Hasan's world

  • Home
  • Hasan's world

Hasan's world Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hasan's world, Photographer, .

17/12/2025

পড়ন্ত বিকেলে এক কাপ রং চায়ের তুলনাই হয় না

Big shout out to my newest top fans! 💎 MD HasnainDrop a comment to welcome them to our community,
17/12/2025

Big shout out to my newest top fans! 💎 MD Hasnain

Drop a comment to welcome them to our community,

14/11/2025

#গল্প

ছোটবেলা থেকেই একটা জিনিস আমার চোখে পড়তো —
আমার বাবা-মা কখনও একে অপরের সঙ্গে কথা বলেন না।

একই ঘরে থাকেন, একই বিছানায় ঘুমান, কিন্তু শব্দহীন জীবন। সব কিছুই যেন বোঝাপড়ার চেয়ে অভ্যেসে পরিণত হয়ে গেছে।

আমি তখন স্কুলে পড়ি। একদিন সাহস করে বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম —
“বাবা, তুমি মায়ের সাথে কথা বলো না কেন #?”
বাবা কিছুক্ষণ চুপ থেকে শুধু বলেছিলেন,
“একদিন সব বুঝবি।”

সেই ‘একদিন’-টা আজও আমার জীবনে আসে নি।

মায়ের কাছেও একই প্রশ্ন করেছিলাম।
মা হালকা হেসে বলেছিলেন, “সব গল্প সময় হলে নিজেই শুনে যাবি।”

বয়স বাড়ছিল, প্রশ্নও বাড়ছিল।
তবু তাদের নীরবতা যেন পাথর হয়ে বসেছিল সংসারের বাতাসে।

একদিন বাবাকে বললাম, “বাবা, আমি বিয়ে করতে চাই।”
বাবা শুধু একবার তাকিয়ে মুচকি হাসলেন, কোনো উত্তর দিলেন না।

মায়ের কাছেও বললাম একই কথা।
মা কিছু না বলে হাঁটতে হাঁটতে রান্নাঘরে চলে গেলেন।

মনে কেমন অদ্ভুত এক শূন্যতা নিয়ে শুয়ে ছিলাম।
কিছুক্ষণ পর বাবা এসে আমার মাথায় হাত রাখলেন।

বললেন, “একটা গল্প শুনবি?”

আমি অবাক হয়ে উঠে বসলাম।
“কোন গল্প, বাবা?”

বাবা হালকা নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন,
“তোর মায়ের সাথে কথা না বলার গল্প।”

আমি নিঃশব্দে বসে পড়লাম, যেন এক অজানা অধ্যায়ের দরজা খুলতে যাচ্ছে।

বাবা ধীরে ধীরে বলতে শুরু করলেন —

“আমাদের বিয়ের কয়েক মাস পরের ঘটনা।
দুপুরে টিভিতে একটা রোমান্টিক মুভি দেখছিলাম — ইমরান হাশমি আর ঐশ্বরিয়া রায়ের ছবি।

তোর মা এসে বললো,
‘এই মুভিগুলো থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করো, কেমন করে স্ত্রীকে ভালোবাসতে হয়।’

আমি তখন মুভির মধ্যে ডুবে আছি। হঠাৎ বাধা পেয়ে বিরক্ত হয়ে গেলাম।

তোর মা আবার বললো,
‘দেখো না! লোকটা কত যত্ন করে, কত ভালোবাসে তার স্ত্রীকে!’

আমি চুপ করে ছিলাম, কিন্তু তৃতীয়বার যখন একই কথা বললো,
তখন নিজের অজান্তেই বলে ফেললাম —
‘এই ইমরান হাশমির একেকটা “ভালোবাসা”র দৃশ্যের জন্য লাখ লাখ টাকা নেয়, তুমি জানো?’

তোর মা একদম আগুন হয়ে গেলো।
একটার পর একটা কথা বলেই যাচ্ছিল।
শেষ পর্যন্ত এত ঝগড়া হলো যে আমি রাগ করে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলাম।

কিছুক্ষণের মধ্যেই ফোন এলো —
তোর মা নাকি বি*ষ খেয়েছে!

দৌড়ে বাসায় ফিরে দেখি, ও অজ্ঞান হয়ে আছে।
হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।
ডাক্তার বললো, ‘বাঁচবে, চিন্তা নেই।’

ভেতরে ঢুকতেই ও আবার শুরু করলো —
‘আমার মরার মুখ দেখার শখ মিটলো এবার?’

আমি চেষ্টা করছিলাম শান্ত করতে, কিন্তু ও শুনছে না কিছুই।
তখন আমি হালকা রসিকতার সুরে বললাম,
‘তুমি ভেজাল জিনিসে বিশ্বাস করো বলেই আজ এই দশা! এত টাকা খরচ করে যে বি*ষ কিনলে, সেটাও ভেজাল!’

