Dhwoni Diary

Website

Dhwoni Diary সবার আগে কুসুম-বাগে উঠব আমি ডাকি। ধ্বনি।

আহা মানুষ  কতরকম চেষ্টাই না করে। বাসে পাশের সিটে বসে যুবকটা বলল, ভাই ও ভাই।এমনভাবে ডাকলো যে, মনে হলো নিজের ভাই।হ্যাঁ, বল...
03/10/2026

আহা মানুষ কতরকম চেষ্টাই না করে। বাসে পাশের সিটে বসে যুবকটা বলল, ভাই ও ভাই।
এমনভাবে ডাকলো যে, মনে হলো নিজের ভাই।
হ্যাঁ, বলুন।
আমাকে কি আপনার সিটে বসতে দেবেন একটু? আপনি আমার সিটে বসলেন নাহয়! অসুবিধা হবে ভাই?

এমন আকুতি নিয়ে অনুরোধ করে কেউ! যুবকটার চোখ লাল। শরীরে ক্লান্তি। কোলে ব্যাগ। জামাকাপড়ের। হাতে কিছু সার্টিফিকেট, এডমিট কার্ড। পরনে পুরনো শার্ট। তবে হাতে ঘড়ি।
বললাম, কেন?
বলল, সরি ভাই কাল সারারাত ট্রেনে একরকম দাঁড়ায় আসছি ঢাকা। রেস্ট পাইনি। শরীরটা কেমন যেন লাগছে। আপনার সিটের উপর ফ্যান আছেতো তাই বলছিলাম। ভুল হইলো ভাই বলা উচিত হয়নাই।

এমন আবদার কেউ করবে না সাধারণত। অভদ্রতা বটে।
তবুও আমার বিরক্ত লাগলো না। সিট অদল বদল করলাম।
যুবকটা বলল, ধন্যবাদ ভাই। খুব উপকার হলো।
সামান্য সিট অদল বদলে কী এমন উপকার হয় মানুষের বুঝে পেলাম না।

তার হাতে বাটন ফোন। কল এলো। ধরেই বলল, মা কাল সকাল হয়ে যাবেনি বাড়ি পৌঁছতে। ছয়টার গাড়ি মিস করছি। ৭টায় উঠবো।
চিন্তা করো না। আমি খাইছি ভাত। তুমি ঘুমায় পইড়ো কিন্তু।
ফোন রেখে যুবকটা বলল, ভাই আপনার অসুবিধা হচ্ছে তাই না?
বললাম, অলরাইট। তা ঢাকায় এসেছেন কেন?

বলল, দুইটা পরীক্ষা ছিলতো। নেভিতে একটা। আরেকটা ভূমিতে।

বাড়ি কোথায়? বলল, ঠাকুরগাঁও। আসলে কাল সারারাত জার্নিতো। ঘুমাতে পারিনি।

তা আর একদিন আগেই আসতেন।
বললেন, আসা যাইতো। কিন্তু ঢাকায় ওভাবে তেমন কেউ নাইতো। যারা আছে তাদের বাসার যাওয়াটা কেমন দেখায়। বিরক্ত হয় একটু মনে হয়। এজন্য ভাবলাম একদিনইতো ব্যাপার না। আমারতো সমস্যা নাই। মা খালি চিন্তা করে।

যুবকটা যে সহজ সরল বোঝাই যায়।

যুবকটা গত কয়েক বছর ধরে ট্রাই করছে একটা চাকরির। তার বিশ্বাস পাবেই সে। কখনো ঘুষ বা অবৈধ চিন্তা করেনি।
বড় দুই বোনের বিয়ে দিয়েছে। অল্প একটু জমি আছে। সেটাই চাষ করে। পুরো সংসার তাকে চালাতে হয়।
বলল, বাবা মা/রা যাওয়ার পর টানা দুই বছর খুব কষ্ট হইছে ভাই সংসার সামলাতে। মায়ের চিকিৎসা করতে হয়। অনেক খরচ।
ছোট একটা কাজ পাইছি। এখন আর খুব সমস্যা হয়না। এখন পড়ার একটু সময় পাই। তাই আবার চেষ্টা করতেছি চাকরির পরীক্ষা দেয়ার। দেখা যাক আল্লাহ ভরসা। চাকরিটা হইলে আরেকটু সচ্ছল ভাবে চলতে পারব।

বিরক্তিকর তবুও প্রশ্ন করলাম। বললাম, অল্প একটু জমি আছে বললেন, তা অর্ধেক বেচে দিয়ে ব্যবসা করা যায় না!
জিবে কামড় কাটলো।
বলল, আব্বা অনেক কষ্টেও এই জমি বেচেনি। আমি বেচব কিজন্য। আর আমার দুই বোনকেও একটু দিতে হবে।
বেচলে তারা না করবে না যদিও। তবুও আমি বেচবো না। আমি একটা চাকরি পেলে ইনশাআল্লাহ অর্ধেক জমি মাকে আর অর্ধেক দুই বোনকে দিয়ে দেব। ভাই হিসেবে তাদের প্রতি আমার একটা দায়িত্ব আছে না ভাই!
তারা যেন আফসোস না করে।

