আন-নুসরা ফাউন্ডেশন

আন-নুসরা ফাউন্ডেশন "মানবতার কল্যাণে আন-নুসরা ফাউন্ডেশন "
শিক্ষা এবং চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষের সেবাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

20/02/2026

★★জুমুআহর দিনের আমল:
প্রতিটি মুসলিমের নিকট জুমু'আ তথা শুক্রবার একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। হাদীসে এই দিনটিকে মুমিনের জন্য সাপ্তাহিক ঈদের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবীজি ﷺ এই দিনটির বিশেষ কিছু ফজিলত বর্ণনা করেছেন এবং কিছু আমল পালনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

জুমু'আর দিনের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ আমল
হাদীস শরীফের বিশাল ভাণ্ডার থেকে জুমু'আর দিনের বিশেষ কিছু আমল নিচে তুলে ধরা হলো:

👉উত্তমরূপে গোসল করা।

👉ফজরের ফরজ নামাজে সূরা সাজদা ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা।

👉উত্তম পোশাক পরিধান করা।

👉সুগন্ধি ব্যবহার করা।

👉আগেভাগে মসজিদে যাওয়া।

👉সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা। (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্ত থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যেকোনো সময়ে)

👉মসজিদে প্রবেশ করে কমপক্ষে দুই রাকাত দুখুলুল মসজিদ আদায় করা।

👉ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।

👉মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা এবং খুতবা চলাকালে কোনো কথা না বলা।

👉দুই খুতবার মাঝের সংক্ষিপ্ত সময়ে বেশি বেশি দু'আ করা।

👉আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়ে দু'আয় মশগুল থাকা, কারণ এদিন দু'আ কবুল হয়।

👉রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা।

👉বিশেষ ফজিলত: প্রতি কদমে এক বছরের সওয়াব
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমু'আর দিন ৫টি শর্ত মেনে জুমু'আর নামাজে অংশ নেয়, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি কদমে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল সালাতের সওয়াব দান করেন! (সুবহানাল্লাহ)। শর্তগুলো হলো:

▶️গোসল করা।

▶️আগে আগে মসজিদে আসা।

▶️পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।

▶️ইমামের কাছাকাছি বসা।

▶️অনর্থক কথা না বলে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।

[আবু দাউদ ৩৪৫]

✴️সূরা কাহফ তিলাওয়াতের ফজিলত
যে ব্যক্তি জুমু'আর দিন সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার পা থেকে আকাশের উচ্চতা পর্যন্ত একটি নূর (আলো) তৈরি হবে, যা কিয়ামতের দিন তাকে আলো দেবে এবং দুই জুমু'আর মধ্যবর্তী সময়ের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।

[আত তারগীব ওয়া তারহীব ১/২৯৮, মুসতাদারেক হাকিম ২/৩৯৯]

❇️আগেভাগে মসজিদে যাওয়ার মর্যাদা
নবীজি ﷺ বলেছেন, জুমু'আর দিন ফেরেশতারা মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে আগন্তুকদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে, সে একটি উট কুরবানি করার সওয়াব পায়। এরপর যে আসে সে গাভী, তারপর মুরগি এবং সবশেষে যে আসে সে একটি ডিম দান করার সওয়াব পায়। ইমাম খুতবা শুরু করলে ফেরেশতারা খাতা বন্ধ করে খুতবা শুনতে বসে যান।

[বুখারী ৯২৯]

❌সতর্কতা: যেসব কাজ জুমু'আর সওয়াব নষ্ট করে
খুতবা চলাকালে কোনো প্রকার কথা বলা বা অনর্থক কাজ করা নিষেধ। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, খুতবা চলাকালে পাশের কাউকে 'চুপ করো' বলাও একটি অনর্থক কাজ, যা জুমু'আর সওয়াবকে নষ্ট করে দেয়। এছাড়া মোবাইল ব্যবহার করা বা মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।

[বুখারী ৯৩৪, মুসলিম]

🔵নারীদের জন্য জুমু'আর আমল
নারীরাও সূরা কাহফ তিলাওয়াত, দরূদ পাঠ এবং কবুলিয়তের সময়ে দু'আ করার মাধ্যমে জুমু'আর পূর্ণ সওয়াব হাসিল করতে পারেন। এছাড়া ঘরের পুরুষদের আগেভাগে মসজিদে যেতে উৎসাহ প্রদান এবং প্রস্তুতির কাজে সহযোগিতা করার মাধ্যমেও তারা সওয়াবের অংশীদার হতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

