Mks Creation

Mks Creation hey i am video maker

যেন এক জাদুর বাক্স তারেক রহমানের হাতে। মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে যাচ্ছে, কৃষক কার্ড পাবে, কৃষকদের ঋণ মাফ করে দেওয়া হয়েছে...
11/03/2026

যেন এক জাদুর বাক্স তারেক রহমানের হাতে। মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে যাচ্ছে, কৃষক কার্ড পাবে, কৃষকদের ঋণ মাফ করে দেওয়া হয়েছে। আসছে বিদেশে পড়াশোনার জন্য স্টুডেন্ট লোন। দেশে টাকা ছিল, টাকা আছে—সমস্যা ছিল সৎ ইচ্ছার, পরিকল্পনার।

তারেক রহমান বাংলাদেশকে এমনভাবে তৈরি করবেন, যেন মানুষ আমেরিকা-ইউরোপ থেকে বাংলাদেশে কাজ করতে, চাকরি করতে, বাস করতে যায়। যেন বাংলাদেশ হয়ে ওঠে এক ড্রিম ল্যান্ড । একদিন আমেরিকার পরিবর্তে বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশের ভিসার জন্য স্বপ্ন দেখবে , লাইন ধরে বাংলাদেশী এম্বাসির সামনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকবে । এটা স্বপ্ন নয় , এটা হবে সত্যি ।

লুকিং ফর শত্রু  🌾 👀
12/02/2026

লুকিং ফর শত্রু 🌾 👀

সব খরচ বাদ দিয়ে চট্রগ্রাম বন্দর থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।যেটি এদেশের ১৩৮ বছরের ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়।
21/01/2026

সব খরচ বাদ দিয়ে চট্রগ্রাম বন্দর থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

যেটি এদেশের ১৩৮ বছরের ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়।

নিউজফীডে এই ফিনিক্স পাখির যে ভিডিও ছড়িয়ে পরেছে সেটা রিয়েল। আমি নিজে কথা বলেছি পাখিটির সাথে আর আমার সাথে থাকা একজন ভিডিও ...
21/01/2026

নিউজফীডে এই ফিনিক্স পাখির যে ভিডিও ছড়িয়ে পরেছে সেটা রিয়েল। আমি নিজে কথা বলেছি পাখিটির সাথে আর আমার সাথে থাকা একজন ভিডিও করেছে।

আসলে আমার দাদা মা/রা যাবার সময় আমাকে দুইটা পাথর দিয়ে গেছিল ওই পাথর দুইটা একবার ঘষলে এই পাখিটি হাজির হয় এবং আমি যা ইচ্ছা পোষণ করি সেটা পূরণ করে দিয়ে আবার আকাশে মিশে যায়। ওই পাথর ঘষার নিয়ম বছরে একবার। বছরের শুরুতে নির্বাচনের কিছু আগে পাথর দুটি ঘষে পাখিটিকে ডেকে আমার মনের আশাটা ব্যক্ত করলাম।

আমার মনের ইচ্ছাটা হল— এবার নির্বাচনে যেন জামায়াত ক্ষমতায় যায়!🥰

হুবালের পূজারী;বাড়ির জি_নের জবানবন্দী::“এই বংশের কারো উন্নতি হতে দিবে না। মাদরাসায় পড়তে দিবে না। জীবন ধ্বং°স করে দিবে। ক...
21/11/2025

হুবালের পূজারী;

বাড়ির জি_নের জবানবন্দী

::

“এই বংশের কারো উন্নতি হতে দিবে না। মাদরাসায় পড়তে দিবে না। জীবন ধ্বং°স করে দিবে। কারণ রো°গীর দাদা তাদের জায়গায় বাড়ি করেছে। এখন আবার তার সন্তানেরা সব ভেঙে বিল্ডিং উঠাচ্ছে।” কথাগুলো বলছিল হুবালের পূজারী জিন।

হুবাল হলো, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম এর সময়ে কাবার ভিতর থাকা সবচেয়ে বড় মূর্তিটা। যার পূজা করত তৎকালীন আরবী জা°হেলি সমাজ। কোরআন ও হাদিসে এই হুবালকে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে হুবালের বিষয়ে বাস্তবিক অর্থে কোন নির্দিষ্ট গুণ শোনা যায়নি। তার ইবাদাত করার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা যায়নি। যেহেতু মেসোপোটেমিয়া বা ব্যাবিলনীয় ও ইন্দো সভ্যতার যোগসাজশ ছিলো তাই ধারণা করা যায় এই ভূমির সাথে হুবাল পূজারীদের একটা সম্পর্ক থাকতে পারে। মানুষের ভিতর হুবাল নামক কারো পূজারী বর্তমানে আছে বলে আমাদের জানা নাই৷

যাইহোক উপরোল্লিখিত মূল ও সত্য জবানবন্দী নিতে কতটা কষ্ট করতে হয়েছে, সেটা ধারাবাহিকতায় বর্ণনা করতে অনেক সময় লাগবে। যেহেতু এই কেইসে একইসাথে কয়েকটা বিষয় শিক্ষণীয় তাই যথাসাধ্য চেষ্টা করব বিস্তারিত জানানোর। ইনশাআল্লাহ।