বাস আসাদগেট এলো। আমিও গাবতলি নামবো। কিন্তু এখানেই নেমে পড়লাম।
সে দুইটা সিট মিলে একটু আরামে বসুক।

ভালো থাকেন ভাই, দুই সিটই আপনার। হেলান দিয়ে বসুন।
ছেলেটা বড্ড সহজ সরল। সিট থেকে উঠে দরজার কাছে এসে বলল, ভাই দুই সিটের ভাড়া কত দেব হেল্পারকে!
হাত নেড়ে বললাম, দিতে হবে না। দেয়া আছে দুটারই।

মুখে হাসি তার। শুধু বলল, দোয়া কইরেন ভাই এবার মনে হচ্ছে চাকরি হবেই একটা। আমার মায়েরও দোয়া আছে সাথে। মায়ের জন্য দোয়া চাই ভাই।

আহ কী সুন্দর ছেলেটা! এরাই সফল হবে একদিন।

"ফলবতী বৃক্ষ নত হয়, নত হয় গুণীজন, নত হয় না শুধু শুষ্ক বৃক্ষ আর মূর্খরা।"ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
28/09/2026

"ফলবতী বৃক্ষ নত হয়, নত হয় গুণীজন, নত হয় না শুধু শুষ্ক বৃক্ষ আর মূর্খরা।"

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।


'ভাঙতে ভাঙতে আমরা বেশ ভালোই ভাঙতে শিখেছি।মূর্তি ভাঙি,বাড়ি ভাঙি,দোকান ভাঙি,হাসপাতাল ভাঙি,মানুষের স্বপ্ন ভাঙি।যা আমার নয়, ...
28/09/2026

'ভাঙতে ভাঙতে আমরা বেশ ভালোই ভাঙতে শিখেছি।
মূর্তি ভাঙি,
বাড়ি ভাঙি,
দোকান ভাঙি,
হাসপাতাল ভাঙি,
মানুষের স্বপ্ন ভাঙি।
যা আমার নয়, তা ভাঙি।
যা আমার বিপক্ষে, তা ভাঙি।
যা দখল করতে চাই, সেটাও আগে ভাঙি।
আইন পছন্দ না হলে আইন ভাঙি।
ইতিহাস পছন্দ না হলে ইতিহাস ভাঙি।
মত পছন্দ না হলে মানুষ ভাঙি।
ভাঙতে ভাঙতে এখন ভাঙাটাই আমাদের অভ্যাস।
ভাঙাটাই আমাদের ভাষা। ভাঙাটাই আমাদের শক্তির প্রমাণ।
আজকে তোমার,
কালকে আমার,
চলছে ভাঙার রেশ।
আহা বেশ বেশ,
এমনি করে ভাঙতে ভাঙতে
দেশটা করেছি শেষ।'

- লিখেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত


20/09/2026

থানার ডিউটি অফিসার আমাকে বলেছিলেন, চব্বিশ ঘণ্টা দেখেন। বাচ্চা রাগ কইরা কোথাও হয়তো গেছে, ঠিকই ফিরা আসবো।

আমার ছেলে ফিরেছিলো।

ঠিক একচল্লিশ দিন পর। আমার দোকান থেকে সাতশো গজ দূরের একটা আধাপাকা বিল্ডিংয়ের নিচতলা থেকে।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, তার আঠারো দিন আগেই ও মারা গিয়েছিলো।

ওই আঠারো দিন আমরা বিকাশে ওর মুক্তিপণের টাকা পাঠিয়েছি।

আমার দোকান বনশ্রীর সি ব্লকে। মোবাইল ফোন, কাভার, চার্জার আর ফ্লেক্সিলোডের দোকান। বারো বছর ধরে ওই এক জায়গাতেই বসি। এলাকার লোকে আমাকে নামে না চিনলেও, ফোনের দোকানদার হিসেবে ঠিকই চেনে।

আরহামের স্কুল ছুটি হতো পৌনে দুইটায়। বাসায় না গিয়ে ও সোজা দোকানে চলে আসতো। স্কুলব্যাগটা কাউন্টারের নিচে ছুঁড়ে ফেলে টুলে উঠে বসতো। তারপর আপনমনে গোছাতে লেগে যেতো চার্জারের বাক্স।

ওর বয়স সাত। পড়ে ক্লাস টু’তে। গোছানোর নামে জিনিসপত্র আরও এলোমেলো হয়ে যেতো। আমি কিছু বলতাম না।

ওর ডান পায়ের গোড়ালিতে একটা কালো সুতা বাঁধা থাকতো। জন্মের সাতদিনের মাথায় ওর মা বেঁধে দিয়েছিলো, মানুষের নজর যেন না লাগে সেই অভিপ্রায়ে।

ক্লাস টুতে উঠে ছেলেটা লজ্জা পেতে শুরু করলো। একদিন বললো, আব্বু, বন্ধুরা হাসে। খুলে ফেলি?