🤲🤲আল্লাহ আমাদের সবাইকে প্রতিটি জুমু'আর যথাযথ মর্যাদা রক্ষা ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

19/02/2026

'আহলান ওয়া সাহলান'মাহে রমাদান।
আল্লাহ তায়ালা বলেন-"তোমাদের উপর রোযা ফরজ করা হয়েছে,যেমনি ভাবে ফরজ করা হয়েছে তোমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর"--আল কুরআন।

তাই আসুন আল্লাহর দেওয়া এই নেয়ামতকে সম্মান জানিয়ে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন।
১.দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোরা সহ খাবার বিক্রি বন্ধ রাখুন( অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য সীমিত চালু রাখা যেতে পারে)
২.দ্রব্যমূল্যের দাম সীমিত রাখুন।
৩.সিন্ডিকেট মুক্ত বাজার চালু রাখুন।
৪.অহেতুক কথা বার্তা ও জনসমাগম এড়িয়ে চলুন।
৫.বেশী বেশী দান সাদাকাহ করুন।

03/02/2026

মধ্য শাবানের মাহাত্ম্য ও করণীয়
১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, দুপুর ০৪:৪৭
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত। আমাদের সমাজে এটি শবেবরাত নামে বেশি পরিচিত হলেও হাদিসের ভাষায় একে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান বা মধ্য শাবানের রাত বলা হয়েছে। এই রাতটি নিয়ে আমাদের সমাজে যেমন অতিরঞ্জিত আবেগের ছড়াছড়ি আছে, তেমনি সুন্নাহ পরিপন্থি নানা কুসংস্কারও ছড়িয়ে আছে। যার সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ উচিত হলো অতি বাড়াবাড়ি এবং ছাড়াছাড়ি ব্যতিরেকে সুন্নাহসম্মত পদ্ধতিতে এই রাতের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য অনুধাবন করা এবং আমল করা।

এই রাতে সাধারণত মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় জমে। অনেকে মনে করেন, এটি ভাগ্য নির্ধারণী রাত। এই রাতে আগামী এক বছরের হায়াত, মউত ও রিজিক নির্ধারণ করা হয়। এটি গ্রহণযোগ্য ধারণা নয়। পবিত্র কোরআনের সুরা দুখানের শুরুতে যে বরকতময় রাতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ফয়সালা হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা মূলত লাইলাতুল কদর। যা রমজান মাসের শেষ দশকের রাতগুলোর মধ্যে একটি রাত।

রসুল (সা.) বলেছেন, মধ্য শাবানের রাতে মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও অন্যের প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তি ছাড়া সবাইকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন (বায়হাকি)। এই হাদিস থেকে আমরা বুঝতে পারি, শিরক ও হিংসাবিদ্বেষ হলো আল্লাহর অবারিত এই ক্ষমা পাওয়ার পথে প্রধান দুটি বাধা।

সুতরাং কেউ যদি এই রাতে সারা রাত ইবাদতে লিপ্ত থাকে, কিন্তু তার ইমানে শিরক কিংবা মনে কোনো মুসলিম ভাইয়ের প্রতি ঘৃণা বা শত্রুতা পোষণ করে, তবে এই রাতের সাধারণ ক্ষমা তার ভাগ্যে জুটবে না। তাই মধ্য শাবানের রাতকে ঘিরে প্রধান কাজ হওয়া উচিত ইমানকে শিরকমুক্ত করা ও প্রতিহিংসার আগুন থেকে মনকে পবিত্র করা। এ ছাড়া এই রাতের ফজিলত ও আমল সম্পর্কে আরও অনেক হাদিস আছে, তবে সেগুলো সনদের দিক দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ।

এই রাতের বিশেষ কোনো নামাজ কিংবা জিকির-আসকার নেই। অন্য সাধারণ রাতে একজন মুমিন যেভাবে নফল ইবাদত করেন, এই রাতেও তিনি চাইলে সেভাবে ব্যক্তিগতভাবে নফল আমল করতে পারেন এবং আল্লাহর বিশেষ ক্ষমা লাভের চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতি বা সংখ্যার নামাজ বা ইবাদতের কাঠামো তৈরি করা সুন্নাহসম্মত নয়।