ডাক্তার এসে আমাদের থামালো।
বললো, ‘আপনারা দুজনেই একে অপরের কাছে সরি বলেন।’

কিন্তু তোর মা সরি বলবে না,
আমিও না।

তখন ডাক্তার বললো,
‘তাহলে ঠিক হলো — যিনি আগে কথা বলবেন, তিনিই প্রথমে সরি বলবেন।’

সেদিন হাসপাতালের বিছানায় আমরা দুজনেই নীরব হয়েছিলাম।
তারপর থেকে আজ অবধি... সেই নীরবতা চলছে।

কারও মুখে প্রথম ‘সরি’ শব্দটা আর বেরোয়নি।”

বাবা থেমে গেলেন।
রুমটা নিঃশব্দ। শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস ঘুরপাক খাচ্ছে বাতাসে।

আমি বাবার দিকে তাকিয়ে বললাম,
“তাহলে এই এত বছর শুধু ‘সরি’ না বলার কারণে... তোমরা কথা বলো না?”

বাবা ধীরে মাথা নিচু করে বললেন,
“ভালোবাসা অনেক সময় শব্দে হারিয়ে যায় বাবা। আমরা দুজনেই হেরে গেছি এক শব্দের কাছে।”

তাই বলবো একটা ছোট্ট ইগো মানুষের জীবনের সব কিছু শেষ করে দেয় তাই একে অপরের কাছে কেউ একজন আগে অভিমান না রেখে কথা বলে মিটিয়ে নেওয়া ই ভালো এইতো ছোট্ট জীবন কি হবে এত কিছু মনে রেখে

সংগৃহীত

10/11/2025
বিকেলের নাস্তায় আলু পুরির তুলনা হয় না।
27/09/2025

বিকেলের নাস্তায় আলু পুরির তুলনা হয় না।

23/05/2025

ইনকামে বরকত পাচ্ছি না—এই অভিযোগ নিয়ে একদিন আমি গেলাম আমার প্রিয় এক উস্তাদের কাছে। তিনি শুধু একজন মেন্টর নন, আমার আত্মিক শান্তির ঠিকানা। কোনো দ্বিধা, দুশ্চিন্তা, কিংবা ভেতরের গ্লানিতে আক্রান্ত হলে, তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বললেই মনে হয় মনের আকাশে যেন আলো ফোটে।

সেদিনও ঠিক তেমন এক অস্থির বিকেলে তার সঙ্গে দেখা করতে গেলাম।

উনি আমাকে কোনো কিছু না বলেই একটি গরম পানিতে ডোবানো টি-ব্যাগ এগিয়ে দিলেন—দুধ নেই, চিনি নেই। শুধু চায়ের কষ্ট-সাহিত্য ভেজা সেই পানির কাপে তাকিয়ে আমি চুপচাপ বসে রইলাম।

উনি হালকা হাসিমুখে বললেন, “তানভীর, কেমন আছো?”

আমি একটু আড়ষ্ট হয়ে উত্তর দিলাম, “উস্তাদ, আজ একটু কনফিউজড লাগছে…”

উনি গভীরভাবে আমার চোখের দিকে তাকালেন, কিছুক্ষণ। তারপর চায়ে এক চুমুক দিয়ে বললেন, “কি নিয়ে পেরেশানিতে আছো?”

আমি একটু নিচু গলায় বললাম, “উস্তাদ, আমার ইনকাম নিয়ে আমি দ্বিধায় আছি। সৎ পথে রোজগার করি, শতভাগ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করি। কিন্তু কেন যেন মনে হয়, এত বছরের পরিশ্রমের পরও—আয়ে বরকত নেই।”

উনি মন দিয়ে শুনলেন। তারপর শান্ত গলায় প্রশ্ন করলেন, “এমনটা মনে হচ্ছে কেন?”

আমি বললাম, “সেভিংস হচ্ছে না, উস্তাদ। আয় যেমন বাড়ছে, খরচও তেমনি। যেন এক অদৃশ্য চাকা সব টেনে নিচ্ছে।”

উনি হঠাৎ আমার ডান হাতটা নিজের হাতে নিলেন। চোখে চোখ রেখে বললেন, “তোমার খরচগুলো কী নিয়ে বাড়ছে?”

আমি বললাম, “বাচ্চাদের ভালো স্কুলে পড়ানো, টিচারদের খরচ, কিছু অস্বচ্ছল আত্মীয়-স্বজনের দায়িত্ব।”

উনি জিজ্ঞেস করলেন, “তানভীর, তুমি কি মনে করো, ব্যাংকে টাকা জমা বাড়লেই সেটা বরকত?”