প্রথম ঘটনা:

আফিফ (ছদ্মনাম)। বয়স ১৫ হবে। প্রথম এসেছিল হিফজ বিভাগে এক মাদরাসায় পড়ে, সেখানে গেলে জি°ন আক্রান্ত হয়। রুক°ইয়াহ শুরু করলেই জি°ন কথা বলে। দাবি করে, দুষ্টুমি করে তাকে ডিস্টার্ব করছে। ওই মাদরাসার হুজুর মাদরাসার উন্নতির জন্য তার কবি°রাজ বন্ধুর মাধ্যমে জি°ন পালে। সেখান থেকে এই ছেলেকে দেখে আসর করেছে। আমি বললাম, এতো কাহিনি শুনে তো আমার লাভ নাই। তোর যেতে হবে এটাই হলো কথা। বেশি সময় লাগলো না। চলে গেল। আমরা বলে দিয়েছিলাম, জি°ন মি°থ্যা বলে সবসময়। তারপরও সতর্কতা বশত পরিবার মাদরাসা চ্যাঞ্জ করে ফেলেছে। তাছাড়া ওই হুজুর বাস্তবে কবি°রাজ চর্চা করত তাই পরামর্শ চাইলে আমিও সায় দিলাম৷

দ্বিতীয় ও মূল ঘটনা:

হঠাৎ শুনতে পেলাম আফিফকে আবারও জি°ন ধরেছে। তার মাদরাসার মোহতামিম নাকি ঝারফোঁক(প্রচলিত) পারে, তিনি চেষ্টা করেছেন বের করতে। কিন্তু পারছেন না। তার কাছে শত শত জি°নের কয়েকটাকে নাকি ইতোমধ্যে আফিফের জিন মেরে ফেলেছে। হুজুরের জিনেরা বলেছে, ইবনে ইসহাকের কাছে নিয়ে যান। উনারা এটা ঠিক করতে পারবে। —এগুলো শুনে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ভাইসহ আমরা হাসছিলাম। জিন দিয়ে চিকিৎসা করা অবুঝ ভাইদের এই একটা হালত প্রায়শ শোনা যায়। হাজার হাজার জিনের ইমান গ্রহণ ও হ°ত্যা করে ফেলছেন, এই ধোঁকায় ফেলে জিনরা। আমি বললাম, ওইখানে হয়তো উল্টাপাল্টা অনেককিছু হয়েছে তাই একটু সেল্ফ রুকইয়াহ করে তারপর আসতে বলেন।

কয়েকদিন আমল করে আসলো। কিছুটা কমেছে আগের চেয়ে। কিন্তু এই কয়েকদিনের ঘটনা শুনে আমি পুরো থ খেয়ে গেলাম। জি°নেরা আবারও বলছে, সে আগের কবিরাজ-ই আবার তাদের পাঠিয়েছে। মাদরাসা থেকে চলে আসছে কেন! এই ক্ষোভ থেকে আবারও যেন সে মাদরাসায় নিয়ে যায় তাই জাদু করেছে। জিনদের এই স্টেটমেন্টের উপর ভিত্তি করে তারা ওই মাদরাসায় কবিরাজকে নিয়ে এসেছে। কেন এমন করল? এসব জিজ্ঞাসাবাদে একসময় মারধর করে ওই কবি°রাজকে। অথচ সে কিছুই জানেনা। বাবা-ও নিজের ছেলের এমন অবস্থা দেখে ধরে রাখতে পারেনি। আশপাশের মানুষও তার কাছে বাচ্চার অবস্থা দেখে ভিক্ষা চাচ্ছে, জিন যেন ছেড়ে দেয়।

কবি°রাজও ক্ষেপে গিয়ে পুলিশ নিয়ে হাজির। আফিফের মাদরাসার মোহতামিম যিনি মূলত জি°নদের জবানবন্দী নিয়ে এই ঝামেলা পাকিয়েছিলেন, তাকে ও আফিফের বাবাকে তুলে নিয়ে যেতে আসছে। পুলিশের সামনেও জি°ন বলে আমাকে এই কবিরাজ পাঠিয়েছে। যাক, মামলা ওইখানে শেষ হলেও পারত। তারপরও আরো অনেক ঝামেলা হয় পুলিশ ও থানা নিয়ে। ওদিকে চতুর্মুখী হুমকিতে বাচ্চা ও তার ফ্যামিলি।

এদিক মাদরাসার মোহতামিম তার ছাত্রের উপর প্রেক্টিস করছেন ঝারফোঁক। জিন শরীরে নিয়ে এসে মাদরাসার কার কী, তার পরিবারের কার কী হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছে এসব গায়ব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন৷ জিনেরাও একটার পর আরেকটা এসে একেক কথা জানাচ্ছে। এরমধ্যে ছেলের শরীরের অবস্থা খারাপ। এতো বেশি জিন আসাতে দুর্বল হয়ে গেছে। শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার অবস্থা। হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত করাতে হয়েছে।

