22/03/2026
বাড়ির "লেদু চাচাকে" দেখতে গিয়েছিলাম এই রমজানের কদরের রাতে--
খান বাহাদুর বাড়ি, বৈলছড়ি, বাঁশখালীর এই মানুষটিকে আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি—নিঃশব্দে, নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া একজন প্রকৃত মানুষ। তিনি শুধু একজন কর্মী ছিলেন না, তিনি এই বাড়ির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, এক নিঃস্বার্থ অভিভাবকের মতোই ছিলেন সবসময়।
তার হাতের পরিশ্রম, তার ঘামের বিনিময়ে এই বাড়ির প্রতিটি ইট, প্রতিটি কোণ যেন তার ঋণী। কত কাজ, কত দায়িত্ব, কত কষ্ট—সবকিছু তিনি এমনভাবে সামলেছেন, যেন এগুলো তার নিজের দায়িত্ব, নিজের পরিবারের জন্যই করছেন। কোনো অভিযোগ ছিল না, ছিল না কোনো ক্লান্তির প্রকাশ—শুধু ছিল দায়িত্ববোধ আর আন্তরিকতা।
আজকের দিনে এমন মানুষ খুবই বিরল—যিনি নিজের স্বার্থের কথা না ভেবে অন্যের জন্য এতটা নিবেদিত থাকতে পারেন। তিনি প্রমাণ করে গেছেন, একজন মানুষ কতটা মহান হতে পারেন শুধুমাত্র তার কাজ আর মনোভাবের মাধ্যমে।
জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যদি কোনো কারণে তিনি আমাদের বাড়ির বাইরে থাকেন, তবুও আমাদের দায়িত্ব এখানেই শেষ হয়ে যায় না। বরং এই সময়টাতেই আমাদের উচিত তার পাশে দাঁড়ানো, তাকে সম্মান দেওয়া, তাকে সাহায্য করা। কারণ, তিনি শুধু একজন কর্মচারী নন—তিনি আমাদের পরিবারেরই একজন।
এই বাড়ির এমন মানুষ খুব কমই আছে যারা তাকে চেনেন না। তার পরিচয় শুধু কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—তার পরিচয় হলো ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা আর ত্যাগের প্রতীক।
আজ আমরা তার জন্য অসীম দোয়া করি—আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ রাখেন, শান্তিতে রাখেন এবং তার জীবনের প্রতিটি কষ্টের বিনিময়ে উত্তম প্রতিদান দান করেন। 🤲
তার প্রতি আমাদের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা কখনোই শেষ হবে না। এই বাড়ি চিরকাল তার কাছে ঋণী হয়ে থাকবে—তার পরিশ্রমের জন্য, তার ভালোবাসার জন্য, এবং তার নিঃস্বার্থ অবদানের জন্য।
এমন মানুষরা হারিয়ে যায় না—তারা থেকে যান স্মৃতিতে, ভালোবাসায়, আর শ্রদ্ধার স্থানে চিরকাল।