অনেক অঞ্চলে এই রাতকে কেন্দ্র করে সুন্নাহর নামে বিভিন্ন কুসংস্কারও চালু আছে। যেমন এই রাতে খাবারের উৎসব করা। বিশেষ করে হালুয়া-রুটি বিতরণের যে সংস্কৃতি আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে, এর সঙ্গে সুন্নাহর কোনো সম্পর্ক নেই। এর প্রমাণ হিসেবে অনেকে একটি ভিত্তিহীন গল্প বলেন যে ওহুদ যুদ্ধে নবীজি (সা.)-এর দাঁত মোবারক শহীদ হওয়ার পর তিনি শক্ত খাবার খেতে পারতেন না বলে হালুয়া খেয়েছিলেন, তাই আমাদেরও তা খেতে হবে। আর এটা খাওয়া হয় শবেবরাতে। অথচ ওহুদ যুদ্ধ শাবান মাসে হয়নি এবং এই গল্পের নির্ভরযোগ্য কোনো ভিত্তিও নেই। এমন একটি বানোয়াট গল্পের ওপর ভিত্তি করে ইবাদত ও ক্ষমার রাতে রান্নাবান্না ও উৎসবের পেছনে সময় ব্যয় করাটা প্রকারান্তরে ইবাদত থেকে বিচ্যুত হওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। একইভাবে আতশবাজি ফোটানো, ঘরবাড়ি আলোকসজ্জা করাটাও ইসলামের শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

অনেকে এই রাতে দলবদ্ধভাবে ইবাদত করেন। নফল ইবাদত হলো বান্দার সঙ্গে তাঁর প্রভুর একান্ত বিষয়। রসুল (সা.) ও সাহাবিদের যুগে এই রাতে দলবদ্ধ হয়ে মসজিদে জিকির বা সম্মিলিত দোয়া করার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। নফল নামাজ ও দোয়া ঘরে নিভৃতে করাই উত্তম ও সুন্নাহর অধিক নিকটবর্তী।

সর্বোপরি এই রাতটি ঘটা করে উৎসব করার নয়, বরং আল্লাহর ক্ষমা লাভের চেষ্টা করার উপলক্ষ। যদি আল্লাহর ক্ষমা পেতে চাই, তবে উচিত হলো অন্যকে ক্ষমা করার উদারতা লালন করা। কারও প্রতি হিংসাবিদ্বেষ পুষে রাখলে আল্লাহর রহমতের দৃষ্টি ও সাধারণ ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হতে হবে।

তাই এই রজনিকেন্দ্রিক বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি থেকে দূরে থেকে শিরকমুক্ত ইমান ও হৃদয়কে সব ধরনের মালিন্য থেকে মুক্ত করা হোক আমাদের প্রধান ব্রত।

©

26/01/2026

"আন-নুসরা ফাউন্ডেশন "
উত্তর বিষুরবন্দ পাটোয়ারী বাড়ী বায়তুল মামুর জামে মসজিদ সংলগ্ন, ৭নং পাইকপাড়া (উ:) ইউনিয়ন, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।
স্থাপিত :শাবান/১৪৪৭ হিজরী।
মাঘ/১৪৩২ বঙ্গাব্দ।
জানুয়ারি /২০২৬ খ্রি:।
স্লোগান :মানবতার কল্যাণে আন-নুসরা ফাউন্ডেশন

23/01/2026

"আবূ আইয়ূব আল আনসারী রা. থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لاَ يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ يَلْتَقِيَانِ فَيُعْرِضُ هَذَا وَيُعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِى يَبْدَأُ بِالسَّلاَمِ

কোন মুসলিমের পক্ষে তার ভাই এর সঙ্গে তিন দিনের অধিক সময় সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়। (পথে-ঘাটে) দু’জনের সাক্ষাৎ ঘটলে একজন এদিকে মুখ ফিরিয়ে, অন্যজন ঐদিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকে। তবে তাদের মধ্যে সে-ই উত্তম, যে প্রথমে সালাম করে।

সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৫৬০ (ফুআদ আবদুল বাকী তাহকীককৃত), ৬৩০০
(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)"