এসব শুনে আমি পুরো থ! যা বলার বলে রুকইয়াহ শুরু করলাম। জি°ন আসলো। কথা বলতে চাচ্ছিল, অমুকে পাঠিয়েছে। এই হয়েছে ওই হয়েছে। আমি বললাম, এসব শোনার সময় আমার নাই। তোরা বের হতে হবে। এটাই ফাইনাল কথা। নাহয় শুনতে থাক তিলাওয়াত।

এরিমধ্যে হঠাৎ ঝাঁকুনি দিয়ে আরেকটা জি°ন। এসে সালাম দিল। তাকে নাকি মোহতামিম সাহেব মুমিন বানিয়েছে। সে শুনেছে আমি অনেক ভালো তাই আসছে। তারা নাকি এখন আল্লাহর ওলিদের সোহবত নেয়, সেই ধারাবাহিকতায় এই আগমন। আমি বললাম, ফাইজলামির একটা লিমিট আছে। আমি তো অমুক না যে আমার সাথে এসব করবি। মানুষের শরীরে কোন মুমিন ঢুকতে পারে না। এভাবে কষ্ট দিতে পারে না। জনসাধারণের মাঝে বসবাস করাও অনুমোদন নাই; তুই মুমিন? তাহলে তোদের থাকার স্থান তো পাহাড়। এখনি বের হয়ে যা। সে চলে গেলেও আফিফের শরীরের অবস্থা ভালো না। এতোই দুর্বল হয়েছে এই কয়েকদিনে তাকে এখন রুকইয়াহ করাও সম্ভব না। এক মাসের আমল দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলাম।

পাঠানোর আগে বললাম, এখানে ঘটনা অন্যকিছু। জি°ন আপনাদের মনোযোগ সরানোর জন্য বিভিন্ন নাটক করছে, গল্পের প্লট সাজাচ্ছে। আপনার পরিবার ও অতীত নিয়ে বসতে হবে। মূল সমস্যা না ধরলে এর সমাধান সম্ভব না। এভাবেই কাহিনি করে যাবে।

অবশেষে:

বাবা যাওয়ার পর কল দিল। বললেন, আপনি বলার পর আমরা অনেক ভেবেছি। পরে হিস্টোরি মনে করে দেখলাম এমন অভিজ্ঞতা আগের থেকেই আছে। আফিফের বাবা-মা যতদিন বাড়িতে ছিলো অনেক সমস্যা হতো। অসুস্থতা ছিলো। মনোমালিন্য এক্সট্রিম পর্যায়ের হতো। বাহিরে থাকলে ভালো হলেও ঘরে আসতে না আসতেই ঝ°গড়া বেঁধে যেত। তার বাবা চাচা কাউকেই মাদরাসায় পড়াতে পারেনি৷ পাঠালেই চলে আসতো। বিভিন্ন সমস্যা হতো। আফিফের দাদিও অসুস্থতায় ভুগত। বাড়িতে বিভিন্ন সমস্যা হতো।

আন্দাজ অনুযায়ী সবকিছু মিলে যাওয়ায় একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। এভাবেই বাড়ির জিন ঘরের মানুষদের দীনদার হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সামনেরবার আশাকরি সমাধান হবে। ইনশাআল্লাহ। এই আশ্বাস দিয়ে কল রাখলাম। কিন্তু আমার অসুস্থতার কারণে শিডিউল দিয়েও পরেরবার রুকইয়াহ করতে পারিনি, অবাক কাণ্ড হলো আমি অসুস্থ হয়েছি সেদিন সকালেই। তাই আরেক ভাই করেছিলেন। পরে শুনেছি সেদিন অনেক জোর দেখিয়েছে। ঝামেলা করে শেষে চলে গেছে। তবে সেটা চলে যাওয়া না, ডুব দেয়া বলে।

কিছুদিন পর আমাকে জানালে বললাম শেষ সিরিয়ালটা নিয়ে আসুন৷ এটার পর আর কিছু না থাকায় লং টাইম রুকইয়াহ করা যায়। আজকে প্রথমে আসেনি। একটু একটু করে ফুঁসতে ফুঁসতে উপস্থিত হচ্ছে। আমি কিছুক্ষণ পড়ে তার দুর্বল পয়েন্ট খুঁজছিলাম। এরমধ্যে কাঁধে ধরাতে শক্তি দেখানো শুরু করল। আফিফের বাবা ও আমাদের আরেকজন রাকিসহ ধরেও পারছিল না। আমাকে মারবে৷ মেরে ফেলবে। একা আসার জন্য চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে। কার কথা কে শুনে, আমি পড়ছিলাম। কিন্তু কোনভাবে ধরে রাখা যাচ্ছিল না৷ পাঞ্জাবি ও গেঞ্জি খুলে তেল দিতে বললাম। দিয়ে এবার ঘাড়ে ধরতেই অবস্থা খারাপ। ছাঁই দিয়ে মাছ ধরলে যেমন হয়। সবগুলো পয়েন্ট দুর্বল করে ফেলেছি। এবার তো তাকে ছাড়ার জন্য কাকুতি মিনতি। ভাবলাম, এখনি সময় জবানবন্দি নেয়ার। রিমান্ডে এতক্ষণে আসামী বসেছে।