ওর মা রাজি ছিলো। বাধা দিয়েছিলাম আমি। বলেছিলাম, থাক না বাপ। কী এমন ক্ষতি করতেছে!

দোকানে আমার সাথে একটা ছেলে কাজ করতো। ওর নাম সোহাগ। বয়স হবে তেইশের মতো। বাড়ি জামালপুরে। তিন বছর ধরে কাজ করছে।

দুপুরে আমরা দুইজন একসাথে ভাত খেতাম। দুই ঈদের নতুন জামা আর বোনাস দিতাম নিজের ছোট ভাইয়ের মতো করে।

আরহাম ওকে ডাকতো সোহাগ কাকা। গত ঈদে সোহাগ নিজের টাকায় ওকে একটা খেলনা বন্দুক কিনে দিয়েছিলো।

ঘটনাটা ঘটলো মার্চের দশ তারিখ, দুপুর আড়াইটার সময়।

দোকানে তখন দুইজন কাস্টমার। একজনের সাথে সেকেন্ড হ্যান্ড একটা ফোনের দরদাম চলছিলো।

আরহাম টুল থেকে নেমে আমার পাঞ্জাবি ধরে টান দিলো।

আব্বু, ললি আইসক্রিম খামু।

মানিব্যাগ থেকে তাকে একটা বিশ টাকার নোট বের করে দিলাম।

সোহাগ বললো, মামা, আমি নিয়া যাই। পাশের দোকানই তো।

আমি মাথা নেড়ে সম্মতি জানালাম। চোখ তখন কাস্টমারের হাতে ধরা ফোনটার দিকে।

ব্যস এটুকুই।

কুড়ি মিনিট পর সোহাগ একা ফিরে এলো। মুখটা তখন তার রক্তশূন্য। হাঁপাতে হাঁপাতে বললো, মামা, আপনার পোলায় তো মাঠের দিকে দৌড় দিলো! আমি পিছন পিছন ছুইটা গেছি, পাই নাই!

আমি দোকান খোলা রেখেই দৌড়ে বের হয়েছিলাম।

সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত আমরা পুরো সি ব্লক তোলপাড় করে ফেলেছি। সবার আগে দৌড়াচ্ছিলো সোহাগ। গলির মুখে দাঁড়িয়ে ছেলেটা হাউমাউ করে কেঁদেছিলো।

সন্ধ্যা ছয়টায় আমি থানায় গেলাম। সোহাগ গেলো আমার সাথে।

ডিউটি অফিসার মুখ তুলে না তাকিয়ে বললেন, এতো অস্থির হওয়ার কিছু নাই! চব্বিশ ঘণ্টা পার হোক।

আমি শঙ্কিত গলায় বললাম, স্যার, বাচ্চাটার বয়স সাত বছর!

উনি খাতার পাতা উল্টাতে উল্টাতে বললেন, আরে মিয়া, আপনের মতো রোজ দশজন আসে। বাচ্চা হারাইছেন আপনে, আমি কী করমু? যান, নিজেরা খোঁজেন। পাইলে আমারে জানাইয়েন।

জিডিটা লেখাতে দুইদিন লেগেছিলো। মামলা হয়েছে আরও নয় দিন পর, এলাকার এক কাউন্সিলরের হাত ধরে।

মাঝখানের ওই এগারোটা দিন আমার ছেলের খোঁজে কর্তৃপক্ষ এক পা ফেলেনি।

প্রথম ফোনটা এলো তিন নম্বর দিনে। একটা অচেনা নম্বর থেকে।

ওইপাশের গলাটা কেমন ভাঙা ভাঙা।

তোর পোলা আমগো হাতে। চাইর লাখ টাকা লাগবো। আর মনে রাখিস, পুলিশের কাছে গেলে লাশ ফেরত পাবি।

আমি চিৎকার করে বলেছিলাম, ভাই, একবার আমার বাচ্চাটার গলাটা শুনান। একটাবারের জন্য শুনান গো ভাই!