➡️৫টি পাপের শাস্তি যা দুনিয়াতেই পেতে হবেহাদীসের আলোকে জানা যায় যে, কিছু কঠিন পাপ আছে যেগুলির শাস্তি শুধু আখেরাতেই নয়, দু...
23/01/2026

➡️৫টি পাপের শাস্তি যা দুনিয়াতেই পেতে হবে

হাদীসের আলোকে জানা যায় যে, কিছু কঠিন পাপ আছে যেগুলির শাস্তি শুধু আখেরাতেই নয়, দুনিয়াতেও ভোগ করতে হয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

1️⃣ যখন কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে অশ্লীলতা এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ে যে তারা প্রকাশ্যে অশ্লীলতায় লিপ্ত হতে থাকে, তখন তাদের মধ্যে এমন সব মহামারী ও রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ে যা তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে ছিল না।

2️⃣যখন কোনো সম্প্রদায়ের মানুষেরা ওজনে কম বা ভেজাল দিতে থাকে, তখন তারা দুর্ভিক্ষ, জীবনযাত্রার কাঠিন্য ও প্রশাসনের বা ক্ষমতাশীলদের অত্যাচারের শিকার হয়।

3️⃣যদি কোনো সম্প্রদায়ের মানুষেরা যাকাত প্রদান না করে, তাহলে তারা অনাবৃষ্টির শিকার হয়। যদি পশুপাখি না থাকত তাহলে তারা বৃষ্টি থেকে একেবারেই বঞ্চিত হয়ে পড়ত।

4️⃣যখন কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ আল্লাহর সঙ্গে প্রদত্ত ওয়াদা ও আল্লাহর রাসূলের সঙ্গে প্রদত্ত ওয়াদা ভঙ্গ করে, তখন আল্লাহ কোনো বিজাতীয় শত্রুকে তাদের উপর চাপিয়ে দেন, যারা তাদের কিছু সম্পদ ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

5️⃣আর যদি কোনো সম্প্রদায়ের শাসকবর্গ ও নেতাগণ আল্লাহর কিতাব (পবিত্র কুরআন) অনুযায়ী বিচার শাসন না করেন এবং আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা তারা বেছে না নেয়, তখন আল্লাহ তাদের মধ্যে পরস্পর শত্রুতা ও মতবিরোধ সৃষ্টি করে দেন, তারা তাদের বীরত্ব একে অপরকে দেখাতে থাকে। (ইবনু মাজাহ ৪০১৯)

©️Copied from Muslims Day Android App

নামাজের সময়সূচী, সাহরি-ইফতারের সময়, কুরআন-হাদীস, দুআ, মাসআলা, ক্বিবলা কম্পাস সহ অনেক ফিচার একটি অ্যাপে! Muslims Day App ইউজ কর...

22/01/2026

ঘুমানোর আগের আমল

চলুন ঘুমকে বানিয়ে ফেলি ইবাদত

"ঘুমাতে যাওয়ার আগে রাসূল (সা) বেশ কিছু আমল করতেন। এই সুন্নাহগুলো পালন করার মাধ্যমে আমরা আমাদের ঘুমকেও ইবাদতের সমতুল্য করে তুলতে পারি। ঘুমানোর আগের সুন্নাহ এবং কিছু রাতের আমল নিচে তুলে ধরা হলো।

ব্যবহার্য থালা-বাসন, হাড়ি-পাতিল ঢেকে রাখা ও বাতি নিভিয়ে দেয়া

অযু করা

ঘুমের পূর্বে পড়ার জন্য বিশেষ কয়েকটি দুয়া আছে সেগুলো পড়া (যেমনঃ আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহইয়া)

সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়া

৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ ও ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়া

আয়াতুল কুরসী পড়া

সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পড়া

সূরা সাজদাহ ও সূরা মুলক পড়া

ডান কাত হয়ে ঘুমানো।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন। আমীন।"

কীভাবে স্ত্রীকে নেককার হিসাবে গড়ে তুলবেন ⁉️১. তাকে কিয়ামুল লাইল তথা তাহাজ্জুদের জন্য উৎসাহিত করবে।২. কুরআন তিলাওয়াতের ব্...
14/01/2026