জিন কাকুতি মিনতি করে যাচ্ছে। আমি বললাম, এখানে কেন এসেছিলি? আমার দাদা ঢুকিয়েছে। আমি কিছু জানিনা। আরো চাপ দেয়ায় অহংকার নিয়ে বলছে, ওরা আমাদের বাড়িঘর ভেঙ্গেছে। ওরে রাখব নাকি? শেষ করে দিব সবগুলোকে। কোন ধর্মের জিজ্ঞেস করলে বলে, হুবালের পূজা করি। প্রথমে বুঝিনি। আবার জিজ্ঞেস করলে একই জবাব৷ এই বাঙালি জিন হুবাল পেল কোথায় আমার মাথা ঢুকছে না। যাইহোক, শয়°তানের নাতির সাথে কথা বলে কোন লাভ হচ্ছে না। তাকে বুঝালেও সে বুঝছে না। তাই বললাম, তোর দাদাকে ডাক দে। এখনি দে। এসবকিছুই করছি ঘাড়ে ধরে।

ছোট জিনের দাদা এসে প্রথমেই রাগান্বিত। এই কে আমাকে ডাকল! কেন ডাকল! যেই ঘারে চাপ দিয়ে কিছু আয়াত পড়ে ফু দিলাম। আর কয়েকটা মাইর লাগালাম। তখনি নরম। বললাম, এমন ভাব দেখাস কাকে? বলে, বুঝিনি এখানে আসার আগে। তারপর জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে সব কথা তুলে ধরে— আফিফের দাদা যেখানে বাড়ি করেছিল সেখানে ছিলো এই জিনদের বাসস্থান। তাদের জায়গায় থাকায় প্রথম তেমন কিছু করেনি। এখন সব গাছপালা কেটে বিল্ডিং উঠাচ্ছে তাই নতুন করে ক্ষেপেছে। তাদের কাউকে শান্তিতে থাকতে দিবে না। উন্নতি করতে দিবে না; এই পণ করেছে। আমি বললাম, তুই তো প্রথমেও ওর বাবা মায়ের মধ্যে বিচ্ছেদ করতে চেয়েছিলি? বলল, এটাই তো আমাদের কাজ। হুবালের নির্দেশ এই কাজ করতে হবে৷ বললাম, হুবালকে তাহলে বল আজকে তোকে বাঁচাতে? বলছে- না, ওই বেডি কত্তে বাঁচাইব। মানে হুবাল তার জানামতে একজন মহিলা। হুবালের ধর্ম ছেড়ে ইসলাম গ্রহণ করতেও সে নারাজ। তবে ভারতবর্ষে হুবালের অনুসারী কিভাবে হলো সে তথ্য তার কাছে পাওয়া যায়নি। তার চাচাদের ছেড়ে যেতে রাজি না, কারণ তারা তাবিজের চর্চা করে; এজাতীয় বিষয় প্রেক্টিস করলে বাড়ির জিন আরো শক্তিশালী হয় এবং আসন গেড়ে বসে। যেহেতু তারা আমার ও আফিফের বাবার নিয়ন্ত্রণে নাই তাই ইগনোর করলাম । বললাম, এখন ফাইনাল কথা হলো এই ছেলের শরীর ছেড়ে যাবি। আর কোনোদিন আসবি না৷ কসম খেয়ে তোর নাতিপুতি সব নিয়ে বের হ! সুন্দরভাবেই অল্পতে সব নিয়ে বের হয়ে গেল। এখন আলহামদুলিল্লাহ তিন মাস যাবত আফিফ সুস্থ। আগামীতেও তার ও পরিবার অন্যান্য সদস্যদের আল্লাহ তায়ালা যেন হেফাজতে রাখেন৷ আমিন।

এখান থেকে আমরা যা যা শিখলাম:

—জি°ন স্বভাবগত মিথ্যুক। তার প্রধানতম গুণ সে ধোঁকাবাজ। সুতরাং যেসকল কবি°রাজ ও রা°কি জি°নের কথায় নাচে তারা চরম ভুল করে। এমন বোকার দল থেকে আল্লাহ তায়ালা সকলকে হেফাজত করুন।

—বাড়ির জি°নের সমস্যা থাকলে অনেক কিছুই হয়। একইরকম সিমটমস সবার মধ্যে দেখা যায়। বিচ্ছেদ, পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট, দীনের ব্যাপারে অনিহা, উন্নতি করতে না পারা, ওয়াসওয়াসা, বদ°মেজাজ ইত্যাদি স্বভাব দেখা যায়। কবি°রাজের জি°নের সামর্থ্যে না থাকলে জা°দু বলে চালিয়ে দেয় তাই এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