লাইন কেটে গেলো পরমুহূর্তে।

কণ্ঠটা আমার কাছে চেনা চেনা ঠেকেছিলো। আমি ভেবেছিলাম আটচল্লিশ ঘণ্টা না ঘুমানোর জন্য মাথা আউলে গেছে।

বারো বছর ফোনের দোকান চালানো একজন মানুষ এই ব্যাপারগুলো বোঝে।

আমি জানতাম নম্বরটা অন্য কারো এনআইডি দিয়ে তোলা। আমি এও জানতাম বিকাশের প্রত্যেকটা লেনদেনের হিসাব বিকাশের সার্ভারে সাজানো আছে। ট্রানজেকশন আইডি, সময়, ক্যাশ আউটের এজেন্টের নাম, সব কিছু।

তদন্ত কর্মকর্তার হাতে আমি কাগজে লিখে সেই সমস্ত তথ্য ধরিয়ে দিয়েছিলাম।

উনি চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বললেন, প্রসেস আছে ভাই। সিডিআর তুলতে উপরের অনুমতি লাগে। সময় লাগবো।

সেই সময় আঠারো দিনে গিয়ে ঠেকেছিলো।

টাকা আমি দিয়েছি। তিন কিস্তিতে সর্বমোট দুই লাখ চল্লিশ হাজার টাকা।

দোকানের সব মাল বিক্রি করেছি। ওর মায়ের কানের দুল গেছে, গলার চেইন গেছে, হাতের দুইটা চুড়ি গেছে। শ্বশুরের কাছে হাত পেতেছি। দোকানের দলিল জমা দিয়েছি ব্যাংকে।

প্রত্যেকবার টাকা পাঠানোর পর ওরা বলতো, আইজ রাইতেই ছাইড়া দিমু। সকালে মোড়ে খাড়াইয়া থাকিস।

আমি চল্লিশটা সূর্যোদয় ওই মোড়ে দাঁড়িয়ে দেখেছি।

আরহামের মা দশদিনের মাথায় কথা বলা বন্ধ করে দিলো।

সে রোজ সকালে উঠে ছেলের স্কুল ড্রেসটা ইস্ত্রি করে রাখতো। টিফিন বক্সে রুটি আর ডিম ভরে সযতনে ঢুকিয়ে দিতো ব্যাগে।

আমি একদিন মেজাজ হারিয়ে বলেছিলাম, এইসব করতেছো ক্যান? মাথা খারাপ হইয়া গেছে তোমার?

ও শুধু বলেছিলো, ছেলেটা ফিরা আইসা খাইবো কী?

ওই একচল্লিশ দিনে আমি একটা জিনিস অন্তত চার হাজারবার দেখেছি।

দোকানের ক্যামেরার নয় সেকেন্ডের ফুটেজ।

আরহাম বাঁ দিক থেকে ফ্রেমে ঢোকে, হাতে কুড়ি টাকার নোট। পেছনে সোহাগ। দুইজন দরজা দিয়ে বেরিয়ে ডানে মিলিয়ে যায়।

মাত্র নয় সেকেন্ডে!

চার হাজারবার আমি ওই ফুটেজে অচেনা একটা মুখ খুঁজেছি। ব্যাকগ্রাউন্ডে কে দাঁড়িয়ে আছে, রাস্তায় কোন মোটরসাইকেল থেমে আছে, কার চোখ ছেলেটার দিকে।

প্রত্যেকবার আমার চোখ সোহাগের উপর থেকে অবচেতনভাবে সরে গেছে।

কারণ ওইখানে অস্বাভাবিক কিছু ছিলো না। আমার দোকানের কর্মচারী আমার ছেলের হাত ধরে বের হচ্ছে। এর চেয়ে স্বাভাবিক দৃশ্য আমার জীবনে আর কী হতে পারে?

ওই ফুটেজ সোহাগ আমার পাশে বসে আমার সাথে দেখেছে। ঠিক কতোবার দেখেছে, আমি গুনিনি।

এই কয়দিনে ছেলেটা রোজ দোকানে এসেছে। ঝাঁপি খুলেছে, হিসাব মিলিয়েছে, মোড়ে গিয়ে চা এনেছে আমার জন্য।

দুপুরে আমরা দুইজন এক তরকারিতে ভাত খেয়েছি।

মাছের বড় টুকরাটা ও প্রত্যেকদিন আমার পাতের দিকে ঠেলে দিতো। নরম গলায় বলতো, মামা, আপনে খান। আপনের শরীর ভাইঙ্গা যাইতেছে।

সেই মুহূর্তে আমার ছেলে নিথর দেহে শুয়ে আছে সাতশো গজ দূরে।

পঁয়ত্রিশ নম্বর দিনে পুলিশ এজেন্ট পয়েন্টের ক্যামেরার ফুটেজ চাইলো।

ওইদিনই সন্ধ্যায় সোহাগ দোকান থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি।