কীভাবে স্ত্রীকে নেককার হিসাবে গড়ে তুলবেন ⁉️
১. তাকে কিয়ামুল লাইল তথা তাহাজ্জুদের জন্য উৎসাহিত করবে।
২. কুরআন তিলাওয়াতের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৩. প্রতিটি কাজের মাসনূন দুআ, সকাল–সন্ধ্যা ও নামাযের পরের আযকারগুলো আদায়ের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৪. তাকে সদাকা করার প্রতি উৎসাহিত করবে।
৫. বিভিন্ন উপকারী দীনি ও ইসলামি বই পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৬. ঈমান ও আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদানকারী বিভিন্ন লেকচার ও আলোচনা শুনাবে এবং তা শোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৭. তাকে নেককার ও উত্তম সঙ্গী নির্বাচন করে দিতে হবে—
যার সাথে সে বসবে, অবসর সময়ে উত্তম উত্তম কথা বলবে
এবং একসাথে হাঁটতে বের হবে।
৮. তাকে খারাপ ও অকল্যাণকর বিষয় থেকে ফিরিয়ে রাখবে
এবং এগুলো আসার সকল পথ বন্ধ করে দেবে।
তাকে খারাপ মানুষের সাথে মিশতে দেবে না,
খারাপ জায়গায় যেতে দেবে না।
একজন নেককার স্ত্রী, তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
তবে একজন স্ত্রী ততক্ষণ পর্যন্ত নেককার হতে পারবে না,
যতক্ষণ পর্যন্ত ৪টি কাজ সঠিকভাবে করতে না পারবে—
▪️ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
▪️ রমজান মাসের রোজা
▪️ নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজত
(অর্থাৎ আল্লাহ্‌র বিধান অনুযায়ী পরিপূর্ণভাবে পর্দা করা)
▪️ স্বীয় স্বামীর অনুগত্য ✨💖
রাসূল ( ﷺ) বলেছেনঃ
“সম্পূর্ণ পৃথিবী সম্পদ।
আর পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হচ্ছে সৎ চরিত্রবান নারী।” 🌸
[বুখারী, মুসলিম, মিশকাত : ৩০৮৩]
রাসূল ( ﷺ) বলেছেনঃ
“যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে,
রমজান মাসের রোজা রাখে,
নিজের লজ্জাস্থান হেফাজত করে
এবং স্বীয় স্বামীর আনুগত্য করে—
সে নিজের ইচ্ছানুযায়ী জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে।” 🌸
[আহমাদ, ১৫৭৩]

সিন্ডিকেট যারা করে তারা পাপাচারী।
13/01/2026

সিন্ডিকেট যারা করে তারা পাপাচারী।

13/01/2026

আন-নুসরাহ ফাউন্ডেশন শুধু দারিদ্র্য বিমোচন নয়—হতে পারে জান্নাত কামানোর মাধ্যমও।

প্রিয় ভাই আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন—
﴿وَمَا تُقَدِّمُوا لِأَنفُسِكُم مِّنْ خَيْرٍ تَجِدُوهُ عِندَ اللَّهِ﴾
“তোমরা নিজেদের জন্য যে নেক কাজ অগ্রে পাঠাও, তা আল্লাহর কাছে পাবে।” (বাকারা ১১০)

আন-নুসরাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা শুধু ক্ষুধার্তের ক্ষুধা নিবারণ করিব না,
বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নেক আমল জমা করব।

রাসূল ﷺ বলেছেন, “মানুষের মধ্যে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় সে-ই, যে মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করে।” (তাবরানি)

আজ যে হাত দান করে, কাল সেই হাত জান্নাতে সম্মানিত হবে।

দরিদ্রের চোখের অশ্রু মুছে দেওয়াই হতে পারে আমাদের জান্নাতের চাবি।

আসুন, আন -নুসরাহ ফাউন্ডেশনের সাথী হয়ে দুনিয়ায় কল্যাণ গড়ি—
আর আখিরাতে জান্নাত কামাই।

লেখক:হাফেজ মুফতী শরীফ মুহাম্মদ জুনায়েদ।
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক- মাদ্রাসাতিল আবরার,কড়ৈতলী।
ইমাম ও খতিব- উ.বিষুরবন্দ পাটোয়ারী বাড়ী বায়তুল মামুর জামে মসজিদ।

"মানবতার কল্যাণে আন-নুসরা ফাউন্ডেশন "
শিক্ষা এবং চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষের সেবাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

Address

Chandpur

Telephone

+8801770749982

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আন-নুসরা ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আন-নুসরা ফাউন্ডেশন:

Share