—মূল কেইস না বুঝলে জি°ন যেতে চায় না৷ কারণ সে তো জানেই চিকিৎসক একটা বোকা প্রকৃতির লোক৷ তাকে এমন ধোঁকা দেয়াই যাবে। তাই মূল ঘটনা বুঝাটা জরুরি। কোন রাকি এমন সমস্যা সমাধান করতে না পারলে উচিত সিনিয়র রাকিদের নিকট রেফার করে দেয়া।

—ইবনে ইসহাক

(সিনিয়র রুকইয়াহ কন্সাল্টেন্ট)

২০১৩ সালে তুরস্কের ৪২ বছর বয়সী ইব্রাহিম ইউসেল ধূ'ম'পা'ন ছাড়ার জন্য বেছে নেন এক অভিনব উপায়— নিজের মাথায় লোহার খাঁচা পরেছি...
28/10/2025

২০১৩ সালে তুরস্কের ৪২ বছর বয়সী ইব্রাহিম ইউসেল ধূ'ম'পা'ন ছাড়ার জন্য বেছে নেন এক অভিনব উপায়— নিজের মাথায় লোহার খাঁচা পরেছিলেন তিনি!

২৬ বছর ধরে দিনে দুই প্যাকেট সি'গা'রে'ট খেতেন ইউসেল। কৈশোর থেকে শুরু হওয়া এই অভ্যাস একসময় জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়।

কিন্তু বাবার মৃ'ত্যু— যিনি ফুসফুস ক্যা'ন্সা'রে আ'ক্রা'ন্ত হয়ে মা'রা যান। এই মৃ'ত্যু তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তখন তিনি বুঝতে পারেন, তিনিও একই পরিণতির দিকে এগোচ্ছেন।

অসংখ্যবার চেষ্টা করেও যখন তিনি ধূ'ম'পা'ন ছাড়তে ব্যর্থ হন, তখন এক অভিনব সিদ্ধান্ত নেন। মোটরসাইকেলের হেলমেট ও জেলের সেলের কাঠামো দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বানিয়ে ফেলেন এক লোহার খাঁচা।

যা তার মাথাকে পুরোপুরি ঘিরে রাখে। খাঁচায় ছিল শুধু নিঃশ্বাস নেওয়া, পানি পান করা এবং স্ট্র দিয়ে অল্প খাবার খাওয়ার মতো ফাঁকা জায়গা।

প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রী ও মেয়ে সেই খাঁচা তালাবদ্ধ করে দিতেন, আর চাবি রেখে দিতেন নিজেদের কাছে— যাতে ইব্রাহিম কোনোভাবেই এটি খুলতে না পারেন।

এই অদ্ভুত পদ্ধতিই শেষ পর্যন্ত তার জন্য কাজ করে। লোহার খাঁচাটি হয়ে ওঠে তার আ'স'ক্তি'র বিরুদ্ধে এক বাস্তব দেয়াল।

ইব্রাহিম ইউসেলের এই ছবিগুলো দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে মিডিয়ায়, আলোচনার জন্ম দেয় আ'স'ক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার মনস্তাত্ত্বিক সংগ্রাম নিয়ে।

-সংগৃহীত।

তুরস্ক বাংলাদেশে একটি যৌথ ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সাথে তুরস্ক তার নিজস্ব এয়ার...
12/10/2025

তুরস্ক বাংলাদেশে একটি যৌথ ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সাথে তুরস্ক তার নিজস্ব এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সরবরাহের একটি বড় চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে বলে খবর বেরিয়েছে।

এই ঘটনা দুইটা ঘটলে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য বদলে যাবে এবং ইন্ডিয়া ও বার্মার সাপেক্ষে ঢাকার প্রতিরোধ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

তুর্কি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা হলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো একটা মাল্টিলেয়ারড দীর্ঘ-পাল্লার প্রতিরক্ষা ঢাল এর আওতায় আসবে।

এটা জাতীয় নিরাপত্তায় একটা অভূতপূর্ব ঘটনা হবে।

তুর্কি Siper ডিফেন্স সিস্টেমের ১০০ কিলোমিটার রেঞ্জ এর কারনে ঢাকা কার্যত ইন্ডিয়ার কাছে থাকা রাশান S-400 নেটওয়ার্কের সমপর্যায়ের একটা আকাশ নিরাপত্তা ছাতার নিচে চলে আসবে। এর ফলে আগের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যাবে।

এই সিস্টেম যুক্ত হলে বাংলাদেশ চীন ও রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে NATO মানের প্রযুক্তির দিকে এগোবে।

আর দাম ও মান বিচারে তুর্কি ড্রোনের সাফল্য তো কয়েকয়টা যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাটল টেস্টেড সবাই জানে।

বাংলাদেশ যে এখন চীন, রাশিয়া, পশ্চিমা দেশ এবং তুরস্ক— এই সব পক্ষের মধ্যেই একটা বাস্তববাদী ভারসাম্য নীতিতে চলবে, এবং ধীরে ধীরে একটি আঞ্চলিক ডেটারেন্স সম্পন্ন রাষ্ট্রে রূপ নিচ্ছে সেটার একটা ইঙ্গিত এইখানে আছে।