ধরা পড়লো তার ছয়দিন পর, জামালপুরে নিজের গ্রামে।

ছেলেটা মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য এক দালালকে এক লাখ টাকা অ্যাডভান্স দিয়ে বসে ছিলো। বাকি চার লাখ না দিলে আগের টাকাটাও জলে যাবার সমূহ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিলো। দালাল নানা প্রকারের ভয়ভীতি দেখিয়ে তার গলা চেপে ধরেছিলো তিনমাস ধরে।

আরহামকে ও নিয়ে গিয়েছিলো ডি ব্লকের একটা আধাপাকা বিল্ডিংয়ে। রাতে ওইখানে কেউ থাকে না। ও ভেবেছিলো মাত্র দুইদিনের মামলা।

জবানবন্দিতে ও বলেছে, বাচ্চাটা কান্না থামাইতেছিলো না। খালি আব্বু আব্বু করতেছিলো। পাশের প্লটে লোক আছিলো। আমি মুখ চাইপা ধরছিলাম শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়া, যতোক্ষণ না পর্যন্ত নিস্তেজ হইয়া আসে! অবশ্য ওরে মারার পরেও ফোন দিছি। টাকাটা তো আমার লাগতোই।

ওই বিল্ডিংটার সামনে দিয়ে আমি রোজ যাতায়াত করতাম।

বিল্ডিংটার দেয়ালে আমি নিজের হাতে আমার ছেলের নিখোঁজ হবার পোস্টার লাগিয়েছিলাম। সোহাগ আঠার ডিব্বা ধরে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো বিষণ্ণ বদনে।

আমাকে ডাকা হয়েছিলো লাশ শনাক্ত করতে।

এর মাঝে আঠারো দিন পার হয়ে গেছে। মুখ দেখে চেনার মতো কিছু বাকি ছিলো না।

ডাক্তার সাহেব চাদর সরালেন।

ডান পায়ের গোড়ালিতে কালো সুতাটা তখনো বাঁধা।

আমি বললাম, জি, এইটা আমার ছেলে।

তারপর ওইখানেই মেঝেতে বসে পড়লাম।

যেই সুতাটা ছেলেটার পা থেকে আমি কাটতে দিইনি, শেষ পর্যন্ত ওইটাই আমার আত্মজকে চিনিয়ে দিলো।

দাফনের পর আরহামের মা তিনদিন একটা কথাও বলেনি। চতুর্থ দিন সকালে উঠে আরহামের স্কুলের শার্ট যত্ন নিয়ে ইস্ত্রি করা শুরু করলো।

আমি দৌড়ে গিয়ে ওর হাত ধরে ফেললাম। ছেলেকে হারাবার পর থেকে আর ওর চোখে চোখ রেখে কথা বলা হয়নি আমার।

সেই মামলার চৌদ্দ মাস পার হলো।

চার্জশিট দিতে সাত মাস লেগেছে। সাক্ষী হাজিরার তারিখ পড়ে, সাক্ষী আসে না। উকিল বলেন, ধৈর্য ধরেন, রায় একদিন হবেই।

যেই ডিউটি অফিসার আমাকে চব্বিশ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বলেছিলেন, তার কিচ্ছু হয়নি। উনি এখনো বহাল তবিয়তে সেই থানায় আছেন। একদিন কোর্টের বারান্দায় ওনার সাথে চোখাচোখি হলো।

উনি আমাকে চিনতে পারেননি।

নিখোঁজ হবার পোস্টারে আমার দোকানের নম্বরটা প্রিন্ট করা ছিলো।

পোস্টারগুলো এখনো বনশ্রীর দেয়ালে ঝুলে আছে। রোদে রং উঠে গেছে, কোণাগুলো ছিঁড়ে গেছে।

এখনো মাসে দুই তিনটা করে ফোন আসে। অচেনা মানুষেরা দরদভরা কণ্ঠে বলে, ভাই, পোস্টারটা দেখলাম। বাচ্চাটা কি পাইছেন?

আমি বলি, জি, পাইছি।

বেশিরভাগ মানুষ গলার স্বর শুনেই বুঝে যায়। আর কিছু জিজ্ঞেস করে না।

মাঝেমধ্যে এমন ফোন আসে, যেখানে ওইপাশের মানুষটার গলা কাঁপে।

ভাই, আমার মাইয়াটারে পাইতেছি না তিনদিন ধইরা। আপনে তো এইসব পরিস্থিতি পার করছেন। আমি এখন কী করমু?