আমি কিছু বলি না। মাথা নিচু।

“তোমার সন্তানরা কি ভালো স্কুলে পড়ছে না?”
“হ্যাঁ, উস্তাদ।”
“ওরা কেমন? উচ্ছৃঙ্খল? কথা শোনে না?”
“না, খুব ভদ্র। লক্ষ্মী।”

উনি হাসলেন, “তাহলে এটাও তো বরকত। কয়জন বাবা-মা পারে এমন স্কুলে সন্তানকে পড়াতে? লক্ষ্মী সন্তান কি কম নেয়ামত?”

আমি মাথা নাড়ি।

“গত কিছু বছরে পরিবারের কেউ বড় অসুস্থ হয়েছিল?”
“না উস্তায, আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো। স্ত্রীর হালকা অসুস্থতা ছাড়া…”
“হাসপাতালে ভর্তি?”
“না, দরকার হয়নি। সুস্থ হয়ে গেছে।”
“এটাও তো বরকত তানভীর!”

উনি এবার গলা একটু নিচু করে বললেন, “তোমার স্ত্রী কেমন মানুষ?”
“অসাধারণ উস্তাদ। উন্নত চরিত্রের, যত্নশীল। শুধু আমার না, আমার পরিবার, আত্মীয়, সবার প্রতি।”
“আর কী বরকত চাই, তানভীর? এমন জীবন সঙ্গী কি সহজে মেলে?”

আমার চোখে পানি এসে যায়।

উনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার বাবা-মা?”
“মা নেই উস্তাদ, মা আছেন। আমার সাথেই থাকেন।”
“এই যুগে মা কে নিজের সাথে রাখার সৌভাগ্য কয়জনের হয়, জানো? এ যে আকাশ ছোঁয়া বরকত!”

আমি কিছু বলতে পারি না। উনি আমাকে বুকে টেনে নেন। মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন—

“জীবনে শুধু টাকা-পয়সা জমলেই যে বরকত, তা নয় তানভীর।
সুস্থ থাকা বরকত।
সন্তানের সাফল্য বরকত।
স্ত্রীর ভালোবাসা বরকত।
আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিতে পারা বরকত।
মায়ের মুখ দেখতে পারা বরকত।
জ্ঞান ও হেদায়েতের আলো পাওয়া বরকত।
বরকতের সংজ্ঞা শুধু সংখ্যা না, হৃদয়ের প্রশান্তি।”

আমি চুপচাপ নিচে নেমে আসি। বিদায় নিই।

গাড়িতে উঠে সানরুফ খুলে দিই। সেদিন পূর্ণিমা। রূপালী আলোয় ভেসে যাচ্ছে আকাশ। আমি দাঁড়িয়ে পড়ি, দু’হাত তুলে আকাশের দিকে তাকাই। চোখ বন্ধ করি।

মনে হয়—জীবনের সব বরকত, সমস্ত নেয়ামত আমাকে ছুঁয়ে আছে। শুধু হিসেবটা বোঝার জন্য একটু ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দরকার ছিল…

-সংগ্রহীত।

অজগরটি রাজ গোখরো কে শ্বাসরোধ করে মারল, আর রাজ গোখরো অজগরকে কামড় দিল। দুই সাপই মারা গেল—একজন শ্বাসরোধে, আর অন্যজন বিষক্রি...
17/05/2025

অজগরটি রাজ গোখরো কে শ্বাসরোধ করে মারল, আর রাজ গোখরো অজগরকে কামড় দিল। দুই সাপই মারা গেল—একজন শ্বাসরোধে, আর অন্যজন বিষক্রিয়ায়।

এভাবেই মানুষ একে অপরকে ধ্বংস করে। বন্ধুত্ব শেষ হয়, সম্পর্ক ভেঙে যায়, পরিবার গুলো নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করে—শুধু একজন আরেক জনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে চাওয়ার জন্য।

কেউ কেউ অহংকার দিয়ে অপরকে "দমিয়ে" রাখে, আর অন্যরা ঈর্ষা, গুজব আর প্রতারণার বিষ ছড়িয়ে ধ্বংস ডেকে আনে।

আল্লাহ সবাইকে বুঝ দান করুক।

01/04/2025
পরিবেশটা অনেক সুন্দর না
08/02/2025

পরিবেশটা অনেক সুন্দর না

Address


LAKSHAM

Telephone

+8801712936232

Website

http://www.youtube.com/@habibulhasan6428

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasan's world posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hasan's world:

  • Want your business to be the top-listed Photography Service?

Share