সেনাসদর প্রেস ব্রিফিং ডাকায় গতকাল আওয়ামী পাড়ায় ছিল চরম উত্তেজনা। ইয়েস বলে অট্টহাসিতে লাফিয়ে পড়বে, এটাই ভাসছিল তাদের চোখে...
12/10/2025

সেনাসদর প্রেস ব্রিফিং ডাকায় গতকাল আওয়ামী পাড়ায় ছিল চরম উত্তেজনা। ইয়েস বলে অট্টহাসিতে লাফিয়ে পড়বে, এটাই ভাসছিল তাদের চোখেমুখে। কিন্তু বিধিবাম। ৫ আগস্টের মতোই হতাশ হতে হলো আওয়ামীদের। তথ্য ছিল, ওয়ারেন্ট জারি হওয়া বেশ ক'জনকে আইসোলেট করা হয়েছে। বিমানবন্দর ও বর্ডারেও কয়েকজনের জন্য ছিল সতর্কতা। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যি হলো।

আগেও বলেছি, এখনও বলছি- সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিতে চাইলে আগস্টেই নিতে পারত। সেসময় তো ছাত্র-জনতা স্লোগানও দিয়েছিল: এই মুহূর্তে দরকার, সেনাবাহিনীর সরকার।

এছাড়া সেনাবাহিনী যদি ছাত্র-জনতার পক্ষ না নিতো, তাহলে চূড়ান্ত বিজয় হয়তোবা আরও পরে আসত। এতে প্রাণহানি বাড়ত। সুতরাং সেনাবাহিনীর বড় অংশ বিপ্লবের অংশ।

কিন্তু এর মানে এই নয় যে, ১৭ বছর ধরে দানব হয়ে ওঠা কেউ পার পেয়ে যাবে। এরা সেনাবাহিনীর জন্যই কলঙ্ক। শরীরে ক্ষত/ক্যান্সার হলে প্রয়োজনে স্বেচ্ছায় কিছু অংশ কেটে ফেলতে হয়। এটাও এরচেয়ে বেশিকিছু নয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য খু্ই জরুরি। তবে সেই সেনাবাহিনীতে ফ্যাসিবাদ তৈরি ও টিকিয়ে রাখার সহায়ক কোন খু নি বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে সেটাও বাহিনীর জন্য সম্মানজনক নয়।

সরাসরি খু ন না করেও ফ্যাসিবাদের সহায়ক অনেক সাংবাদিক কারাগারে আছেন। সেখানে সরাসরি খু নি রা মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াবে এটা হতে দেয়নি সেনাবাহিনী। এটা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সাধারণ মানুষ কতোটা ভালোবাসেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড স্মরণে বেশকিছু প্রোগ্রাম কাভার করতে গিয়ে স্বচক্ষে দেখেছি। সেই শ্রদ্ধার সেনাবাহিনীকে যারা এই পর্যায়ে নিয়ে গেছে তারা কোনভাবেই সেনাবাহিনীকে ওউন করে না। সেখান থেকে বাহিনীকে আগের জায়গায় ফেরত আনার প্রত্যয়ের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আবারও ধন্যবাদ। দিল্লিপন্থীদের হটিয়ে জুলাইয়ের চেতনায় উজ্জীবিত থাকুক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আলহামদুলিল্লাহ মাত্র ৫৬ দিনের পরিবর্তন। পরশু দিন আরেকটি গরুরটির পরিবর্তনের ছবি আপনারা দেখিছিলেন, মূলত দুইটি গরু একদিনে ক...
23/09/2025

আলহামদুলিল্লাহ মাত্র ৫৬ দিনের পরিবর্তন।

পরশু দিন আরেকটি গরুরটির পরিবর্তনের ছবি আপনারা দেখিছিলেন, মূলত দুইটি গরু একদিনে কেনা হয়েছিল এবং একই দিনে বিক্রি করেছি।

কেনার দিনের দুইটি গরুর ছবি একসাথে পোস্ট দিয়েছিলাম আপনারা যারা আমার পেজে যুক্ত আছেন তারা দেখেছিলেন।

এই গরুটি কেনা ছিলো ৬৮০০০ টাকা, এই গরুটি বিক্রি করা হয়েছে বুধবার ১০৭০০০ টাকায়।
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এই উত্তর বঙ্গের খারাপ বাজারেও ভালো লাভ আসছে।

⚠️এখানে একটা মজার বিষয় হলো বিক্রির দিন ছবি তুলে কেনার দিনের ছবির সাথে গরু মেলাতে পারি না, শিং ও গরুর মাথা ও দড়ি দেখে গরুটি সহজে চেনা যায়,, আমরা যারা হাড্ডিসার গরু দুই মাসের প্রজেক্ট করি তারা রং পরিবর্তনের বিষয়টি সহজে বুঝতে পারবেন, নুতুন রা হয়তো বললে দুইটি গরু আলাদা 😁