আমি তাদের একটাই কথা বলি।

থানায় গিয়া জিডি না, সরাসরি মামলা করবেন। আর কেউ যদি বলে চব্বিশ ঘণ্টা অপেক্ষা করেন, তার কথা বিশ্বাস করবেন না।

ওই নয় সেকেন্ডের ভিডিওটা আমার ফোনে এখনো আছে। অসংখ্যবার চেষ্টা করেও ডিলিট করতে পারিনি।

একটা কথা এতোক্ষণ বলা হয়নি।

আরহাম জানতো, আমি ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে নিরাপত্তার খাতিরে দোকানের ক্যামেরা দেখি। তাই দোকান থেকে বের হওয়ার সময় ছেলেটা রোজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হাত নাড়তো।

ওইদিনও নেড়েছিলো। ছয় সেকেন্ড পার হবার মুহূর্তে।

আমি তখন ফোনটা হাতে নিয়েই দাঁড়িয়ে ছিলাম। একজন কাস্টমারের সাথে দুইশো টাকা নিয়ে দরদাম করছিলাম।

আমার ছেলে আমার দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ছিলো।

আর আমি একটাবারের জন্য তাকাইনি।

আরহামের বাবা
তাইমুর মাহমুদ শমীক
১৯/৯/২০২৬

বাসের ভেতর, সন্ধ্যার পর পর। সামনের ওড়না জড়ানো নারীটাকে দেখছেন তিনিই মূলত সাবজেক্ট। তার  ডানপাশের সিটে আমি ছিলাম। সেদিন গ...
29/08/2026

বাসের ভেতর, সন্ধ্যার পর পর।
সামনের ওড়না জড়ানো নারীটাকে দেখছেন তিনিই মূলত সাবজেক্ট। তার ডানপাশের সিটে আমি ছিলাম। সেদিন গুলিস্থান থেকে আসছিল বাসটা। আমি ফ্যানের নিচের সিটটায় বসতে যাব অমনি তিনি অন্য সিট থেকে এসে বসে পড়লেন। কী আর করা। আমি আরেক সিটে বসলাম। এবার দুটা মেয়ে এলো। বলল, আপনি কি পেছনের সিটে যাবেন একটু। তাহলে দুজন একসাথে বসতে পারতাম! বললাম, আজ কী যে হলো আমার সব সিটই বেদখল হয়ে যাচ্ছে দেখছি।
মেয়ে দুটা বসলো। আমি ফের পেছনে। এবার ওড়না জড়ানো আপুটা একটু বয়সী, বললেন, ভাই আমারে মাফ করে দেন। আমি গুলিস্তান থেকে আসছিতো। এত গরম এজন্য এই সিটে বসছি। বুঝতে পারিনি আপনি বসবেন।
আমি কিছুটা হতভম্ব হলাম। কী সহজ সরল নিজের ভুল স্বীকারোক্তি! তার উপর বলে বসলো কিনা, আমারে মাফ করে দেন!
বললাম, এভাবে বলবেন না প্লিজ। একদম ঠিক আছে। আপনি বসুন। কিছুদূর গেল বাস। এবার তিনি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ভাই আপনি এই সিটে বসেনতো। আমি আমার আগের সিটেই যাই।

বললাম, আহা আপা এমন করেন কেন। কোনো অসুবিধাই নাই আপনি ফ্যানের নিচেই বসুন।
উনি আবার বসলেন। ইতস্তত করছেন।
বাস চলছে। একটা বাদাম বিক্রেতা এলো। বাস ব্রেক কষলে বাদাম বিক্রেতা ধাক্কা খেল। বেচা হলো না। নেমে গেল দ্রুতই। কিন্তু এই আপাটা বাদামওয়ালাকে জানালা দিয়ে বারবার ডাকছেন। মনে হয় বাদাম নেবেন।

বাদামওয়ালা এলো। বাদাম নেবেন? বললেন, না নিবো না। আপনার কয়েকটা বাদাম বাসের মধ্যে পড়ছে। এই নেন!

দেখলাম মাত্র দুটা বাদাম। বাসের ব্রেক কষার সময় পড়েছিল ডালা থেকে। আর এই আপাটা তুলেছেন। সেটাই আবার ফেরত দিলেন ডেকে।
তবে এবার নিজেই বললেন, আচ্ছা দেন বাদাম। একশোগ্রাম বাদাম নিলেন।
বাস আগাচ্ছে আবার। কিন্তু এবার আবার সেই বাদাম বিক্রেতা দৌড়ে আসছে। জানালা দিয়ে আরো কিছু বাদাম হাত দিয়ে এই আপাটার দিকে দিল। আপা নেন এই কয়টা নেন।
ঘটনা কী! দুই তিনটা বাদাম দেয়ার জন্য বিক্রেতা এমন দৌড়ে এল কেন?
পরে অনুভব করলাম এই আপা দুটা বাদাম পেয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। ছেলেটা তাতে মুগ্ধ হয়েছে। মূলত সেই প্রতিদানই দিল।
আপাটা ডানের সিটের আরেক যাত্রীকে বললেন, ভাইজান ফ্যানটা আপনার দিকে নাহয় একটু ঘুরায় নেন। বাতাস লাগবে।

