দিতে পারবে এবং ভাল পরীক্ষা দিতে পারবে । অনেকে প্লান করে সারা রাত জেগে পড়াশোনা করার এতে করে যে সমস্যা হয় যে সে সারা রাত পড়াশোনা করে এবং সকালে ঘুম ঘুম অবস্থায় পরীক্ষা দিতে যায় এবং সব উল্টা পাল্টা করে ফেলে । তাই সারা রাত পড়াশোনা করা একটা খারাপ আইডিয়া।

সর্বশেষ কথা হল চিন্তা না করে রিলাক্স করা ।
ধন্যবাদ সকলকে। দোয়া ও শুভকামনা সবার জন্য।
আল্লাহ হাফেজ।

05/08/2021

যাদের টু লাইকে একাউন্ট লগইন করতে বুঝেন না

07/04/2021

ডায়লগের মায়ের বাপ

06/04/2021

Address

Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jak's journal-শুটিং মিডিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jak's journal-শুটিং মিডিয়া:

Share