মূলত গরুকে কৃমি মুক্ত করে জিঙ্ক খাওয়ালে গরুর পূর্বের পশম পড়ে দিয়ে নুতুন পশম গোজায়, এতে সব গরুরি কম বেশি রং এর পরিবর্তন আসে । যদি কেউ ছবি তুলে রাখেন তাহলে বুঝতে পারবেন অন্যথায় বোঝা মুশকিল। ⚠️

তো যাক, পরশু দিনের গরুটির পরিবর্তন দেখে আপনারা অনেকে জিজ্ঞাসা করেছেন ভাই আপনার গরুকে কি খাওয়ান? এবং খাদ্য তালিকা জানাতে চেয়েছিলেন,আমি আপনাদের খাদ্য তালিকা দিতে চেয়েছিলাম । তাই বর্তমান আমরা যেভাবে খাদ্য তৈরী করে আমাদের খামারের গরুকে খাওয়াচ্ছি সেই তালিকাটি আপনাদের মাঝে তুলে ধরতেছি দেখতে পারেন..............

আনুমানিক ২০০ কেজি খাদ্য তৈরিতে আমরা যে যে কাঁচামাল ও মেডিসিন ব্যবহার করি তার হিসাব মূল্য সহ তুলে ধরতেছি......

♻️কাঁচামালসহ মূল খাদ্য তালিকা ♻️
১. ভুট্টা গুঁড়া - ৮০ কেজি =২৪০০ টাকা
২. সোয়ামিল খৈল - ১০ কেজি = ৫৪০ টাকা
৩. CCM / DDGS - ৩০ কেজি =১১৪০ টাকা
৪. রেপসিড খৈল - ২৫ কেজি = ৮৭৫ টাকা
৫. DORB ব্রান - ২০ কেজি = ৫২০ টাকা
৬. লাইমস্টোন - ৬ কেজি = ৭২ টাকা
৭. লবন - ৩ কেজি = ৪৫ টাকা
৮. এমাইনোপ্রোট - ৩ কেজি = ৩৯০ টাকা
৯.কুড়া /ব্রান - ৩০ কেজি = ৪৮০ টাকা
১০. মেডিসিন(২১প্রকার)- ৫কেজি = ১৭৮৪ টাকা
------------------------------------------------------------------------------------- মোট ওজন -২১২ কেজি &মূল্য = ৮২৪৬ টাকা
অতএব....
প্রতি কেজি মূল্য (৮২৪৬÷২১২) কেজি
= ৩৮. ৮৯ টাকা ✅✅

♻️ ১০ নং এর ২১ প্রকার মেডিসিন ♻️...........//...............//...............//............//.........
1.লাইসিন, (রুমেনবাইপাস)- ২০০গ্রাম = ১৯২ টাকা
2.মিথিওনিন,(রুমেনবাইপাস )- ২০০ গ্রাম = ১৭০ টাকা
3. টক্সইন - ২০০গ্রাম = ৪৬ টাকা
4. জাইম - ২০০ গ্রাম =৮৪ টাকা
5. ক্যালসিয়াম - ১০০গ্রাম = ৫০টাকা
6. সোডিয়াম - ৩০০ গ্রাম =১৮ টাকা
7.রুমেন ই - ১০০ গ্রাম = ৬৫ টাকা
8. মিনারেল- ৫০০গ্রাম =২০০ টাকা
9. হেপাটোকেয়ার - ২০০গ্রাম= ৮০ টাকা
10.হাই ভিটামিন প্রিমিক্স- ৪০০গ্রাম = ১০৪ টাকা
11 .DCP - ৫০০গ্রাম= ৪০ টাকা
12. ফাইটেস - ২০০গ্রাম = ৪০টাকা
13. অক্সিহোল্ড - ১০০গ্রাম = ৬০টাকা
14. মুলগার্ড - ১০০গ্রাম = ৬০টাকা
15. আর.এম - ৬০গ্রাম = ৪৮ টাকা
16. গ্রোথফর্মুলা - ২০oগ্রাম = ৭৬টাকা
17. ফ্যাটি. জি - ৪০০গ্রাম =১০০টাকা
18..ভেজিটেবল ফ্যাট - ৪০০গ্রাম = ১৬০টাকা
19.স্যালাইন - ২০০ গ্রাম = ৩০ টাকা
20.হাই,বি- ৩০০গ্রাম =৮১টাকা
21.হ্যালকুইনল - ১০০ গ্রাম = ৮০ টাকা
___________________________________________
মোট ওজন ৫৮৬০ গ্রাম ✴️ মোট মূল্য ১৭৮৪ টাকা

♻️ এমন পাইকারি দরে ফিড সাপ্লিমেন্ট/ মেডিসিন ও কাঁচামাল গুলো ক্রয়ের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন.
☎️ 01739227743 (whatsapp/ imo)

_____=______=_______=______=_______=_____=__
❇️খাদ্য যেভাবে গরুকে প্রয়োগ পরিমান ❇️

♻️ হাড্ডিসার গরুকে মূলত অন্য সব গরুর মত লাইভওয়েড অনুযায়ী খাদ্য প্রয়োগ করা যায় না। এখানে খাদ্য প্রয়োগ করতে হয়, একটি গরুতে কী পরিমান মাংস ধরতে পারে মোটাতাজা হলে, এই পরিমান এর উপরে আন্দাজ করে। আমরা যেভাবে খাদ্য দেই গরুকে,,,