কিছু কিছু মানুষ এমনই মুগ্ধতা ছড়ায়। যেমন এই আপাটা। তিনি নেমে গেলেন। নামার সময় আমাকে বলে গেলেন, মনে কষ্ট রাইখেন না ভাই।

__আলী ইমরান 🙏

যে মেয়ে ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথ এবং প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে, যে মেয়ে ১৩ বছর বয়সে তার পড়াশোনা, এ...
04/08/2026

যে মেয়ে ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথ এবং প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে, যে মেয়ে ১৩ বছর বয়সে তার পড়াশোনা, এনিমেশন, প্রোগ্রামিং এবং ম্যাথ নিয়ে ১৮ ঘন্টা সময় কাটায়, যে মেয়ে ফেসবুক স্ক্রল করাকে সময় নষ্ট মনে করে, যে মেয়ে এইটুকু বয়সে অবহেলিত মানুষ এবং প্রাণীদের নিয়ে কাজ করে, তার জগতটা অনেক বড়, পোশাক নিয়ে মাথা ঘামানোর মতো সময় এবং মানসিকতা তার নেই।

তার পড়াশোনার পরিধী বহির্বিশ্বের সঙ্গে। সে বহির্বিশ্বের কালচার এবং পোশাক ধারণ করবে- এটাই স্বাভাবিক।

যারা ১৩ বছরের একটি কিশোরীর মেধা, মনন ও কাজকে শ্রদ্ধা না করে তার পোশাককে ইস্যু করে তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে, তারা আসলে পেডোফাইল। পেডোফাইল মানে ক্লিয়ার তো? বাচ্চা দেখে সেক্সুয়াল উত্তেজনা হয় যাদের, তাদেরকে পেডোফাইল বলা হয়।

যে পুরুষ বা নারীরা ১৩ বছরের বাচ্চার পোশাক দেখে নিজেকে সামলে রাখতে পারে না, সেক্সুয়াল উত্তেজনা ফিল করে অপ্রকৃতিস্থ হয়ে বাজে কমেন্ট করে তারা আসলেই দুশ্চরিত্র এবং লম্পট।

পৃথিবীতে এত আলোচনার বিষয় থাকতে পোশাক নিয়ে আলোচনা কেন? কেবলমাত্র নষ্ট, পঁচা, অকর্মন্য, হতাশ, ঘুণে ধরা মস্তিষ্কের পক্ষেই সম্ভব মানুষের পোশাক নিয়ে আলোচনা করা।

__দীপান্বিতা

অথচ আর কিছুদিন পরই অর্ণবের ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ হওয়ার কথা, এরপর মাবাবার জন্য... 😥 না, সব স্বপ্নই শেষ। একটা ছেলেকে এই পর্যায়ে...
29/07/2026

অথচ আর কিছুদিন পরই অর্ণবের ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ হওয়ার কথা, এরপর মাবাবার জন্য... 😥 না, সব স্বপ্নই শেষ। একটা ছেলেকে এই পর্যায়ে আনতে জীবনে কত ত্যাগ-বিসর্জন দিতে হয়েছে শুধু মা-বাবাই জানে। সাঁতার না জানলে কেন পুকুরে নামতে হবে?

ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ফুটবল খেলা শেষে সন্ধ্যায় কাজী নজরুল ইসলাম হলের পুকুরে সহপাঠীদের সঙ্গে গোসল করতে নামে অর্ণব। একপর্যায়ে তিনি পানিতে ত/লি/য়ে যান। দ্রুতই বিষয়টি বুঝতে পেরে সহপাঠীরা তাকে খোঁজাখুঁজি করে পুকুর থেকে উদ্ধার করেন প্রথমে তাকে দ্রুত চুয়েট মেডিকেলে এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম নগরের এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত নয়টার দিকে তাকে মৃ/ত ঘোষণা করেন।
অর্ণব চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

মহান সৃষ্টিকর্তা অর্ণবের পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দিক 🤲😥🤲

ইনি একজন স্কুলের প্রধান শিক্ষক।  নাম কাবেরী করিম। ওই স্কুলেরই  তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্য স্কুলের অ্যাস...
09/07/2026

ইনি একজন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। নাম কাবেরী করিম।

ওই স্কুলেরই তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বিসমাহ জান্নাত ঐশ্বর্য স্কুলের অ্যাসেম্বলি চলাকালে সে এক সহপাঠীর সঙ্গে কথা বলছিলো। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম তাকে শাসন করেন এবং গালে একটি চ/ ড় মারেন।

​মেয়ের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন বাবা সামসউর রহমান শুভ। তিনি স্কুলে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ শুরু করেন।

একপর্যায়ে তিনি প্রধান শিক্ষকের অফিসকক্ষে ঢুকে চেয়ারে বসা অবস্থায় কাবেরী করিমকে আচমকা চ/ ড়-থা/ প্প/ ড় মারতে থাকেন।
এ সময় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারী তাকে নিবৃত্ত করে কক্ষের বাইরে নিয়ে যান।

ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষিকা কাবেরী করিম বলেন,
আমি একজন শিক্ষক। আদরের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে শিক্ষার্থীদের শাসনও করতে হয়। সে কারণেই একটি চ/ ড় মেরেছিলাম। কিন্তু একজন অভিভাবক আমার অফিসকক্ষে ঢুকে আমার গা/ য়ে হা/ ত তুলবেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি। এই ঘটনার পর আমি বিদ্যালয়ে যেতে নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি এবং আবারও হা/ ম/ লার আশঙ্কা করছি।

ভাই! শিক্ষকের শাসনের পদ্ধতি নিয়ে যদি কোনো অভিভাবকের দ্বিমত বা অভিযোগ থাকে, তবে তা সমাধানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি পথ উন্মুক্ত ছিলো।

কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে একজন প্রধান শিক্ষিকাকে কর্মক্ষেত্রে ঢুকে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই উগ্র আচরণ শুধু একজন শিক্ষককে অপমান করেনি, বরং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ এবং অন্য শিক্ষার্থীদের মনেও এক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।💔

অনলাইনে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মাত্র ৭ দিনের পরিচয়! এতেই লন্ডন থেকে বাংলাদেশে  অবস্থানরত প্রেমিকা লিমার প্রেমের টানে বিমা...
09/07/2026

অনলাইনে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মাত্র ৭ দিনের পরিচয়! এতেই লন্ডন থেকে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রেমিকা লিমার প্রেমের টানে বিমানের টিকেট কেটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয় প্রেমিক ইমরান।

সাথে ৪২ লক্ষ টাকা ও স্বর্নের বার!! তবে ঢাকা বিমানবন্দরে নামার পর ই স্বর্ন ও ডলার সহ কাষ্টমস অফিসারের কাছে আটক হয় প্রেমিক (লন্ডনের বাসিন্দা ইমরান)

ইমরান কে ছাড়াতে হলে টাকা লাগবে ৮০ হাজার! নতুবা জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে প্রেমিক ইমরান কে! সাথে জব্দ হবে ৪২ লাখ টাকা সমমুল্যের ডলার ও স্বর্নের বার!

বিষয়টি প্রেমিকা লিমা কে ফোন করে জানান নারী কাষ্টমস কর্মকর্তা তামান্না আক্তার!

প্রেমিকা লিমা (ফরচুন সুজ লিঃ এর শ্রমিক) প্রেমিক ইমরান কে ছাড়াতে নিজের জমানো ৮০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে কাষ্টমস কর্মকর্তার নাম্বারে পাঠিয়ে দিলেও! কথিত প্রেমিক কে ছাড়েনি কাষ্টমস! এখন আরো ৩০ হাজার টাকা দাবী করছে।

প্রতারনার শিকার হয়েছে বুঝতে পেরে প্রেমিকা লিমা বরিশাল কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে।

এমন প্রেমিক যদি আরো ২/১ জন পাওয়া যায় তবে মন্দ হয়না কি বলেন?

মো ওমর ফারুক 🙏

আজ মেট লাইফ স্টেডিয়ামে এ নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল ব্রাজিল, আর মাঠেই কেদে ফেললেন নেইমার জুনিয়...
06/07/2026

আজ মেট লাইফ স্টেডিয়ামে এ নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল ব্রাজিল, আর মাঠেই কেদে ফেললেন নেইমার জুনিয়র। ম্যাচ শেষের বাশি বাজতেই বুঝে গিয়েছিলেন, এটাই ছিল হলুদ জার্সিতে তার শেষ লড়াই।

ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তা আর যথেষ্ট হয়নি। হালান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে জিতে চলে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে, আর নেইমারের বিশ্বকাপ স্বপ্ন থেমে যায় চিরতরে।

ম্যাচ শেষে কান্নাভেজা কণ্ঠে নিজেই জানিয়ে দিলেন, আর ফেরা হবে না জাতীয় দলে। ১৬ বছরের একটা রূপকথার মতো ক্যারিয়ার , ১৩০ ম্যাচ, ৮০ গোল, ৫৯ অ্যাসিস্ট।

পেলেকে ছাড়িয়ে ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা গোলদাতা, আর সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা দ্বিতীয় ফুটবলার হয়েই থামলেন তিনি।

ধন্যবাদ, নেইমার। ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে যত আনন্দ, যত জাদু, যত কান্না দিয়েছেন ,সব কিছুর জন্য। 🟡💚

এখনো সান্তোসের হয়ে খেলবেন, কিন্তু জাতীয় দলের গল্পটা আজ সত্যিই শেষ।

👑 O Rei of an era ends.

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhwoni Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share