♻️যে গরু মোটাতাজা হলে মাংস ধরে ২ মন এর মত, সেই গরুকে খাদ্য দেই দিনে ৩ কেজি মত

♻️যে গরু মোটাতাজা হলে মাংস ধরে ৩ মন এর মত, সেই গরুকে খাদ্য দেই দিনে ৪ কেজি এর মত

♻️যে গরু মোটাতাজা হলে মাংস ধরে ৪ মন এর মত, সেই গরুকে খাদ্য দেই দিনে ৫ কেজি এর মত

✴️এভাবেই মূলত আমরা আমাদের খামারের গরুকে খাদ্য প্রয়োগ করে ২ মাসে পরিপূর্ণ মোটাতাজা করি।

____=________=__________=________==________

❇️ বি : দ্রঃ ❇️
♻️অনেক জনের মনে প্রশ্ন আসছে হয়ত এত পরিমান ভুট্টা কিভাবে শোষণ করতে পারবে ? ভুট্টাকে শোষণ উপযোগী করে তুলার জন্য আমরা ভুট্টা কে একবারে মিহি আটা করে নেই এছাড়াও মেডিসিন তালিকায় ভুট্টাকে শোষণ করার জন্য একদম ভালো মানের " জাইম " ব্যবহার করি ও ফাইটেস ব্যবহার করি ,এছাড়াও সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ব্যবহার করি। যার ফলে এই বেশি পরিমান ভুট্টা আমাদের গরুর মধ্যে নরমালি শোষণ হয়ে থাকে। আলহামদুলিল্লাহ কখনো এর জন্য সমস্যায় পতিত হই নি আল্লাহর রহমতে।

______=________=________=________=______=___

💥বি:দ্রঃ প্রয়োজনে আপনার নিকটস্থ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বা প্রাণী চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে এগুলো বিষয়ে আরো ভালো তথ্য গ্রহণ করতে পারেন।

✴️ আজকের বিষয়টি প্রয়োজনীয় মনে হলে, শেয়ার দিয়ে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন। এবং কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।

☎️ : 01616710798

💥খাদ্য তৈরীর ভিডিও পেতে "Nill Agro amiraz" ইউটুব চ্যানেল ভিজিট করতে পারেন। 💥💥

সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। 🥰
🥰 যাজাকাল্লাহ খাইরুন। 🥰

চীন তৈরি করল পৃথিবীর প্রথম “মশা ড্রোন সেনা”!♦️চীনের বিজ্ঞানীরা এমন এক অভিনব প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন, যা শুনলে গা শিউরে...
20/07/2025

চীন তৈরি করল পৃথিবীর প্রথম “মশা ড্রোন সেনা”!

♦️চীনের বিজ্ঞানীরা এমন এক অভিনব প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন, যা শুনলে গা শিউরে উঠবে—তারা তৈরি করেছে পৃথিবীর প্রথম "মশা-আকৃতির ড্রোন সেনা" (Mosquito Drone Army)! দেখতে একেবারে সত্যিকারের মশার মতো, কিন্তু এর ভিতরে লুকিয়ে আছে উচ্চ প্রযুক্তির ক্যামেরা, সেন্সর ও নজরদারি যন্ত্রপাতি!

♦️এই ছোট্ট ড্রোনগুলো মূলত গুপ্তচরবৃত্তি, নজরদারি ও সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যেকোনো সীমান্ত অঞ্চলে, যুদ্ধক্ষেত্রে বা সন্দেহজনক জায়গায় এই ড্রোনগুলো উড়ে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে – কেউ টেরও পাবে না!

♦️বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
🔹 আকারে একটি সাধারণ মশার মতো
🔹 শব্দহীন উড়ে বেড়াতে পারে
🔹 নাইট ভিশন ক্যামেরা যুক্ত
🔹 মানব চেহারা শনাক্ত করতে পারে
🔹 দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য
🔹 এমনকি কিছু ড্রোন রক্তও সংগ্রহ করতে পারে ডিএনএ বিশ্লেষণের জন্য, বলে থাকেন গবেষকরা!

♦️শুধু যুদ্ধ নয়, বায়োলজিক্যাল রিসার্চ, জঙ্গলে প্রাণী পর্যবেক্ষণ, কিংবা দুর্যোগে উদ্ধার অভিযানেও এগুলোর ব্যবহার হতে পারে। তবে এর সম্ভাব্য নেতিবাচক ব্যবহার নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।ভাবুন তো, আপনি একটা ঘরে বসে আছেন আর জানালার ধারে হঠাৎ একটা মশা উড়ে এলো... আর সেটা আসলে গুপ্তচর ড্রোন! এ যেন বাস্তবের মধ্যেই এক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি!

সংগৃহীত

Address

Kataksthal, Gournadi
Barisal
8231

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mks Creation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share